banglanewspaper

সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থগিত করা হয়েছে সব পরীক্ষাও। তবে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রেজারার আব্দুল লতিফ ঢাকা টাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের যুগ্নসচিব-৩ সৈয়দা নওয়ারা জাহান ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলী। এসময় এঘটনায় উপস্থিত সদস্যরা দুঃখ প্রকাশ করেন বলেও রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরবর্তী সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাপ্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি, প্রবিধি, নীতিমালা এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জানা যায়, গত রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিচিতি বিষয়ের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় ওই বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন আগে থেকে কাঁচি হাতে পরীক্ষার হলের দরজার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। শিক্ষার্থীরা হলে ঢোকার সময় যাদের মাথার চুল হাতের মুঠোর মধ্যে ধরা যায়, তাদের মাথার সামনের অংশের বেশ খানিকটা কেটে দেন। এভাবে একে একে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন তিনি। এরপর শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ করেন। এতে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

এই ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি ভাইরাল হয়। পরে শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন শুরু করেন।

গত মঙ্গলবার রাতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই শিক্ষক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান পদ, সহকারী প্রক্টর পদ ও প্রক্টরিয়াল বোর্ডের সদস্য পদ থেকে লিখিতভাবে পদত্যাগ করেন। তবে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ বা পদত্যাগ না করায় শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখেন।

ট্যাগ: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষাঙ্গন
‘ওমিক্রন পরিস্থিতি খারাপ হলে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান’

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপ হলে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা ওমিক্রন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষা। তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে আমরা সবকিছু করতে প্রস্তুত আছি।

মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ প্রমুখ।

৮ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ হাওতেং থেকে নেওয়া একটি নমুনায় প্রথম করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন শনাক্ত হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও বতসোয়ানা, ইসরায়েল, হংকং, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ইতালিতেও এ ধরনের সন্ধান মিলেছে। দ্রুত এটি অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নতুন এই ভ্যারিয়েন্টটির বিষয়ে মূল প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও অজানা থাকলেও করোনাভাইরাসের আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর চেয়ে ওমিক্রন সম্ভবত লক্ষণীয়ভাবে বেশি সংক্রামক, প্রাথমিক ইঙ্গিতগুলোতে এমন ধারণাই পাওয়া গেছে। এই ভ্যারিয়েন্টটির আবির্ভাবে নতুন বিধিনিষেধ মহামারির অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের পথ বন্ধ করে দিতে পারে এমন আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে আর্থিক বাজারগুলোতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটির বিস্তার রোধে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও বন্দরে ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি: ড. মশিউর

banglanewspaper

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি, বাংলা একাডেমির সভাপতি, স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকে ভূষিত বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও ভাষাসংগ্রামী জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।

মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান নজরুল গবেষক ও শিক্ষাবিদ। মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এই কীর্তিমান পুরুষ। তাঁর জীবনাবসান দেশ ও জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। জাতি একজন সূর্যসন্তানকে হারালো।’

উপাচার্য বলেন, ‘বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ইতিহাস লেখক ও বরেণ্য গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম শিক্ষকতার পাশাপাশি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গভীর আস্থাশীল একজন অভিভাবক ছিলেন। বাংলা একাডেমির সভাপতি হওয়ার আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম নজরুল অধ্যাপক এবং নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক। তাঁর হাত ধরেই দেশে নজরুল গবেষণায় নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। ছাত্রজীবনে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারিসহ আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্লভ কিছু আলোকচিত্রও নিজের ক্যামেরায় বন্দি করেছিলেন রফিকুল ইসলাম। যা দেশের মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের অসামান্য সম্পদ হয়ে রয়েছে।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের এই প্রত্যক্ষ সাক্ষী জাতির গৌরবময় ইতিহাসও লিখে গেছেন বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে প্রথম গ্রন্থ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসের প্রথম গ্রন্থটিসহ প্রায় ৩০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা এবং সম্পাদনা করেছেন ৮৭ বয়সী এই প্রবীণ শিক্ষাবিদ। তিনি অসংখ্যা গুণগ্রাহী ও কৃতি শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। যারা বর্তমানে ভাষা-সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন তিনি। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন শিক্ষক ছিলেন। দেশের প্রগতিশীল আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাঙালি জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ শোকবার্তায় উপাচার্য প্রয়াত এই বুদ্ধিজীবীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। -বিজ্ঞপ্তি

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

banglanewspaper

৪৪ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ বিসিএসে ১৭১০ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

বাংলাদেশ কর্মকমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) (যুগ্ন সচিব) নুর আহমদের স্বাক্ষরে মঙ্গলবার এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

আবেদনপত্র ও ফি জমাদান শুরু ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে এবং জমাদানের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ আগামী বছরের ২৭ মে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৪৪তম বিসিএসে সবচেয়ে বেশি লোক নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৭৭৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশে ৫০ জন, পররাষ্ট্রে ১০ জন, আনসারে ১৪ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ৩০ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ১১ জন, সহকারী নিবন্ধক (সমবায়) ৮ জন ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট/ট্রাফিক (রেলওয়ে) নিবন্ধক সাতজন নেওয়া হবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা একজন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) সাতজন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক দুজন, সহকারী পোস্টমাস্টার ২৩ জন, সহকারী নিয়ন্ত্রক (বাণিজ্য) ছয়জন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (পরিবার পরিকল্পনা) ২৭ জন এবং সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক (খাদ্য) তিনজন নেওয়া হবে।

এছাড়া প্রফেশনাল ক্যাডারে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী একজন, সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী আটজন, সহকারী সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী ছয়জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক একজন, সহকারী বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী দুজন (তথ্য), সহকারী বন সংরক্ষক (বন) পাঁচজন নেওয়া হবে।

সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ২৯ জন, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সাতজন, বিসিএস মৎস্যতে ১৫ জন, পশুসম্পদে ২১০ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ৪২ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দুজন, সহকারী সার্জন ১০০ জন, সহকারী সার্জন (ডেন্টাল) ২৫ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২২ জন, সহকারী প্রকৌশলী ছয়জন কর্মকর্তাকে এই বিসিএসে নিয়োগ দেওয়া হবে।

 

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
ইউজিসি অধ্যাপক হলেন তিন শিক্ষাবিদ

banglanewspaper

দেশের তিনজন খ্যাতিমান শিক্ষক ও গবেষককে ‘ইউজিসি অধ্যাপক’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

আগামী দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া এই তিন শিক্ষাবিদ বিশিষ্ট গবেষকের দায়িত্ব পালন করবেন। যোগদানের তারিখ থেকে তাদের মেয়াদকাল গণ্য হবে। আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এই তিন জন যোগদান করবেন বলে জানায় ইইজিসি।

বৃহস্পতিবার রাতে ইউজিসির জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

‘ইউজিসি অধ্যাপক’ হিসেবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা হলেন— জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববদ্যিালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিবিদ্যা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুলতান উদ্দিন ভূঁইয়া।

অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির জগন্নাথ বিশ্ববদ্যিালয়ে এবং অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি ও অধ্যাপক ড. সুলতান উদ্দিন ভূঁইয়া নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে ‘ইউজিসি প্রফেসরশিপ’ নিয়োগ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) প্রকাশ করে ইউজিসি।

‘ইউজিসি অধ্যাপক’ নিয়োগে শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্ম-অভিজ্ঞতা, গবেষণা কাজে সংশ্লিষ্টতা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা হয়।

ইউজিসি প্রফেসরশিপ নীতিমালা অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত খ্যাতিমান শিক্ষক/গবেষকদের ‘ইউজিসি প্রফেসর’ প্রদান করা হয়। একজন সিলেকশন গ্রেড-প্রাপ্ত অধ্যাপক সর্বোচ্চ যে সুযোগ-সুবিধা পান ‘ইউজিসি প্রফেসর’ একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
প্রশ্নফাঁস: বুয়েট শিক্ষক নিখিলকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

banglanewspaper

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে সরকারি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় নাম আসার পর ড. নিখিল রঞ্জন ধরকে সবধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ তদন্তে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও করেছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

রবিবার নিখিল রঞ্জন ধরকে বুয়েটের উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার অব্যাহতি দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

অধ্যাপক নিখিল রঞ্জন ধর বুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের প্রধান ছিলেন। সম্প্রতি সরকারি পাঁচ ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় তার নাম আসে।

আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া ওই পরীক্ষার প্রশ্নের এক সেট করে ওই শিক্ষক নিয়ে যেতেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

ট্যাগ: