banglanewspaper

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে ভারত সরকার বুধবার থেকে যে নতুন শর্তাবলী মানার নির্দেশ দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লিতে মামলা করেছে। দিল্লি হাইকোর্টে দায়র করা ওই মামলায় হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, ভারতীয় সংবিধানে নাগরিকদের যে প্রাইভেসি বা গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার দেয়া হয়েছে সরকারের নির্দেশ তার পরিপন্থী।

অন্যদিকে ভারতের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় যুক্তি দিচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ফেক নিউজ’ কারা ছড়াচ্ছে বা কোন উৎস থেকে তা সৃষ্টি হচ্ছে সেটা জানার পূর্ণ অধিকার তাদের আছে।


বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই বিতর্কে দুপক্ষের কথাতেই কিছু যুক্তি আছে এবং সম্ভবত মাঝামাঝি একটা জায়গাতেই তাদের রফা করতে হবে।

হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার বা গুগলের পেরেন্ট সংস্থা অ্যালফাবেটের মতো টেক জায়ান্টগুলোকে ভারতে বুধবার (২৬ মে) থেকে যে কিছু নতুন বিধিনিষেধ মেনেই চলতে হবে - সরকার তা জানিয়ে দিয়েছিল প্রায় মাসতিনেক আগেই।

দেশের আইনমন্ত্রী ও তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত রবিশঙ্কর প্রসাদ পার্লামেন্টেই ঘোষণা করেছিলেন, ভারতের আইনকে পাশ কাটিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এদেশে ব্যবসা করতে পারবে না।

গত ফেব্রুয়ারিতেই তিনি পার্লামেন্টে বলেন, ‘আমরা এই প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমালোচনা করার অধিকারও দিয়েছি - প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের যে কাউকে আপনি সেখানে আক্রমণ করতে পারেন, ভারতের সংবিধানও সেই অধিকার দেয়।’

‘কিন্তু যদি সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার করে কেউ হিংসা ছড়ায়, ফেক নিউজ প্রচার করে বা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে উসকানি দেয় তাহলে আমাদের তার তদন্ত করতেই হবে।’

‘আপনারা ভারতে ব্যবসা করুন কোনো সমস্যা নেই, এখানে আপনাদের কোটি কোটি ফলোয়ার আছে, যত খুশি টাকাও কামান - কিন্তু দেশের সংবিধান ও আইনকেও আপনাদের মেনে চলতে হবে।’

এই নতুন বিধিনিষেধ বলবৎ হওয়ার কথা বুধবার থেকেই। কিন্তু ঠিক তার আগে হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লি হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছে।

তারা যুক্তি দিচ্ছে, সরকারের দাবি অনুসারে যদি কোনো মেসেজের ‘অরিজিনিটের' কে, অর্থাৎ কার হাতে সেটির সৃষ্টি তা জানাতে হয় - তাহলে তাদের অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন ভাঙতে হবে এবং গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে আপস করতে হবে।

ভারতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মামলা রুজু করার ঘটনা এই প্রথম।

তবে বিতর্কটাও যে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, তা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই ইন্ডিয়ান স্কুল অব এথিক্যাল হ্যাকিংয়ের অধিকর্তা সন্দীপ সেনগুপ্তর।

তিনি বিবিসিকে বলছিলেন, ‘আসলে দুতরফেই কিছু বৈধ যুক্তি আছে। সরকারকে যেমন ফেক নিউজ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, এটা ভারতে একটা মারাত্মক সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।’

‘ফেক নিউজ থেকে দেশে দাঙ্গা শুরু হতে পারে, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, এমন কী বিদেশি শত্রুরাও এটাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ভারতে গন্ডগোল বাঁধিয়ে দিতে পারে।’

‘এই জন্যই সরকার সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে দুতিনটে শর্ত দিচ্ছে - যেমন, কোনো পোস্টকে সরকার ফেক নিউজ বলে চিহ্নিত করা মাত্র সেটাকে সরিয়ে নিতে হবে।’

‘আর সেই সঙ্গেই জানাতে হবে কে প্রথম সেটি আপলোড করেছিল, অর্থাৎ ওই পোস্টের অরিজিনেটর কে!’

এর পাশাপাশি প্রতিটি সংস্থায় একজন নোডাল অফিসার রাখার শর্তও দেওয়া হয়েছে - যার সঙ্গে ফেক নিউজ বা আপত্তিকর কোনও পোস্ট নিয়ে সরকার সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে।

কিন্তু এই সব শর্তে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিপন্ন হবে বলেই মনে করছে হোয়াটসঅ্যাপ বা টুইটার।

মি সেনগুপ্ত বলছিলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলোর পাল্টা যুক্তি হলো, আমরা যদি কোনো পোস্টের অরিজিনেটর কে, সেই নামধাম একটা বন্ধ খামে করে আপনাদের জানিয়ে দিই তাহলে বাকস্বাধীনতার সঙ্গে অবশ্যই আপোষ করা হবে।’

‘ধরা যাক, কেউ কোনো পোস্টে সরকারের কিছু সমালোচনা করল - তাহলে নতুন শর্ত অনুসারে সরকারের কাছে তার পরিচয় জানাতে এই কোম্পানিগুলো বাধ্য থাকবে। আর স্বৈরতন্ত্রের শুরু তো এভাবেই হয়!’

বিজেপির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র এমপি বিনয় সহস্রবুদ্ধে আবার পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কেউ নিজের ইচ্ছেমতো স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করতে পারেন - প্রথাগত মিডিয়ার সঙ্গে তাদের এটাই মূল পার্থক্য।’

‘কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলো যদি শুধু প্ল্যাটফর্ম দেয়ার বদলে কে কী বলছেন, কেন বলছেন তার খবরদারি করতে বসে তাহলে তারাও একরকম প্রথাগত মিডিয়াই হয়ে যায়।’

‘সে ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের নিয়মকানুন বা বিদেশি বিনিয়োগের শর্ত কেন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?’, প্রশ্ন তুলছেন তিনি।

ভারতের আগে চীন-সহ বিভিন্ন দেশেই এই ধরনের শর্ত আরোপ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টরা সরকারের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে।

কোনো দেশে তারা পাট গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে, কোথাও বা ব্যবসা করছে কিছুটা আপস করেই। কোটি কোটি ইউজারের বাজার ভারতেও শেষ পর্যন্ত তারা একটা মাঝামাঝি রাস্তায় আসবে বলেই পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ট্যাগ: bdnewshour24

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম চালু করছে মাইক্রোসফট

banglanewspaper

সোশ্যাল মিডিয়া আনছে টেক জায়ান্ট কোম্পানি মাইক্রোসফট। চলতি সপ্তাহে সংস্থাটি ভিভা এনগেজ প্ল্যাটফর্মে এ তথ্য ঘোষণা করেছে। প্ল্যাটফর্মটি মাইক্রোসফট টিমস অ্যাপের সঙ্গেই চলবে। ধারণা করা হচ্ছে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই বিশ্ববাসীর সঙ্গে ভিভা এনগেজের পরিচয় করাতে চলেছে মাইক্রোসফট।

তবে মজার বিষয় হচ্ছে, ভিভা এনগেজ নামক প্ল্যাটফর্মের লুক ও ফিল এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে হুবহু ফেসবুকের মতো। এর হোম ফিডে বিভিন্ন পোস্ট, ভিডিওসহ আরও অনেক কিছু দেখা যাবে। সম্প্রতি নতুন প্লাটফর্মটির একটি ছবি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা গেছে, হোম স্ক্রিনের ঠিক বাঁ দিকে থাকছে সেটিংস অপশন। এছাড়াও অন্যান্য কমিউনিটিতে যোগ দেওয়ার অপশনটি পাওয়া যাবে এখানে।

এসব দেখেই বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে ট্রায়েড অ্যান্ড টেস্টেড অ্যাপ্রোচ চালাচ্ছে মাইক্রোসফট। কারণ, মার্কেটে ফেসবুকের মতো বড় প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে।

তবে মাইক্রোসফটের নতুন প্ল্যাটফর্মটিতে যে শুধুই ফেসবুকের সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে এমনটা নয়। ইনস্টাগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটে যেমন স্টোরিজ ফিচার দেখা যায়, একই ধরনের ফিচার মাইক্রোসফটের ভিভা এনগেজেও দেখা যেতে পারে। তবে সোশ্যাল প্লাটফর্ম হলেও এটি মূলত ব্যবসার ওপরেই ফোকাস করবে মাইক্রোসফট।

ট্যাগ:

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য সুখবর

banglanewspaper

পঞ্চম প্রজন্মের মুঠোফোন সেবা ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক চালু করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) নেট দুনিয়ায় ফাইভ-জি স্পিডে যাত্রা করে প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি নির্দিষ্ট স্পটে এ সেবা চালুর মাধ্যমে অপারেটরটি পথচলা শুরু করে।এর মাধ্যমে গ্রাহকের ফাইভ-জি সমর্থিত মুঠোফোনে এ সেবাটি পাওয়া যাবে বলে জানায় গ্রামীণফোন।তবে এর জন্য ডিভাইস প্যাচ প্রয়োজন হবে।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা উন্মোচনের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যপূরণে আমরা ফাইভ-জি কানেক্টিভিটি ও এর ইউজ কেসের ট্রায়াল পরিচালনা করছি। এ জন্য বাংলাদেশ সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নেটওয়ার্ক পার্টনার, ইকোসিস্টেম প্লেয়ার এবং গ্রামীণফোন টিমের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে আগামী দিনের কানেক্টিভিটিকে (ফাইভ-জি) সম্ভাবনায় পরিণত করেছেন। ফাইভ-জি’র ট্রায়াল পরিচালনা ও ফাইভজি’র চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে প্রত্যাশী। বর্তমানে আমরা ফোরজি নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি; একইসঙ্গে আমরা ভবিষ্যতের সক্ষমতা তৈরি, ফাইভ-জি ইকোসিস্টেম বিনির্মাণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, ব্লকচেইন ও রোবোটিকসের মাধ্যমে শিল্পখাতের জন্য বিভিন্ন সল্যুশন নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দেশের ৬টি জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি চালু করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক।

ট্যাগ:

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
নম্বর সেভ না করে হোয়াটসঅ্যাপে যেভাবে বার্তা পাঠাবেন

banglanewspaper

মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় মেসেজিং প্লাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ একের পর এক নতুন ফিচার আনছে। এটির কোটি গ্রাহক হলেও, একটি কারণে ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়েছেন। কীভাবে নম্বর সেভ না করে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পাঠাতে হয় সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। এতে সুবিধে হবে আপনার।

সেভ নয় এমন নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পাঠানোর অফিসিয়াল উপায় নেই। তবে এটি একটি দরকারি ফিচার। কারণ অনেক হোয়াটসঅ্যাপ গোপনীয়তা সেটিংস ‘মাই কনন্ট্যাক্টস’র মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং আপনি হয়তো চান না যে আপনার ফোন বুকের প্রত্যেকে আপনার প্রোফাইল চিত্রটি দেখুক।

কিছু তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ রয়েছে, যা আপনাকে নম্বর সেভ না করেই হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠাতে দেয়। কিন্তু এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করাকে উৎসাহিত করা হয় না। কারণ, এটি আপনার নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অনেকসময় আপনার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে।

নম্বর সেভ না করে যেভাবে মেসেজ পাঠাবেন

আপনার স্মার্টফোনে যেকোনো ব্রাউজার খুলুন এবং অ্যাড্রেস বারে ‘https://wa.me/phonenumber’ টাইপ করুন। এই URL কপি এবং পেস্ট করা উচিত নয়। ‘ফোন নম্বর’র পরিবর্তে আপনাকে প্রথমে URL-এ আপনার মোবাইল ফোন নম্বর টাইপ করতে হবে। আপনি আপনার ফোন নম্বর যোগ করার পরে যেমন- ‘https://wa.me/991125387’ URL হওয়া উচিত।

ট্যাগ:

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য দুঃসংবাদ

banglanewspaper

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য সর্বনিম্ন মোবাইল রিচার্জ নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার (১ জুলাই) এক এসএমএসে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের জানিয়েছে, এখন থেকে গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা ২০ টাকার কম রিচার্জ করতে পারবেন না। রিচার্জের মেয়াদ ৩০ দিনের। তবে ১৪ ও ১৬ টাকার মিনিট প্যাকেজগুলো কিনতে বাধা নেই। রিচার্জ কার্ডগুলোও আগের মতোই চালু থাকবে।

এ ছাড়া ২১ এবং ২৯ টাকা রিচার্জে দুই এবং তিন দিন মেয়াদে যেকোনো লোকাল নম্বরে স্পেশাল কল রেট পাওয়া যাবে। জিপি থেকে জিপি নাম্বারে সর্বনিম্ন ১০ টাকা ব্যালেন্স ট্রান্সফার করা যাবে।

গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রোডাক্টের সুবিধাসমূহ সরলীকরণ করার অংশ হিসেবে সর্বনিম্ন রিচার্জ নির্ধারণ করেছে তারা।

এর আগে মানসম্পন্ন সেবা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গ্রামীণফোনকে ২৮ জুন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি)।

ট্যাগ:

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা

banglanewspaper

মানসম্মত সেবা দিতে না পারায় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

বুধবার (২৯ জুন) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, গ্রামীণফোন শুধু গ্রাহক বাড়াচ্ছে কিন্তু সেবার মান বাড়াচ্ছে না। তারা সেবার মান ভালো করার কোনো উদ্যোগও নিচ্ছে না। এটা হতে দেওয়া যাবে না। যতদিন না তারা সেবার মান ভালো করবে এবং তা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না হবে ততদিন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রি বন্ধ থাকবে।

এ বিষয়ে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, গ্রামীণফোন মানসম্মত সেবা দিতে পারছে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের সিম বিক্রি বন্ধ থাকবে।

৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজারের এই মোবাইল ফোন অপারেটর বর্তমানে এক মেগাহার্টজ তরঙ্গে ১৪ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে, যা অন্যান্য অপারেটরের চেয়ে বেশি।

গত ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নিলামে তারা সবচেয়ে বেশি তরঙ্গ (৬০ মেগাহার্টজ) কিনেছে। নতুন তরঙ্গ যুক্ত হলে এক মেগাহার্টজ তরঙ্গে ৭ লাখ ৭০ হাজার গ্রাহককে সেবা দেওয়া হবে।

ট্যাগ: