banglanewspaper

অর্থবিত্তে সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক ব্যবধান ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি ও তার পরিবারের সদস্যদের। ব্যক্তিগত জীবনেও সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকার চেষ্টা করেন তারা। ফ্যাশন ও খাবারেও থাকে অর্থবিত্তের ছাপ। তারা যে পানি পান করেন সেটিও সাধারণ পানির চেয়ে অনেক ব্যতিক্রম এবং দামও আকাশ ছোঁয়া। বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানি পান করেন মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নিতা আম্বানি।

ভারতের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নিতা যে পানি পানি করেন সেই পানির ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলের দাম প্রায় ৬০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা। নিতার পান করা আধা লিটার পানির দামি ৩২ লাখ টাকা।

সাধারণ পানির দাম এত টাকা কেন? এ বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নীতা যে পানি পান করেন তার নাম ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মদিগ্লিয়ানি’। বোতলবন্দি ওই পানি আমদানি হয় ফ্রান্স এবং ফিজি থেকে।

দাবি করা হয়, এই পানীয় স্বর্ণভস্ম মিশ্রিত। ৫ গ্রাম স্বর্ণভস্ম থাকে এতে। যা মানবদেহের পক্ষে খুবই স্বাস্থ্যকর। সেজন্যই এর দাম এত বেশি।

পানির পাশাপাশি এর বোতলও কোনদিক দিয়ে কম যায় না। ২০১০-এ ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মদিগ্লিয়ানি’ গিনেজ বুকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানির বোতল হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিল। বোতলের নকশা তৈরি করেছিলেন ফার্নান্দো আলতামিরানো। চামড়ার খাপে থাকে এই বোতল। এই ব্র্যান্ডের সবচেয়ে সস্তা বোতলের দাম ২২ হাজার টাকা।

ট্যাগ: পানি

অন্যরকম
ভেঙে গেছে মহাকাশ স্টেশনের টয়লেট, ডায়াপার পরে আছেন নভোচারীরা!

banglanewspaper

ভরশূন্য অবস্থায় বিভিন্ন গবেষণা চালাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গত ছয় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন চার মহাকাশচারী। মিশন শেষ করে এবার পৃথিবীতে ফিরে আসার পালা। তাদের আনতে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় আছে রকেটও। কিন্তু হঠাৎ করেই স্টেশনের টয়লেট ভেঙে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এই মহাকাশচারীরা। টানা ২০ ঘণ্টা ধরে পরে আছেন ডায়াপার। শনিবার ভোরে এই খবর দিয়েছে নাসা।

নাসা জানিয়েছে, টয়লেট ভেঙে যাওয়ায় পৃথিবীর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে প্রদক্ষিণ করা মহাকাশ স্টেশনে টানা ২০ ঘণ্টা ধরে ডায়াপার পরে রয়েছেন চার মহাকাশচারী। তারা হলেন- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকিহিকো হোশিদে, নাসার শেন কিমব্রো ও মেগান ম্যাকআর্থার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির থমাস পেসকাট।

বিশ্ব বিখ্যাত বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার মালিক এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর ক্রু-২ মিশন রকেটে চাপিয়ে ওই চার মহাকাশচারীকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার কথা। কিন্তু আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে কিছুতেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হচ্ছে না স্পেস এক্স-এর রকেট। ফলে, ডায়াপার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনে থাকা চার মহাকাশচারীকে।

ট্যাগ:

অন্যরকম
সন্তানের বিপদ, পানিতে নেমে কুমিরকে পিষে মারল মা হাতি!

banglanewspaper

সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসার কোনো তুলনা হয় না। প্রয়োজনে নিজের জীবনের পরোয়া না করেই লড়াইয়ে নামেন মা। মানুষ কিংবা প্রাণী প্রজাতি, সবখানেই এমনটা দেখা যায়।

সম্প্রতি আফ্রিকার জাম্বিয়ার একটি জঙ্গলে দেখা গেছে এমন ঘটনার উদাহরণ। সন্তানের বিপদ আঁচ করতে পেরে পানিতে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা গেছে একটি মা হাতিকে। জলের দানবের সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে এতটুকু পরোনা করেনি মা হাতিটি। উপর্যুপরি পায়ের আঘাতে কুমিরটি অবশেষে হাল ছেড়ে দেয়। এক পর্যায়ে কুমিরটি মারা যায়।

এক মিনিট ৪০ সেকেন্ডের লড়াইয়ের এই ভিডিওটি পোস্ট করেছে আফ্রিকার জঙ্গলের বন্যপ্রাণীদের ভিডিও নিয়মিত ইউটিউবে আপ করা একটি চ্যানেল।

ভিডিওটিতে দেখা যায় র্শুঁড়ে কুমিরটির লেজ ধরে জলের মধ্যে আছড়ে ফেলছে হাতিটি। তার পর কুমিরের শরীরের ওপর দু’পা তুলে দাঁড়িয়ে পিষে দিচ্ছে তাকে। হাতির সঙ্গে লড়াই করতে করতে একটা সময়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে কুমিরটিকে। পরে কুমিরটি মারা যায়।

এই ভিডিওটি পোস্ট হওয়ার পর থেকে ১১ লাখ বারের বেশি দেখা হয়েছে।

ভিডিওর বিবরণে ঘটনাটি সবিস্তারে জানিয়েছে ইউটিউব চ্যানেলটি। লিখেছে, ‘হাতি স্বভাবে শান্ত। কিন্তু সন্তানের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এ ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে। কুমিরটি হস্তিশাবকটির জন্য ওত পেতেছিল। মা হাতি বুঝতে পেরে তৎক্ষণাৎ কুমিরটিকে আক্রমণ করে।

ইউটিউব চ্যানেলটি জানিয়েছে, তাদের হাতে এ ধরনের ভিডিও আগে কখনও এসে পৌঁছয়নি। বিরল মুহূর্তটি ক্যামেরায় বন্দি করেছেন হ্যানস হেনরিক হার নামের এক আলোকচিত্রী। চ্যানেলটি জানিয়েছে, ভিডিওর হাতিটির দাঁত নেই। তবে কুমিরকে আক্রমণের জন্য তার ওজনই যথেষ্ট ছিল। বিপুল ওজনের ভার সহ্য করতে পারেনি কুমিরটি।

ট্যাগ:

অন্যরকম
পানির নিচে পুরো গ্রাম, রান্নার হাড়িতে চড়ে বিয়েতে যুগল

banglanewspaper

ভারী বর্ষণে বন্যাকবলিত ভারতের কেরালা রাজ্য। এরই মধ্যে সেখানে অন্তত ৩৫ জন নিহতের খবর মিলেছে। নিখোঁজ অনেকে। তবে রাজ্যের দুরবস্থার মধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে এক যুগলের বিয়ে। পুরো গ্রাম পানিতে ভেসে যাওয়ায় রান্নার ডেকচিতে ভেসে মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেছেন তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আকাশ ও ঐশ্বর্য দু’জনেই চেঙ্গান্নুরের একটি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল সোমবার। বিগত তিন দিন ধরে কেরালার কোট্টায়াম, ইদুক্কি এবং আলাপুঝাসহ একাধিক জেলায় টানা বৃষ্টির জেরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলেও তারা বিয়ে পিছানোর ঝুঁকি নিতে পারেননি।

দু’জনে বলেন, ‘অনেক দিন পর আমাদের বিয়ে ঠিক হয়েছে। কোভিডবিধি মেনে কম লোকজনকেও ডাকা হয়েছে। জানি, খুব বৃষ্টি হয়েছে। খুব খারাপ অবস্থা। কিন্তু তাও বিয়ে পিছিয়ে দিতে পারলাম না।’

নবদম্পতি আকাশ ও ঐশ্বর্যের এই বিয়ের ভিডিও কেরালার টিভি চ্যানেলেও সম্প্রচারিত হয়েছে।

ট্যাগ:

অন্যরকম
প্রেমিকের বাবাকে বিয়ে করলেন তরুণী!

banglanewspaper

প্রেমিকের কষ্ট কমাতে তার বাবাকে বিয়ে করেছেন প্রেমিকা। সম্প্রতি প্রেমিকের মা প্রয়াত হয়েছেন। মা হারানোতে প্রেমিক যেন কষ্ট না পান সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এক টিকটক ব্যবহারকারী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, প্রেমিকের বাবাকে বিয়ে করে, নতুন করে প্রেমিককে মা এনে দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই তরুণী। তিনি জানিয়েছেন, 'আমার প্রেমিকের মা প্রয়াত হয়েছেন। যেহেতু আমি ওকে কষ্টে দেখতে চাই না, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওর বাবাকে বিয়ে করার। এতে ও নতুন করে জীবনে মাকে ফিরে পাবে।'

এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, চলছে বিতর্ক। কারও মতে, প্রেমিকের জন্য দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যুবতী। অনেকেই আবার বলছেন, প্রেমিককেই বিয়ে করে পাশে দাঁড়াতে পারতেন স্ত্রী হিসেবে। যদিও ঘটনাটি কোথাকার সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

ট্যাগ:

অন্যরকম
‘ঘুম’ থেকে উঠে শুনলেন তিনি ‘মৃত’

banglanewspaper

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কোমায় চলে গিয়েছিলেন কেনিয়ার এক পুলিশকর্মী। ৯ মাস পরে সুস্থ হয়ে জানতে পারলেন তাঁর চাকরিটি গিয়েছে। সরকারি খাতায় তিনি মৃত।খবর আনন্দবাজারের।

বস্তুত ওই পুলিশকর্মী মারা গিয়েছেন ভেবে নিয়েই চাকরি থেকে সরানো হয়েছিল তাঁকে। আর সেই রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দিয়েছিলেন তাঁর সহকর্মীরাই। যদিও মারা যাওয়ার কোনো প্রমাণ পুলিশ বিভাগের হাতে ছিল না। এমনকি ওই পুলিশকর্মীর দেহও খুঁজে পাননি তাঁরা।

কেনিয়ার ওই পুলিশ কর্মীর নাম রুবেন কিমুতাই লেন। ৯ মাস আগে একটি দুর্ঘটনায় আহত হন রুবেন। তারপর আর তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

রুবেনের বাড়ির লোক জানায়, হাসপাতালের পাশাপাশি মর্গেও খোঁজ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু রুবেনকে পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়েই তাঁকে মৃত বলে ধরে নেয়া হয়। বাড়ির লোকের যুক্তি, ‘ওঁর ফোনও গত ৯ মাস ধরে অফ ছিল। মৃত ভেবে নেওয়ার সেটাও একটা কারণ।’

রুবেনের চিকিৎসা চলছিল কেনিয়ার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল কেনিয়াট্টা ন্যাশনাল হাসপাতালে। রুবেনের চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, রুবেন গত ৯ মাস তিনি সেখানেই ছিলেন।

তারপরও তাঁর খোঁজ না পাওয়ার কারণ হাসপাতালের খাতায় রুবেনের কোনো নাম ছিল না। রুবেনের কাছে তাঁর পরিচয়ের কোনো প্রমাণপত্র পাওয়া যায়নি তাঁকে ভর্তি করার সময়। পরে জ্ঞান ফিরলেও নিজের নাম মনে করতে পারেননি রুবেন। ফলে কেনিয়ার হাসপাতালে নামহীন রোগী হিসেবেই রয়ে যান রুবেন।

সম্প্রতি স্মৃতি ফিরে পান রুবেন। চিকিৎসকেদের নিজের পরিচয় জানান, তারপরই তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

কিন্তু রুবেন তাঁর চাকরি শেষ পর্যন্ত ফিরে পাবেন কিনা তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে। পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, রুবেনকে আবার চাকরিতে বহাল করা যায় কিনা তা দেখা হচ্ছে। যদিও রুবেনের পরিবার জানিয়েছে, তিনি নিজে আর চাকরি করতে বিশেষ আগ্রহী নন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে বরং রুবেন আগাম অবসরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগ: