banglanewspaper

আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পর প্রথমবারের মতো আফগানিস্তান পুরুষ ক্রিকেট দলকে টেস্ট ম্যাচ খেলার অনুমতি দিলো তালেবান। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) প্রধান নির্বাহী হামিদ শিনওয়ারি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘আমরা অস্ট্রেলিয়ায় দল পাঠানোর ব্যাপারে অনুমতি পেয়েছি।’

সম্প্রতি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছিল যে, তারা এখনো আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। একমাত্র এই টেস্ট ম্যাচটি গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে তা পিছিয়ে যায়। ব্লান্ডস্টোন এরিনায় আগামী ২৭ নভেম্বর এই টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে।

এর আগে ১৯৯০ এর দশকে তালেবান যখন ক্ষমতায় এসেছিল তখন বিনোদনের বেশিরভাগ ধরনকে তারা নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু ক্রিকেট খেলার অনুমতি ছিল।

গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখল করে তালেবান। এরপর আফগানিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে এক প্রকার অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। কিন্তু এই ম্যাচ খেলার অনুমতি দেয়ার মাধ্যমে সেই অনিশ্চয়তা দূর হলো।

আফগানিস্তান থেকে ইতোমধ্যে সব বিদেশি সৈন্য চলে গিয়েছে। তালেবান এখন সরকার গঠনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। কিন্তু আফগানিস্তানের বহু মানুষের মধ্যে তালেবানের শাসন নিয়ে ভয় রয়েছে। তালেবানের শাসন এড়াতে বহু মানুষ আফগানিস্তান ত্যাগ করেছে।

সূত্র: বিবিসি

ট্যাগ: bdnewshour24

খেলা
এবার উল্টো বিপদে বাংলাদেশ

banglanewspaper

পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দলকে বড় স্বস্তি এনে দিয়েছিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। কিন্তু ব্যাট করতে নেমে দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে সেই স্বস্তি অনেকটাই উবে গেছে টাইগারদের। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৫ রান। ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহিম (৬*) ও ইয়াসির আলী (০)। বাংলাদেশের লিড ৬৯।

এদিন দলীয় ১০ রানেই টপ অর্ডারের ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছে স্বাগতিকরা। দলীয় ১৪ রানে শাহীন আফ্রিদির এলবিডাব্লুর ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়েন সাদমান ইসলাম (১)। একই ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত (০)। অধিনায়ক মোমিনুল হকও রানের খাতা খোলার আগে হাসান আলীর শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন।

এরপর জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম ও সাইফ হাসান। সাঈফকে (১৮) আউট করে জুটিও ভাঙনে আফ্রিদি।

ট্যাগ:

খেলা
হঠাৎ বাংলাদেশ স্কোয়াডে আরও দুই পেসার

banglanewspaper

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে তিনজন পেসারসহ ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চট্টগ্রাম টেস্ট শুরু হওয়ার আগের রাতে আরও দুই পেসারকে দলে যোগ করেছে বিসিবি। দল থেকে সাকিব বাদ পড়ায় এখন স্কোয়াড এখন ১৭ সদস্যের।

স্কোয়াডে জায়গা পাওয়া নতুন দুই ক্রিকেটার হলেন- সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও শহিদুল ইসলাম।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ গোল ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ দল। তৃতীয় ম্যাচ হারার রাতে সাকিব আল হাসানকে অন্তর্ভুক্ত করে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করে বিসিবি। কিন্তু ইনজুরির কারণে দল থেকে সাকিব বাদ পড়লে স্কোয়াড দাঁড়ায় ১৫ জনের। বৃহস্পতিবার রাতে দলে যোগ করা হলো আরও দুজন ক্রিকেটারকে।

বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু নতুন দুই পেসারকে দলে যোগ করা কারণ হিসেবে বলেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ইনজুরির কারণে দলে না থাকায় এ দুজনকে বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে। যদিও আগের ১৫ সদস্যের দলে পেসার ছিলেন ৩ জন। আবু জায়েদ রাহী, এবাদত হোসেন এবং রেজাউর রহমান রাজা।

প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ স্কোয়াড

মুমিনুল হক (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাইম হাসান, তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন চৌধুরী, আবু জায়েদ রাহি, ইয়াসির আলি রাব্বি, মাহমুদুল হাসান জয়, রেজাউর রহমান রাজা, সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও শহিদুল ইসলাম।

ট্যাগ:

খেলা
টি-টোয়েন্টির ক্ষত নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে টাইগাররা

banglanewspaper

বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। প্রত্যেকটি ম্যাচ হেরে হয়েছে হোয়াইটওয়াশ। টি-টোয়েন্টির পর পাকিস্তানের বিপক্ষে এবার টেস্ট মিশনে নামছে রাসেল ডোমিঙ্গোর শিষ্যরা। দুদল মধ্যকার প্রথম টেস্টটি শুরু হচ্ছে (শুক্রবার)। চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায়।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ইতিহাস ততটাও সমৃদ্ধ নয়, আর পাকিস্তানের বিপক্ষে তো একদমই না। এরপর আবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে নাকানি-চুবানিই খেয়েছে স্বাগতিকরা। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ৮ উইকেটের বড় জয় নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে যায় পাকিস্তান। এরপর শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটে হেরে হোয়াইটওয়াশই হয় টাইগাররা।

এরপরও টেস্ট সিরিজ নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘কোন সন্দেহ নেই যে সিরিজটি চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে আমাদের দক্ষতায় আমরা ভালো করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।’

দলের সেরা তিন ক্রিকেটার না থাকায় নতুন রুপে মাঠে নামছে স্বাগতিকরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাওয়া হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে সুস্থ হতে না প্রথম টেস্টের দলে নেই সাকিব আল হাসান। ইনজুরির কারনে দলের বাইরে তামিম ইকবালও। আর আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

ইয়াসির আলিকে অভিষেক ঘটিয়ে বাংলাদেশ হয়তো সেই শুন্যস্থানগুলোর বিছুটা পূরণ করতে পারে। দলে দুই নতুন মুখ ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও পেসার রেজাউর রহমানকে নিয়ে কোন ইঙ্গিত দেননি মুমিনুল। তবে গতকাল(বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় নতুন করে পেসারকে দলে যোগ করেছে বিসিবি।

উল্লেখ্য, এই বছরে পাঁচটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র একটিতে জিতেছে এবং তিনটি হেরেছে তারা। দু’টি হার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে এবং একটি শ্রীলংকার বিপক্ষে। তবে শ্রীলংকার সাথে একটি টেস্ট ড্রও করেছে টাইগাররা।

এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে এ পর্যন্ত ১০টি টেস্ট খেলেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্বকারীরা। এর মধ্যে একটি ড্র বাদে সবগুলোই জিতেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১২১টি টেস্ট খেলেছে, জিতেছে ১৪টিতে হেরেছে ৯১টিতে। বাকি ১৬ টেস্ট ড্র করেছে।

পরিসংখ্যানই বলছে এই ফরম্যাটে টাইগাররা কতটা দুর্বল। কিন্তু ঘরের মাঠে খেলা হবার কারনে, বড় স্বপ্ন দেখতেই পারে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দল :

মোমিনুল হক (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাইম হাসান, তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন চৌধুরী, আবু জায়েদ রাহি, ইয়াসির আলি রাব্বি, মাহমুদুল হাসান জয় ও রেজাউর রহমান রাজা, সৈয়দ খালেদ আহমেদ এবং শহিদুল ইসলাম।

ট্যাগ:

খেলা
জাতীয় ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন ঢাকা

banglanewspaper

খুলনা বিভাগকে ১৮৯ রানের বড় ব্যবধানে হারানোর মাধ্যমে দীর্ঘ আট বছর পর জাতীয় ক্রিকেট লিগের(এনসিএল) শিরোপা নিশ্চিত করল ঢাকা বিভাগ। ম্যাচের শেষদিনে জয়ের জন্য ৩৭৯ রানের দরকার ছিল খুলনা বিভাগের। রান তাড়া করতে নেমে তাইবুর রহমানের ফাইফারের সুবাদে ১৯৯ রানেই থেমেছে খুলনার ইনিংস।

বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি খুলনার। ঢাকা বিভাগের পেসার সুমন খানের বলে মাত্র ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ইমরুল কায়েস। আরেক ওপেনার অমিত মজুমদার আউট হওয়ার আগে করেন ২০ রান। আর ব্যাট হাতে হতাশ করেছেন সৌম্য সরকার। ব্যাট হাতে ৬ বল খেলে শুভামত হোসের বলে আউট হওয়ার আগে কোনো রানই করতে পারেননি তিনি। এছাড়া ১৯ রানে রবিউল ইসলাম রবি, শূন্যরানে জিয়াউর রহমান এবং ১৪ রানে ফেরেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

মাত্র ৭২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে খুলনা বিভাগ। এ সময় ব্যাট হাতে কিছুক্ষণ খুঁটি গেড়েই ব্যাট করতে থাকেন নাহিদুল ইসলাম। তাকে সঙ্গ দেন উইকেটকিপার ব্যাটস্যামন ইমরান উজ্জান। এছাড়া মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরিও হার ঠেকানোর চেষ্টা চালান। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি।

ব্যক্তিগত ৪০ রানে নাহিদুল, ৩২ রানে ইমরান উজ্জামান, ২৯ রানে মৃত্যুঞ্জয় এবং ১৯ রানে আউট হন আল আমিন হোসেন। এদিকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৮ রান করেন টিপু সুলতান।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৩৫ রান তুলে ঢাকা। জবাবে ২১৩ রানে থেমেছে খুলনার ইনিংস। আর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ২৫৬ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে তাইবুর রহমান বাহিনী।

ট্যাগ:

খেলা
টেস্ট থেকে মাহমুদউল্লাহর আনুষ্ঠানিক অবসর

banglanewspaper

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যে আর আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট খেলবেন না- সেটা অনেকেরই জানা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট সিরিজে তিনি নিজেই সতীর্থদের বিষয়টি অবগত করেছিলেন। তাই রিয়াদকে দেয়া হয় গার্ড অব অনার। তবে সেই অবসরটা ছিল আন-অফিসিয়ালি। আর আজ(বুধবার) আনুষ্ঠানিক অবসর ঘোষণা করলেন তিনি। এক বিবৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

নিজের অবসর নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘যে ফরম্যাটে আমি দীর্ঘদিন ধরে ছিলাম সেটা ছেড়ে দেওয়া সহজ নয়। আমি সবসময়ই উচুঁতে যাওয়ার কথা ভেবেছিলাম এবং আমি বিশ্বাস করি এটাই আমার টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করার সঠিক সময়।’

রিয়াদ আরও বলেন, ‘আমি টেস্ট দলে ফিরে আসার পর আমাকে সমর্থন করার জন্য বিসিবি সভাপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। আমাকে সবসময় উৎসাহিত করার জন্য এবং আমার ক্ষমতার ওপর বিশ্বাস করার জন্য আমার সতীর্থদের ও সহায়তা কর্মীদের ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারাটা একটা পরম সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমি অনেক স্মৃতি মনে রাখব।’

বাংলাদেশ দলের হয়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। এরপর গত জুন-জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে আবারও দলে জায়গা করে নেন তিনি। আর একাদশে সুযোগ পেয়েই করেন বাজিমাত। খেলেন ১৫০ রানের ঝলমলে ইনিংস।

ওই ম্যাচ চলাকালেই সতীর্থদের জানিয়ে দিয়েছিলেন আর টেস্ট খেলবেন না। তাই গার্ড অব অনারও দেয়া হয় এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে। টেস্ট থেকে তার অবসরের আভাস পাওয়ার পর খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব কি না এ নিয়ে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে একান্তভাবে কথা বলতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি(বিসিবি) নাজমুল হাসান পাপন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হলো না। নিজের সিদ্ধান্তেই অটল থাকলেন তিনি।

তবে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করলেও টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের পঞ্চ-পাণ্ডবের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার বলেন, ‘আমি টেস্ট থেকে অবসর নিলেও ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব সাদা বলের ক্রিকেটে।’

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জার্সিগায়ে টেস্ট ম্যাচে খেলতে নামেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এরপর ক্রমান্নয়ে দেশের হয়ে ২০০টি টেস্ট ম্যাচে মাঠে নেমেছেন তিনি। ৫ সেঞ্চুরি এবং ১৬ ফিফটির সুবাদে ব্যাট হাতে করেছেন ২৯১৪ রান।

ট্যাগ: