banglanewspaper

কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তাঁর স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে দুদকের দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে চুমকির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। শুনানির সময় ওসি প্রদীপ আদালতে উপস্থতি থাকলেও তার স্ত্রী চুমকি পলাতক ছিলেন।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক জানান, গত ২৬ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সেখানে সাবেক ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ র্অজন ও অন্যকে হস্তান্তর ও ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৭ টাকা অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগপত্রের শুনানি শেষে আদালত তা গ্রহণ করে বিচার শুরুর আদশে দেন। একই সময়ে প্রদীপের জামিন আবেদনও নাকচ করেন আদালত।

এর আগে একই আদালত দুদকের আবদেনের প্রেক্ষিতে গত ২৯ জুন প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির অবধৈ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে নিয়ে দেখভাল করতে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদকরে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর তৎকালীন সহকারী পরচিালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে প্রদীপের বিরুদ্ধে অবধৈ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় ওসি প্রদীপের সঙ্গে তার স্ত্রী চুমকিকেও আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24