banglanewspaper

কল-কারখানা খোলার ফলে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ থাকায় ১২ ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে সোমবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

রবিবার দুপুরে ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিটিএ) কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার।


তিনি বলেন, যাত্রীর চাপ না কমায় আপাতত সোমবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের সময় বাড়ানো হয়েছে। কঠোর লকডাউনের মধ্যে এরপরে লঞ্চ চলতে দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে আজ রাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শনিবার রাত থেকে রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দিয়েছিল সরকার। গার্মেন্টসসহ শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

করোনা মহামারির প্রকোপ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই আগামীকাল রবিবার থেকে দেশের রপ্তানিমুখী সব শিল্প কল-কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রপ্তানিমুখী সকল শিল্প ও কল-কারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।

তবে শিল্প কল-কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত এলেও সবধরনের গণপরিবহন বন্ধই রয়েছে। এই অবস্থায় ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়া কর্মীরা শনিবার নানা বিড়ম্বনার শিকার হয়ে অনেক কষ্টে কর্মস্থলের পথে রওয়ানা করে। তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে লঞ্চ চলাচল অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

আট দিনের শিথিলতার পর গত ২৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ, যা আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24