banglanewspaper

শেষ সময়ে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাটে বেচাকেনা। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে এবছর ঈদুল আজহা ঘিরে মোট ১৯টি পশুর হাট বসানো হয়েছে। ঈদ ঘিরে বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রাজধানীর হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছে কোরবানির পশু। তবে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গেলবারের মতো এ বছরও গরু নিয়ে ঢাকায় আসা ব্যবসায়ীরা উচিত দাম নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত বেচাবিক্রি কেমন হয়, এ নিয়েও শঙ্কা তাদের মধ্যে।  

রাত পোহালেই ঈদ। তাই প্রতি বছরের মতো এবারও হয়তো ঈদের আগের দিনটিতেই সবচেয়ে বেশি কোরবানির পশু বেচাবিক্রি হবে। মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে আগের চেয়ে গরুর দাম কিছুটা কম। শুরুর দিকে চড়া দামে গরু বিক্রি হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দামে ভাটা পড়ছে। বিক্রেতারা চাহিদা মতো দাম না পাওয়ায় গরু ছাড়ছেন না।

ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি। তবে আজ শেষ দিন হওয়ায় গরু কিনতেই হবে। এ সুযোগটা নিতে চাইছে ব্যাপারীরা। তাই তারা শেষ দিনে দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এছাড়া অনেকেরই অভিযোগ, পশুর হাটগুলোতে কোনও স্বাস্থ্যবিধি নেই। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জোর গলায় বলা হলেও কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

বিক্রেতারা বলছেন, এবার তারা আশানরূপ দাম পাচ্ছে না। ক্রেতারা দাম খুবই কম বলছে। তবে শেষ দিনে তারাও চায় গরু বিক্রি করে দিতে। মোটামুটি দাম পেলেই তারা গরু ছেড়ে দেবে। আর যারা দূরের জেলাগুলো থেকে এসেছেন তারা কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও গরু বিক্রি করে দেবে। তবে চাহিদা মতো দাম পেতে তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন বলে জানিয়েছেন।

সকাল থেকে পশুর হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখেই মাস্ক নেই। অনেকেই লোক দেখানো ভঙ্গিতে মাস্ক মুখে ঝুলিয়ে রেখেছেন। কেউ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন না। বেশিরভাগ মানুষই স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে উদাসীন। নগর কর্তৃপক্ষের তেমন কোনও নজরদারিও চোখে পড়েনি।

ট্যাগ: bdnewshour24