banglanewspaper

দেশে বিএনপির টিকে থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, বিএনপির নেতাদের স্বপ্ন ক্ষমতায় যাওয়া। তারা স্বপ্ন দেখেন অপকর্ম করে পার পেয়ে যাবেন। তাদের অনেকেই আমাদের অনেক নেতার আশ্রয়ে আছেন। সেই দিন শেষ হয়ে আসছে। আর কারো আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকা যাবে না।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) কুষ্টিয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রয়াত আফাজ উদ্দিন আহমেদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা-তারেকের বিচার হচ্ছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘দেশের প্রত্যেকটা অপকর্মের বিচার করা হবে। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকতে মানুষ হত্যা করেছে, পাশবিক নির্যাতন করেছে। এসব ঘটনায় কেউ রেহাই পাবে না।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলেন, মানবাধিকারের কথা বলেন। উনাকে আমার জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয়- ক্ষমতায় থাকতে কোথায় ছিল আপনাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার? তখন আপনার নেতা খালেদা-তারেক হাওয়া ভবনে বসে সারাদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছিল।’

হানিফ বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি অনেক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হত্যা করেছিল। অনেককে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল। যুবলীগ নেতাদের হাত-পা কেটে দিয়েছিল। তাদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছিল। মির্জা ফখরুলরা এসব ভুলে গেলেও বাংলার জনগণ এসব ভুলে যায়নি। এ কারণে বিএনপি আজ আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত।’

বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমরা সহনশীলতার রাজনীতি করি। সবাইকে নিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্ব নেতা। বঙ্গবন্ধু কন্যা মমতাময়ী মায়ের মতো দেশকে ভালোবাসেন। গত দুই বছর ধরে করোনা মহামারি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের মতো ধনী দেশ হিমশিম খেয়েছে। বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতেও প্রায় চার লাখ মানুষ মারা গেছে। অথচ সীমিত সম্পদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দুর্যোগ মোকাবিলা করেছেন।’

হানিফ বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে মানুষের মজুরি ছিল ১০০ টাকা। চাল কেনার পর সবজি কেনার টাকা থাকতো না। শেখ হাসিনার সময়ে আজ ন্যূনতম মজুরি ৫০০ টাকা। ২-৩ কেজি চাল কেনার পর তেল, মাছ, মাংস কেনার টাকা থাকে। বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে আজ বিদ্যুৎ আছে। শতভাগ বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে। আজ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ আছে। অথচ খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চার ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকতো না। কখন আসে কখন যায় সেটাই ছিল প্রশ্ন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ৩১৫০ মেগাওয়াট থেকে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে।’

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনা গ্রাম বাংলার অসহায় মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। দুঃস্থ, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। মানুষের জন্য ৪০ ক্যাটাগরির সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। কেউ যাতে খাদ্যের অভাবে মারা না যায় সেটিও নিশ্চিত করেছেন। তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নে রোল মডেল পরিণত করেছেন।বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রমাণ করেছেন কমিটমেন্ট থাকলে সীমিত সম্পদ নিয়ে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা যায়।’

হানিফ বলেন, ‘আজ দেশে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চার লেন সড়ক হচ্ছে, স্কুল, কলেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্ত দেশের এ উন্নয়ন খালেদা-তারেকের চোখে পড়ে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন হচ্ছে আরও হবে। সারা কুষ্টিয়ায় আমরা উন্নয়ন করতে চাই। কুষ্টিয়াকে আমরা উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে চাই।’

ট্যাগ: হানিফ

রাজনীতি
বিএনপি নেতারা আইন-আদালতের তোয়াক্কা করে না: কাদের

banglanewspaper

বিএনপি নেতারা দেশের আইন আদালতের কোনো তোয়াক্কা করে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যের জবাবে এমন মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আইন আদালতের প্রতি আস্থা নেই বলেই বিএনপি নেতারা বেগম জিয়ার বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে আইন কোনো বাধা নয়, সরকার বাধা বলে বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে তারা দেশের আইন আদালতের কোনো তোয়াক্কা করে না।

বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার যদি অবৈধই হয় তাহলে এই অবৈধ সরকারের কাছে দাবি করছেন কেন? আর এই সরকার অবৈধই বা কি করে হয়? সংসদেতো আপনাদেরও বৈধভাবে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

ব্রিফিংয়ে ঢাকা সিটিতে বেশ কিছু পরিবহনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া বাস্তবায়ন না করার যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়েও কথা বলেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

পরিবহন মালিক শ্রমিকদের আবারও অনুরোধ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে হাফ ভাড়ার সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করুন।

পরিবহন মালিক শ্রমিকদের প্রতি প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, কথা দিয়ে কথা রাখুন। আপনাদের সিদ্ধান্ত আপনারাই কেন লঙ্ঘন করছেন?

ট্যাগ:

রাজনীতি
বিদ্রোহীদের ওপর ভর করে হানাহানি করছে বিএনপি: কাদের

banglanewspaper

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ওপর ভর করে মারামারি, হানাহানি সৃষ্টি করেছে।’

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ও ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ঘোমটা পরে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করছে। তারা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের ওপর ভর করে মারামারি ও হানাহানি সৃষ্টি করছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে উপস্থিতি সর্বোচ্চ ছিলো। একজন নির্বাচন কমিশনারও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। নির্বাচনে পার্টিসিপেশন মূল কথা। এবারের নির্বাচনে রেকর্ড পার্টিসিপেশন হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন এদেশে কখনো শান্তিপূর্ণ হয়নি। তবে এতে শেখ হাসিনা সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তৃণমূল থেকে অনেক সময় ভুল নাম আসে, কখনো কখনো বিভিন্ন প্রভাবের কারণে সংস্থার রিপোর্টও প্রভাবিত হয়, ভুল আসে। ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সৎসাহস আওয়ামী লীগের আছে। আমরা ভুলগুলো খুঁজে বের করে সতর্ক হচ্ছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের পতন হবে জনগণের ইচ্ছেয়, বিএনপির ইচ্ছায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসেনি। জনগণ চাইলে চতুর্থবারও আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা ক্ষমতায় থাকবেন।

সড়ক পরিবহন আইনে কোনো শিথিলতা আসছে না জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বেপরোয়া গাড়ি যেমন দুর্ঘটনার কারণ, বেপরোয়া পথচারীও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। মোটরসাইকেল চালকরাও দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডারের মতো ছুটছে তো ছুটছে। এরাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। সড়ক পরিবহন আইনে কোনো শিথিলতা আসছে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণপরিবহনে হাফ ভাড়া আগে থেকেই কার্যকর ছিলো। মাঝে শিথিলতা দেখা গেছে। সরকার বিআরটিসি বাসে ছাত্রছাত্রীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের অনুরোধে বেসরকারি বাস মালিকরা হাফ ভাড়ার সিদ্ধান্ত আজ সংবাদ সম্মেলনে দেবে।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা সাত বছর ধরে মামলা পিছিয়েছে, পরে দণ্ডিত হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন। রায় মানতে হবে, আইন মানতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনায় খালেদা জিয়া দণ্ডাদেশ স্থগিত করে বাসায় থাকতে দিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা করতে দিয়েছে। এর চেয়ে বেশি বিএনপি কিভাবে আশা করে?

সভায় বিজয় দিবসে আওয়ামী লীগ গৃহীত কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে বিজয় র‌্যালি হবে, ভারতের রাষ্ট্রপতি ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, আলোকসজ্জাসহ মাসব্যাপী কর্মসূচি থাকবে। সহযোগী সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সাথে মিলে নিজস্ব কর্মসূচি নেবে। ব্যানার ফেস্টুন যাতে শুধুমাত্র আত্মপ্রচারের জন্য যাতে না হয়। দলের নামে পোস্টার, ব্যনার, বিলবোর্ড করেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ প্রমুখ।

ট্যাগ:

রাজনীতি
খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস

banglanewspaper

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিসের কারণে ব্লিডিং হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। তার চিকিৎসায় গঠিত দলের মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা জার্মানির বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুপারিশ করেছেন। 

চিকিৎসকরা বলেন, ‘নেত্রীর যকৃত বা লিভারে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। একবার এই রক্তক্ষরণ সামাল দেওয়া গেছে। এখন তার যে অবস্থা, সেটি দ্বিতীয়বার সামাল দেওয়া কঠিন হবে।’

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় ব্রিফিং করেন নেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেত্রীর রোগ নিয়ে প্রাথমিক একটি বর্ণনা দেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের গঠন করা মেডিকেল বোর্ডের প্রধান এফ এম সিদ্দিকী।

বাংলাদেশে দুই থেকে তিন বার রক্তক্ষরণ সামাল দেয়ার কারিগরি সুযোগ নেই দাবি করে যত দ্রুত সম্ভব তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তারা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পেট থেকে চাকা চাকা রক্ত যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইউনাইটেড হাসপাতালে একবার রক্ত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া গেছে। কিন্তু এই ধরনের রোগীকে বারবার রক্ত দেয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘আশঙ্কা করছি, আবার যদি ব্লিডিং হয় তাহলে যদি এটাকে কন্ট্রোল করা সাপোর্ট করা যাবে না। ব্লিডিং হয়ে মৃত্যুঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে।’

ইন্টারভ্যানশনাল গ্যাস্ট্রো অ্যানালিস্ট চিকিৎসক আরেফিন সিদ্দিক লিভারে রক্তক্ষরণ ঠেকাতে চিকিৎসা পদ্ধতি তুলে ধরে বলেন, এটা একটা হাইলি টেকনিক্যাল কাজ। এটাকে বলে। বাংলাদেশে টিপস করা কোনো রোগী আমরা দেখি না যার দুই থেকে তিনবার এটা করা হয়েছে।

তাহলে কোথায় এই চিকিৎসা করা যায়-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা আমেরিকা বা ইউরোপ বেজড, বিশেষ করে ইউকে, জার্মানি ইউএসএতে কিছু সেন্টার আছে। সেটাও পুরা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নেই দুই একটি সেন্টার আছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
আন্দোলন-নির্বাচনে ব্যর্থ বিএনপি নতুন ইস্যু খুঁজছে: কাদের

banglanewspaper

আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন নতুন নতুন ইস্যু খুঁজছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

দেশের উন্নয়ন-অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তাঁরা করছে মন্তব্য করে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার সকালে নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন কাদের। সেতুমন্ত্রী তার ঢাকার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

আওয়ামী লীগের ‍সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার মত বিএনপির এমন কোনো মুখ নেই। তাই তারা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে নতুন নতুন ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে।

বিএনপির রাজনীতি মাঠে নয়,তাদের রাজনীতি এখন মিডিয়ানির্ভর এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক নেতা তারেক রহমান লন্ডনে বসে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে উসকানি দিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে দলের নেতাকর্মীরা যে বক্তব্য দিচ্ছেন সে বিষয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে না, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে জয়ী হবার নিশ্চয়তা দিলেই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, আর জয়ী হবার নিশ্চয়তা না দিলে নিরপেক্ষ নয়।

‘আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে, কে অংশ নিলো কি নিলো না তা দেখার কিছু নেই, কারণ নির্বাচন কারও জন্য বসে থাকবে না।’-বলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাদের।

বিএনপি ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ না নিলেও ঘোমটা পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নিচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল বলেন, তারা নির্বাচনে হানাহানি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে ষড়যন্ত্র করছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সম্মেলনে দলের মধ্যে যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করছেন তাদের বিরুদ্ধে জেলা কমিটি শোকজ ও প্রাথমিকভাবে বহিষ্কার করে কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের কমিটিতে রাখার নির্দেশ দিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সুসময়ে অনুপ্রবেশকারিরা দলে প্রবেশ করলে দলের ভেতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। ভাড়া করে খারাপ লোকদের দলে এনে দল ভারী করার কোনো দরকার নেই।

ইউপি নির্বাচনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে এবং নেপথ্যে মদদদাতাতের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আবদুল কুদ্দুছ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল।

ট্যাগ:

রাজনীতি
বিএনপির আন্দোলনে আ.লীগের কিছু যায় আসে না: কাদের

banglanewspaper

বিএনপি নেতাদের সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি এক দফা অথবা দশ দফা আন্দোলন করুক, তাতে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না, কারণ আওয়ামী লীগ আন্দোলনে ভয় পায় না।

সোমবার সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ রাজপথের সংগঠন, আন্দোলন সংগ্রাম করেই ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। জেল-জুলুম- নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা জনগণের দাবি আদায়ের সাহসী সংগঠন আওয়ামী লীগ।

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি আবার গণ-আন্দোলনের হুমকি বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের এসব হুমকি-ধামকি নিজেদের পদ-পদবি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। অতীতেও দেশবাসী বিএনপির দফা ভিত্তিক আন্দোলন দেখেছে, তাদের আন্দোলন রাজপথে নয়, তাদের আন্দোলন হচ্ছে ফেসবুক আর মিডিয়া নির্ভর।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা তাদের আন্দোলনের সক্ষমতা সম্পর্কে ভালোই জানেন। তবুও তারা কর্মী-সমর্থকদের রোষাণল থেকে বাঁচতে গণমাধ্যমে লিপ-সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন অবিরাম।

‘বিএনপি নেতারা গত একযুগের বেশি সময় ধরে নানা ইস্যুতে আন্দোলন আর সরকার পতনের হুমকি দিয়ে আসছেন, প্রকৃতপক্ষে এসব হুমকি সরকার ও জনগণের মনে কোনোরূপ আগ্রহ বা উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারেনি’-যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার বিএনপির হাতে কখনো ইস্যু তুলে দেবে না, তাই জনগণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে কোনো ইস্যুতে সরকার সবসময়ই সক্রিয় ও তৎপর।

ইউনিয়ন পরিষদের তৃতীয় দফা নির্বাচন আসন্ন এবং চতুর্থ দফা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে, এর পর পঞ্চম ধাপও সমাগত,- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দলের সর্ব-পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আবারও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহবান জানান।

তিনি বলেন, দলের মনোনয়নকে উপেক্ষা করে যারা বিদ্রোহ করছেন বা বিদ্রোহীদের উসকানি দিচ্ছেন তাদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হবে,দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ট্যাগ: