banglanewspaper

নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণ করতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চ্যালেঞ্জের জবাব দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

আয়নায় মির্জা ফখরুলকে নিজের চেহারা দেখার পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, ‘সব কথার তো জবাব দেওয়ার দরকার হয় না। মির্জা ফখরুল ইসলামের দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আমার অধীনে যুদ্ধ করেছেন। ওনাকে আমি জিজ্ঞেস করার জন্য বলব। এছাড়া গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি হাসান উদ্দিন সরকার, ওনাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে আমি খুশি হবো।’

বুধবার মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মো. শাহজাহান কবিরের (বীরপ্রতীক) লেখা ‘অপারেশন জ্যাকপট’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মোজাম্মেল হকের দাবি, আয়নায় নিজের চেহারা দেখে হয়তো বিএনপি মহাসচিব মুক্তিযুদ্ধে আমার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বিএনপির কাছে জিয়ার লাশের ছবি দেখাতে কিংবা চন্দ্রিমায় জিয়ার লাশ দাফনের প্রমাণে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। চন্দ্রিমায় জিয়ার লাশ দাফন করা হয়নি বলেও সম্প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

মোজাম্মেল হকের বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বুধবার বলেন, উনি (মোজাম্মেল) নিজে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি-না সেটা আগে প্রমাণ করুক।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে মুক্তিযোদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, অনেকে বলে ওনার (মির্জা ফখরুল) পিতা কী করেছেন। আমি ব্যক্তিগত বিষয়ে যেতে চাই না। কী করেছেন, সেটা দেশের মানুষকে জিজ্ঞেস করুন। উনি (মির্জা ফখরুল) যে চীনাপন্থী রাজনীতি করেছেন, যারা বলেছিল- আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ হচ্ছে দুই কুকুরের কামড়া-কামড়ি। উনি সেই দলের সদস্য ছিলেন। যদিও ওনার ভূমিকা কী ছিল আমার ব্যক্তিগতভাবে জানা নেই। ওনারটা উনি যদি পরিষ্কার করেন। আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের চেহারাটা ভেসে ওঠে। উনি বোধহয় ওনার চেহারাটা দেখে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন, আমার ভূমিকা কী? যাক উনি জেনে নিতে পারেন সহকর্মীদের কাছ থেকে।

মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমানকে যেদিন হত্যা করা হয়, তিনি যেভাবেই হোক রাষ্ট্রপতি তো ছিলেন। একজন রাষ্ট্রপতির সবকিছু ধারণ করা হয়। জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাই। কেউ কাউকে বেআইনিভাবে হত্যা করবে এটা সমর্থন যোগ্য নয়।’

‘আমি বলেছি, তার লাশ তারা ফেলে রাখে নাই, হত্যাকারীরা সেই লাশ গুম করেছিল, সেই লাশ পায়নি। বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, সেই লাশ পাওয়া গেছে, তো ছবি দেখান। রাষ্ট্রপতি ছিল, যদু-মধু-রাম-শ্যাম তো ছিল না। তার তো ডেডবডির একটা ছবি থাকবে।’-বলেন মন্ত্রী মোজাম্মেল।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব বলেছেন- তার পোস্টমর্টেম হয়েছে। পোস্টমর্টেম হলে কোন হাসপাতালে হয়েছে। কে করেছে...তিনি ডা. তোফায়েল সাহেবের নাম বলেছেন। কোন হাসপাতালে হয়েছে...হাসপাতালে যদি নিয়ে গিয়ে থাকতে পারে তবে ছবি তোলা সম্ভব। পোস্টমর্টেমের একটা ফরম্যাট আছে, সেই ফরম্যাটে আছে কি-না সেটা দেখান, প্রকাশ করেন। একটা সাদা প্যাডে একজন লিখে দিলো, পোস্টমর্টেম আমি করেছি, ২২টি বুলেট পেল, কোনো ছবি নেই। তাকে গোসল করিয়েছে, কাফন পরিয়েছে কিন্তু কোনো ছবি নেই। মির্জা ফখরুল বলেছেন কফিনের উপর কাঁচ দিয়ে ঢাকা ছিল। উনি কাঁচের মধ্য দিয়ে স্বচক্ষে লাশ দেখেছেন। চোখ দিয়ে দেখলেন, ছবি তুলতে পারলেন না। ছবি তোলার লোক আছে তো। তা না হলে ডিএনএ টেস্ট করুন।’

মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ব্যক্তি জিয়ার সঙ্গে আমাদের বিরোধ নয়। আমরা বলছি ইতিহাসের মিথ্যাচার নয়। জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে, যে কোনোখানেই কবর দেওয়া হোক, মানুষ সম্মান জানাতে চায়, সে সম্মান জানাতে পারবে। কিন্তু তার লাশ যদি না থাকে সেটাকে যদি কবর বানিয়ে সম্মান দেখানো হয়, এটা হলো ইতিহাসের বিকৃতি। আমরা ইতিহাসের বিকৃতি বন্ধ করতে বলছি।

জিয়াকে হত্যার পর অল্প কিছু সময় চট্টগ্রাম হত্যাকারীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিএনপি সরকারই প্রতিষ্ঠিত ছিল। তাই ছবি তোলার সুযোগ ছিল।

মোজাম্মেলক হক বলেন, সারা বাঙালি জাতি ১৯৭০ সালে ম্যান্ডেট দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নেতা বানিয়েছে। আর কোথাকার কোন জিয়া, যার নাম জীবনে কেউ শোনেনি, সে একটা ঘোষণা (স্বাধীনতার ঘোষণা) পাঠ করেছে। তাও তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে, এর আগে আরও দু-জন পাঠ করেছে। তাকে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বানিয়ে বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করেছে। ইতিহাস বিবৃতি তারা করেছে। এটা তাদের ধারাবাহিকতা।

সংসদ ভবন থেকে জিয়ার কবরসহ অন্যান্য কবর ও স্থাপনা সরিয়ে দেওয়ার জন্য আপনারা অনুরোধ জানিয়েছেন, সেটার অগ্রগতি কতদূর- সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সেটা মাননীয় স্পিকার বলবেন। অগ্রগতি আমার জানা নেই।

ট্যাগ: bdnewshour24

রাজনীতি
অকেজো মৎস্যজীবী লীগ আমরা স্বীকৃতি দিব না: কাদের

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অকেজো মৎস্যজীবী লীগ আমরা স্বীকৃতি দিব না। স্বীকৃতি দিয়েছি কাজ করার জন্য। কাজ কতটুকু করেছেন সেটার রিপোর্ট আমরা চাই। 

সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের কমিটি নিয়ে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে তা ক্ষতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। 

রবিবার ( ২৩ মে) বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের  আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মৎস্যজীবী লীগের কাজ সারাবাংলায়। যেখানে মাছের উৎপাদন হয়, সেখানে মৎস্যজীবী লীগের কাজ। ঢাকায় বসে বসে নেতাগীরী করলে হবে না ৷ ঢাকা মহানগর উত্তর মৎস্যজীবী লীগের কমিটির হয়েছে কমিটির ব্যাপারে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে একটা অভিযোগ এসেছে। সেটা ক্ষতিয়ে দেখা হবে। 

তিনি বলেন,  আমাদের এখানে মূল যে সমস্যা, সমস্যা হলো আমরা কথা বলি বেশি কাজ করি কম। মৎস্যজীবী লীগের নেতারা কয়টা জেলা ভিজিট করেছে? আমি আপনাদের রিপোর্ট জানতে চাই। কি কি কাজ করেছেন? এক-একটা দিবস আছে, আসলে এখানে শুধু বক্তৃতার আসর। তারপরে বক্তৃতা শেষ, সব শেষ। এরপর আর কোনো কাজ কর্ম নেই। এমন মৎস্যজীবী লীগের কোনো দরকার নেই। 

আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নষ্করের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে রাখেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুল সোবহান গোলাপ।  অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবু সুজিত রায় নন্দী, আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের কার্যকরী সভাপতি মো সাইফুল আলম মানিক, সহ সভাপতি আবুল বাশার  মুহাম্মদ আলম প্রমুখ।

ট্যাগ:

রাজনীতি
বাবা আওয়ামী লীগের ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’: সেলিমপুত্র

banglanewspaper

দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানো আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে ‘দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ বলে উল্লেখ করেছেন তার ছেলে সোলায়মান সেলিম।

রবিবার (২২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম হাজী সেলিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পরই তিনি তাৎক্ষণিক এ প্রতিক্রিয়া দেন।

নিজের বাবা সম্পর্কে সোলায়মান সেলিম বলেন, আমার বাবা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ছিলেন। অসংখ্য নেতাকর্মী গড়ার কারিগর তিনি। দলের জন্য, এলাকার মানুষের জন্য অনেক করেছেন। আমার বাবা খুব অসুস্থ, তিনি নিজে নিজে চলতে পারেন না। শারীরিক সুস্থতার জন্য তার চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আইনের প্রতি আমরা শতভাগ আস্থাশীল। আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে উনার দ্রুত মুক্তি কামনা করছি।

দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে এদিন বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন হাজী সেলিম। পরে শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিন দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী সেলিম।

ট্যাগ:

রাজনীতি
‘বিএনপি পদ্মাসেতু দিয়ে গেলে সেটা ভেঙ্গে পড়তে পারে’

banglanewspaper

সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহজাহান খান বলেছেন, 'বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বলেছিলেন- কেউ পদ্মাসেতুতে উঠবেন না, ভেঙে পড়তে পারে। আমি বলি- বিএনপি কেউ এবং খালেদা জিয়া কেউ দয়া করে পদ্মা সেতু দিয়ে যাবেন না। উনারা উঠলে পড়ে ভেঙ্গে পড়তে পারে বলা যায় না। আপনাদের জন্য নৌকা রয়েছে, নৌকা দিয়ে পার হবেন। নৌকা ছাড়া উপায় নেই।'

শুক্রবার (২০ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলানায়তনে বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শাহজাহান খান বলেন, 'শেখ হাসিনা সরকার শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে কথা বলে। তার কাছে বললে সে শুনবে না। এটা আমি মনে করি না। শুধু শেখ হাসিনা নয়, বঙ্গবন্ধুও ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষে কথা বলেছেন। তাই আমরা মনে করি, শেখ হাসিনার সরকার শ্রমিক বান্ধব সরকার। আমরা যখনই কোন বিষয়ে দাবি জানিয়েছি এই সরকার কাজ করেছে।'

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, 'নির্বাচনই একমাত্র পথ যার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার রদ বদল হতে পারে। সেখানে আপনি বিজয় লাভ করলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে তারা আবারও ক্ষমতা লাভ করবে।'

তিনি আরও বলেন, 'জনগণ যাকে ভোট দিবে সেই ক্ষমতায় যাবে। ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে এই বাংলাদেশে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হয়েছে, সেনাবাহিনী দিয়েও ক্ষমতা দখল হয়েছে। এমনও হয়েছে গনভুথ্যানের মধ্য দিয়েও ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। তবে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে সাংবিধানিক বিধান রয়েছে সেই বিধানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় যেতে হবে।'

মানুষ পুড়িয়ে, হত্যা করে কাউকে নির্বাচনে যেতে দেয়া হবে না হুঁশিয়ারি জানিয়ে শাহজাহান খান বলেন,  'আমরা কাউকে শ্রমজীবী, পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ক্ষমতায় যাবে তার সুযোগ দেয়া হবে না। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আপনাকে ক্ষমতায় যেতে হবে।'

বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন এর সভাপতি শফিক রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অনান্য নেতা কর্মীরা।   

ট্যাগ:

রাজনীতি
সুবিধা নিতে নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলছে বিএনপি : হানিফ

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের কোনো ইস্যু না পেয়ে, দর কষাকষি করে সুবিধা নিতেই বিএনপি এখন নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলছে। মূলত বিএনপি নির্বাচনী মাঠ গরম করতে চাইছে।

বুধবার ( ১৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‌‌‘আগামী নির্বাচন রাজনৈতিক সংকট ও উত্তরণের উপায়' অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। আওয়ামী লীগের বিশ্বাস নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক। আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আওয়ামী লীগের আলোচনায় আপত্তি নেই।

গত নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, পরাজিত হলে ভোটের ফলাফল না মানা বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না। যারা বাংলাদেশকে শ্রীলংকা বানাতে চায় তারা দেশের ভালো চায় না। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই। 

হানিফ আরো বলেন, সবাই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যাওয়াটা ভালো লক্ষণ নয়। রাজনীতিবিদেরই রাজনীতি করা ভালো। শেখ হাসিনা গত ১৩বছর বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়ক পৌঁছে দিয়েছেন। পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়ানে নির্মাণ করে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। শুধু পদ্মাসেতু নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বাংলাদেশের এমন কোনো স্থান নেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা তার বাবা মত দেশের মানুষের জন্য অতন্দ্র পহরী হয়ে আছেন। শেখ  হাসিনা বাংলাদেশের নেতৃত্বে আছেন বলেই দেশের মানুষ আজ শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
শেখ হাসিনা না ফিরলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হতো না: আমু

banglanewspaper

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার কারণে বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারতো দূরের কথা, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারই হতো না। একমাত্র শেখ হাসিনার সাহসীকতার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে।’ 

আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৮ মে) কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু  বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে  অন্ধকার থেকে আলোয় ফিরেছে বাংলাদেশ। পুনুরুদ্ধার হয়েছে গনতন্ত্র। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ দমন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য গড়ে উঠেছে। 

আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ১৪ দল জোটবদ্ধভাবে কাজ করবে।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, গণ , গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা।

ট্যাগ: