banglanewspaper

ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। কিন্তু পকেটে যদি টাকা না থাকে তবে কোনও উৎসবই আর উৎসব থাকে না। মুসলিম সম্প্রদায়ের দুয়ারে ঈদ আসলেও পকেটে বেতন-বোনাস আসেনি গার্মেন্টস ছাড়াও বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের। 

করোনা ভাইরাস মহামারি বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। সেই ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশেও। তবে দেশে করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ মোকাবিলায় সর্বাত্মক লকডাউন দেয়া হলেও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে চালু রাখা হয় উৎপাদনমুখী পোশাক খাত। এছাড়াও আরও কিছু শিল্প খাত বিধিনিষেধের মধ্যেও সচল ছিল। এমনকি শতভাগ শ্রমিক দিয়েই চালানো হচ্ছে তৈরি পোশাক কারখানাসহ অন্যান্য শিল্পখাতের কারখানাগুলো। 

অথচ ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও করোনার স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সেইসব শিল্প খাতের হাজার হাজার শ্রমিক এখনও বেতন-বোনাস পায়নি। রাত পোহালেই যখন ঈদ, তখন আজও তারা সেই বেতন-বোনাস পাবে কিনা, তা নিয়েও রয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে শিল্পাঞ্চল পুলিশের আওতাভুক্ত ৭৮২টি কারখানার মধ্যে ৪৪৭টি কারখানা গত জুন মাসের বেতন এখনও পরিশোধ করেনি। আর ঈদ বোনাস দেয়নি ৮৫১টি কারখানা। 

সোমবার (১৯ জুলাই) রাতে শিল্পাঞ্চল পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। তবে বেতন-বোনাস পরিশোধ না হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে কতগুলো পোশাক খাতের, তা জানা যায়নি।

এর আগে পোশাক শিল্প মালিক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ জানিয়েছিল, বর্তমানে চালু থাকা তাদের প্রায় দুই হাজার কারখানার মধ্যে ৫টি বাদে সবাই বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে। আর অপর সংগঠন বিকেএমইএ জানিয়েছে, তাদের সদস্যভুক্ত এক হাজারের বেশি কারখানা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে।

এ বিষয়ে শিল্পাঞ্চল পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবারও অনেক কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করবে। বেতন-বোনাস পরিশোধ না করা কারখানার বেশিরভাগই সংগঠনের সদস্য বহির্ভূত এবং পোশাক শিল্পের বাইরে অন্যান্য খাতের কারখানা।

ট্যাগ: bdnewshour24