banglanewspaper

আক্রান্ত হয়ে অনেকেই বাসায় বসে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা নিচ্ছেন। ওষুধের পাশাপাশি এদের বাড়তি খাবার প্রয়োজন। বিশেষ করে পুষ্টিকর খাবার।জেনে নিন করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রতিদিনের ডায়েট চার্ট।

সকালে

সকালে উঠে--চা, দুটা বিস্কুট, এবং হালকা নাস্তা। নাস্তায় থাকতে পারে দুই পিস পাঁউরুটি মাখন বা জ্যাম সহ, একটি কলা, এক কাপ দুধ , একটা ডিম সেদ্ধ। অথবা হাতে গড়া রুটি , নানারকম সবজি দিয়ে তরকারি কিংবা দুধ কর্ণফ্লেক্স। কর্ণফ্লেক্সের বদলে কেউ মুড়িও খেতে পারেন।

১১ টার দিকে ফল খেতে পারেন। আম, পেয়ারা অথবা তরমুজ অথবা আপেল অথবা পাকা পেঁপে ।

দুপুরে

দুপুরে লাঞ্চে পরিমাণ মতো ভাত , এক বাটি ডাল, তরকারি নানারকম সবজি দিয়ে। যেমন গাজর , বীনস বা বরবটি , পটল , বাঁধাকপি ইত্যাদি । তরকারির মধ্যে কিছু নিউট্রিলা চাঙ্ক দিলে ভাল । পাতলা মাছের ঝোল ,ঘরে পাতা টক দই ।

বিকালে

চা , বিস্কুট। এরপর অঙ্কুরিত ছোলা একটু মুখরোচক ভাবে কারণ, এই সময় মুখে স্বাদ থাকে না। শশা , টমেটো, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে, সামান্য বীট লবন, লেবুর রস ছড়িয়ে । কোনোদিন অঙ্কুরিত মুগ খেতে পারেন ছোলার বদলে । কোনোদিন মুড়ি, ছোলা ভেজানো ।

রাতে

রাতে তাড়াতাড়ি খাবার খেয়ে নেবেন । গরম স্যুপ । দুটো হাতে গড়া রুটি , পাতলা চিকেনের ঝোল ( দু পিস চিকেন সহ) , ডাল, তরকারি । চিকেনের বদলে পনীর অথবা নিউট্রিলার তরকারি । কোনোদিন মুখ বদলের জন্য পাতলা খিচুড়ি খাবেন রুটির বদলে ।

ঘুমানোর আগে--দুধ এক কাপ / স্যুপ সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন । উষ্ণ জল খেতে পারেন । সব অল্প তেলে রান্না হবে । ঝাল মশলা একদম নয় । ডায়াবেটিস , কিডনি বা অন্য কোনো রোগের সমস্যা থাকলে সেই অসুখের নির্ধারিত খাদ্যবিধি মেনে চলবেন । শারীরিক অবস্থার সাথে সঙ্গতি রেখে শরীরটাকে সচল রাখার জন্য তাকে হালকা ব্যায়াম করতে হবে। তবে যেহেতু এ সময় জ্বর থাকে তাই ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলতে হবে।

ট্যাগ: bdnewshour24