banglanewspaper

মহামারি করোনাভাইরাসে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যু ও শনাক্ত। বিভাগওয়ারী হিসেবে বর্তমানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আর সবচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে।

এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে নারীর মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


বুধবার দুপুরে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

বিভাগওয়ারি তথ্যে করোনায় ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। তারপর চট্টগ্রাম বিভাগে, এরপর খুলনায়। সবচেয়ে কমসংখ্যক রোগী মারা গেছেন সিলেট বিভাগে।

ডা. নাজমুল বলেন, এটি আমাদের নজরে আছে এবং সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। তথ্য-উপাত্তগুলো এক জায়গায় হওয়ার পরে আমরা নিশ্চিত তথ্য দিতে পারবো।

নাজমুল ইসলাম বলেন, জেলার তথ্যে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশিসংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছে, চার লাখ ১৯ হাজার ১২৮ জন। এরপরই বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অবস্থান। সেখানে ৭৪ হাজার ১৯৩ জন রোগী এবং সবচেয়ে কম রোগী ১৮ হাজার ৮৩৮ জন শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী জেলায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো এই অতিমারি মোকাবিলার একমাত্র পথ নয়। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলার চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। মানুষের কাছ থেকে মানুষের যদি সংক্রমণ ছড়িয়ে না যায় তাহলে হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার ওপর চাপ কমে আসবে। বিভিন্ন জেলায় বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ বন্ধ আছে। এই উদ্যোগটিকে আবারও চালু করতে পারবো বলে আমরা আশা করি। আমাদের প্রশিক্ষিত মেডিকেল টেকনোলোজিস্টের স্বল্পতা আছে। সীমিত সংখ্যা নিয়েই আমরা চেষ্টা করছি সার্ভিসটি চালু রাখতে।

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ৫০০ ছাড়িয়েছে

ডেঙ্গু প্রসঙ্গে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের ভাবতে হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র একজন ঢাকার বাইরের। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৫০৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গতকাল পর্যন্ত ৫০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবগুলো জেলা মিলিয়ে নয় জন রোগী রয়েছেন।

এই চিকিৎসক বলেন, ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এক হাজার ৯৪৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে এক হাজার ৪৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সন্দেহজনক তিনটি মৃত্যুর তথ্য আমাদের কাছে এসেছে, সেটি আইইডিসিআর-এর মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা করে দেখছি।

ট্যাগ: bdnewshour24