banglanewspaper

বহুদিন ধরে অভিনয়ের বাইরে রয়েছেন একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। হয়তো আর কখনো তিনি ঢালিউডে ফিরবেন না। কয়েক বছর ধরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনী প্রবাসী। স্বামী অনিকের সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে। তাই নায়িকা অস্ট্রেলিয়াতে থাকেন ছেলে আইজান, ছোটবোন ঝুমুর ও মায়ের সঙ্গে।

শাবনূরকে সবশেষ দেখা গেছে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পাগল মানুষ’ ছবিতে। এরপর বেশ কয়েক বার পর্দায় ফেরার কথা বললেও এখনও ফেরেননি। তবে দীর্ঘ ছয় বছর অভিনয়ের বাইরে থাকলেও শাবনূরের জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। তাকে এখনও আগের মতোই ভালোবাসেন এ দেশের লাখো ভক্ত।

শাবনূরও ভক্তদের সেই ভালোবাসা অনুভূব করেন। তাই এবার সুদূর সিডনি থেকে কীভাবে তিনি ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, কীভাবে তার দৈনন্দিন কাজের আপডেট সবাইকে জানাবেন, সেই উপায় বের করেছেন নায়িকা। ইউটিউবে নিজের নামে একটি চ্যানেল খুলেছেন তিনি। এ কাজে তাকে সাহায্য করেছেন ছোটবোন ঝুমুর।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই ইউটিউব চ্যানেলটি খুলেছেন শাবনূর। সেখান থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল তিনটায় লাইভে আসবেন তিনি। এর মাধ্যমে মোবাইলের স্ক্রিনে হলেও বহুদিন পর ভক্তরা সরাসরি দর্শন পাবেন তাদের প্রিয় অভিনেত্রীর। সেই লাইভে নায়িকা কী বলবেন, আপাতত সেই অপেক্ষায় ভক্তরা।

১৯৯৩ সালে এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ ছবিটির মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক হয়েছিল শাবনূরের। এই ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে প্রয়াত সুপারস্টার নায়ক সালমান শাহর সঙ্গে জুটি বেধে তিনি ব্যাপক সফলতা পান। এই জুটি ১৪টি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করে। প্রতিটিই ছিল সুপারহিট। সালমান-শাবনূর হয়ে উঠেছিলেন ঢালিউডের সেরা জুটি।

সালমান শাহর মৃত্যুর পর রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস এবং শাকিব খানদের সঙ্গে জুটি বেঁধেও সফলতা পান শাবনূর। নায়িকা হিসেবে সবচেয়ে বেশি সফল সিনেমা তার ঝুলিতেই। স্বীকৃতিস্বরূপ একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ছয় বার বাচসাস পুরস্কার এবং রেকর্ড ১০ বার মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছেন শাবনূর।

ট্যাগ: শাবনূর