banglanewspaper

আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে দেশের এক হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলটির স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মুলতবি সভায় তা চূড়ান্ত করা হয়। রবিবার দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

দুই বিভাগে নৌকা পেলেন যারা

ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউপিতে গোলাম মোস্তফা খান বাবলু, মির্জাবাড়ীতে সাদিকুল ইসলাম, আলোকদিয়াতে আবু সাঈদ তালুকদার। কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউপিতে এস এম আনোয়ার হোসেন, সল্লাতে আ. আলীম, গোহালিয়াবাড়ীতে আব্দুল হাই আকন্দ, দশকিয়াতে এম এ মালেক ভুইয়া, নারান্দিয়াতে মাসুদ তালুকদার, সহদেবপুরে মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান খান, পাইকড়াতে আজাদ হোসেন, কোকডহরাতে নুরুল ইসলাম, বল্লাতে ফরিদ আহমেদ, নাগবাড়ীতে আবদুল কাইয়ুম।

নাগরপুর উপজেলার নাগরপুরে কুদরত আলী, সহবতপুরে আনিসুর রহমান, সলিমাবাদে শাহীদুল ইসলাম (অপু), পাকুটিয়াতে মোহাম্মদ শামীম খান, গয়হাটাতে শেখ সামছুল হক, বেকড়াতে শওকত হোসেন, মোকনাতে শরিফুল ইসলাম, দপ্তিয়রে আবুল হাশেম, ভাদ্রাতে হামিদুর রহমান, ধুবুরিয়া ইউপিতে মতিয়ার রহমান নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউপিতে শাহ মুহাম্মদ মাসুদ রানা, লতিবাবাদে শরীফ আহমেদ খান, মাইজখাপনে আবুল কালাম আজাদ, মহিনন্দে ছাদেকুর রহমান, যশোদলে শফিকুল হক, বৌলাইতে আওলাদ হোসেন, বিন্নাটিতে আজহারুল ইসলাম, মারিয়াতে মুজিবুর রহমান, চৌদ্দশতে এ বি ছিদ্দিক খোকা,

কর্শাকড়িয়াইলে বদর উদ্দিন, দানাপাটুলীতে সাখাওয়াত হোসেন দুলাল।

নিকলী উপজেলার সিংপুরে মোহাম্মদ আলী, দামপাড়াতে আলী আকবর, কারপাশাতে তাকি আমান খাঁন, নিকলীতে কারার শাহরিয়ার আহমেদ, জারইতলাতে আজমল হোসেন, গুরইতে তোতা মিয়া, ছাতিরচরে শামসুজ্জামান চৌধুরী। কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাপুর ইউপিতে মোহাম্মদ এনামুল হক, উছমানপুরে নিজাম ক্বারী, ছয়সূতীতে ইকবাল হোসেন, সালুয়াতে মোহাম্মদ কাইয়ুম, ফরিদপুর ইউপিতে এস এম আজিজ উল্ল্যাহ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউপিতে নাসির উদ্দিন, আটিগ্রামে নূর-এ-আলম সরকার, দিঘীতে আ. মতিন মোল্লা, পুটাইলে মহিদুর রহমান, হাটিপাড়াতে গোলাম মনির হোসেন, ভাড়ারিয়াতে আব্দুল জলিল, নবগ্রামে গাজী হাসান আল মেহেদী, কৃষ্ণপুরে বিপ্লব হোসেন, জাগিরে জাকির হোসেন, গড়পাড়াতে আফছার উদ্দিন সরকার নৌকার টিকেট পেয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউপিতে সোহরাব হোসেন, বজ্রযোগিনীতে রবিন হোসেন, বাংলাবাজারে সোহরাব হোসেন, চর শিলইতে আবুল হাসেম (লিটন), চরকেওয়ারে আফছার উদ্দিন ভূইয়া, মহাকালীতে শহিদুল ইসলাম, মোল্লাকান্দিতে রিপন হোসেন, পঞ্চসারে মহিউদ্দিন খাঁন, রামপালে মোশারফ হোসেন।

টংগীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাপুরে আব্দুর রহিম মিয়া, বালিগাঁওতে হাজী মো. দুলাল, আড়িয়লে দ্বীন ইসলাম শেখ, আউটশাহীতে সেকান্দর বেপারী, বেতকাতে শওকত আলী খান, ধীপুরে মির্জা বাদশা শাহিন, দিঘীরপাড়ে আরিফুল ইসলাম হালদার, হাসাইলবানারীতে আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, যশলংতে আলমাস চোকদার, কামারখাড়াতে মহিউদ্দিন হালদার, কাঠাদিয়া শিমুলিয়াতে আনিছুর রহমান, সোনারং টংগীবাড়ীতে মাঝি মো. বেলায়েত হোসেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা উপজেলার হযরতপুরে আনোয়ার হোসেন আয়নাল, কলাতিয়াতে তাহের আলী, রোহিতপুরে আব্দুল আলী, শাক্তাতে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, কালিন্দীতে ফজলুল হক, জিনজিরাতে সালাউদ্দিন। কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ উপজেলার আগানগরে জাহাঙ্গীর শাহ, শুভাড্যাতে ইকবাল হোসেন, কোন্ডাতে মুহম্মদ সাইদুর রহমান চৌধুরী, তেঘরিয়াতে লাট মিয়া, বাস্তাতে আশকর আলী নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন।

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউপিতে শাহ্ আলম সরকার, চাপাইরে আহসান হাবীব, বোয়ালীতে শাহাদাত হোসেন, সূত্রাপুরে সুলতান আহমেদ, ঢালজোড়াতে ইদ্রিসুর রহমান, আটাবহতে কে এম ইব্রাহিম খালেদ, মধ্যপাড়াতে আতাউর রহমান নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুরে নুরুজ্জামান, হাজীপুরে ইউসুফ খান (পিন্টু), করিমপুরে মমিনুর রহমান, নজরপুরে মোহাম্মদ সাইফুল হক, পাঁচদোনাতে মাসুম বিল্লাহ, মেহেরপাড়াতে আজাহার অমিত, শীলমান্দীতে গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, আমদিয়াতে আবদুল্লা ইবনে রহিজ, পাইকারচরে আবুল হাসেম, কাঁঠালিয়াতে এবাদুল্লাহ। রায়পুরা উপজেলার অলিপুরাতে ওবায়দুল হক, আদিয়াবাদে মো. সেলিম, চান্দেরকান্দিতে খোরশেদ আলম, ডৌকারচরে মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মরজালে সানজিদা সুলতানা, মহেশপুরে আ. রউফ, মুছাপুরে মোহাম্মদ হোসেন ভূইয়া, মির্জাপুরে সাদেক মিয়া, রাধানগরে মোহর মিয়া, পলাশতলীতে জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, রায়পুরাতে আনোয়ার হোসেন (হালিম), উত্তরবাখর নগরে হাবিব উল্লাহ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার সাদিপুরে আব্দুর রশিদ মোল্লা, শম্ভুপুরাতে নাছির উদ্দিন, কাঁচপুরে মোশাররফ হোসেন, সনমান্দিতে জাহিদ হাসান জিন্নাহ, বারদীতে মাহাবুব রহমান, পিরোজপুরে মাসুদুর রহমান মাসুম, নোয়াগাঁওতে আব্দুল বাতেন, জামপুরে হুমায়ুন কবির ভুঁইয়া আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী।

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুরে আবদুল হান্নান, বহরপুরে রেজাউল করিম, নবাবপুরে মতিয়ার রহমান, নারুয়াতে জহুরুল ইসলাম, বালিয়াকান্দিতে নায়েব আলী শেখ, জংগলে কল্লোল কুমার বসু, জামালপুরে এ কে এম ফরিদ হোসেন। কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউপিতে মেহেদী হাচিনা পারভীন, মদাপুরে এ বি এম রোকনুজ্জামান, কালিকাপুরে আতিউর রহমান, মৃগীতে এম এ মতিন, সাওরাইলে শহিদুল ইসলাম, মাজবাড়ীতে কাজী শরিফুল ইসলাম, বোয়ালিয়াতে হালিমা বেগম নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউপিতে বশীর উদ্দিন আহমেদ, আলগীতে গিয়াসউদ্দীন মিয়া, কাউলীবেড়াতে রেজাউল করিম, কালামৃধাতে এসকান্দার আলী খলিফা, ঘারুয়াতে ফরিদ খাঁন, চান্দ্রাতে রুপাই মাতব্বর, চুমুরদীতে এস এম জাহিদ, তুজারপুরে হাবিবুর রহমান (হাবিব), নাছিরাবাদে আবুল কালাম আজাদ, নুরুল্যাগঞ্জে মীর আশরাফ আলী, মানিকদহে ইমারত হোসেন, হামিরদীতে মিরাজ মাতব্বর। চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুরে কবির হোসেন খান, চরভদ্রাসনে খোকন মোল্যা, গাজীরটেকে আহসানুল হক মামুন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার পশারগাতী ইউপিতে রহমান মীর, গোবিন্দপুরে ওবাইদুল ইসলাম, খান্দারপাড়ে সাব্বির খান, বহুগ্রামে পরিতোষ সরকার, বাঁশবাড়িয়াতে মনিরুজ্জামান মোল্লা, ভাবড়াশুরে এস এম রিফাতুল আলম, মহারাজপুরে আশরাফ আলী মিয়া, বাটিকামারীতে শাহ আকরাম হোসেন, দিগনগরে মোহাম্মদ আলী শেখ, রাঘদীতে সাহিদুর রহমান (টুটুল), গোহালাতে নজরুল ইসলাম মাতুব্বর, মোচনাতে দেলোয়ার হোসেন মোল্যা, উজানীতে শ্যামল কান্তি বোস, কাশালিয়াতে সিরাজুল ইসলাম, ননীক্ষীরে শেখ রনি আহমেদ, জলিরপাড়ে বিভা মন্ডল নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউপিতে সৈয়দ খালেকুজ্জামান, কুলিয়াতে আব্দুস ছালাম, মাহমুদপুরে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, নাংলাতে কিসমত পাশা, নয়ানগরে শফিউল আলম, চরবানিপাকুরিয়াতে শাহাদৎ হোসেন, ঘোষেরপাড়াতে সাইদুল ইসলাম লিটু, ঝাউগড়াতে আঞ্জুমনোয়ারা বেগম, শ্যামপুরে এস এম সায়েদুর রহমান। ইসলামপুর উপজেলার ইসলামপুর সদর ইউপিতে হাবিবুর রহমান চৌধুরী, পলবান্ধাতে শাহাদত হোসেন ডিহিদার, গোয়ালেরচরে শেখ মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, গাইবান্ধাতে মাকছুদুর রহমান আনছারী, চরপুটিমারীতে সামছুজ্জামান, চরগোয়ালিনীতে শহিদুল্যাহ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী।

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউপিতে শামছুর রহমান, নকলাতে আনিসুর রহমান, উরফাতে মুহাম্মদ রেজাউল হক হীরা, গৌড়দ্বারে শওকত হুসেন খান, বানেশ্বর্দী আঞ্জুমান আরা বেগম, পাঠাকাটাতে আব্দুস ছালাম, টালকিতে বদরুজ্জামান, চরঅষ্টধরে গোলাম রাব্বানী, চন্দ্রকোনাতে সাজু সাইদ ছিদ্দিকী। নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওতে বন্ধনা চাম্বুগং, নন্নীতে বিল্লাল হোসেন চৌধুরী, রাজনগরে বিপ্লব কুমার বর্মন, নয়াবিলে নূর ইসলাম, রামচন্দ্রকুড়াও মন্ডলিয়াপাড়াতে আমান উল্যাহ, কাকরকান্দিতে শহীদ উল্লাহ তালুকদার, নালিতাবাড়িতে আসাদুজ্জামান, রূপনারায়নকুড়াতে মিজানুর রহমান, মরিচপুরানে খন্দকার মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক, যোগানিয়াতে আব্দুল লতিফ, বাঘবেড়ে আব্দুস সবুর, কলসপাড়ে আবুল কাশেম আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কুষ্টিয়া ইউপিতে এস এম শামছুল হক, বোররচরে আশরাফুল আলম, পরাণগঞ্জে ইউনুস আলী (বীর মুক্তিযোদ্ধা), ঘাগড়াতে শাহ্ জাহান সরকার, অষ্টধারে এমদাদুল হক। মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লাতে সিরাজুল ইসলাম, বড়গ্রামে সিদ্দীকুজ্জামান, তারাটিতে মনিরুজ্জামান, কুমারগাতাতে আকবর আলী, বাশাটিতে উজ্জল কুমার চন্দ, মানকোনে রফিকুল ইসলাম (বাহাদুর), ঘোগাতে শরীফ আহমদ, দাওগাঁওতে মজনু সরকার, কাশিমপুরে মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার, খেরুয়াজানীতে ওয়াজেদ আলী মোল্লা।

ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলাতে মামুনুর রশিদ, বৈলরে মুহাম্মদ শাহজাহান কবীর, কাঁঠালে শেখ কবীর রায়হান, কানিহারীতে শহীদউল্লাহ মন্ডল, রামপুরে আপেল মাহমুদ, ত্রিশালে জাকির হোসাইন, হরিরামপুরে মেছবাহুল আলম, বালিপাড়াতে গোলাম মোহাম্মদ বাদল, মঠবাড়ীতে সামছুদ্দিন, মোক্ষপুরে আশরাফ উদ্দিন, আমিরাবাড়ীতে হাবিবুর রহমান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউপিতে সুব্রত সাংমা, দুর্গাপুরে শাহীনুর আলম, চন্ডিগড়ে আলতাবুর রহমান, বিরিশিরিতে রফিকুল ইসলাম (রুহু), বাকলজোড়াতে সফিকুল ইসলাম, কাকৈরগড়াতে শিব্বির আহাম্মেদ তালুকদার, গাঁওকান্দিয়াতে আব্দুর রাজ্জাক সরকার। পূর্বধলা উপজেলার হোগলাতে সাইদুল ইসলাম, ঘাগড়াতে রেজু মিয়া আকন্দ, জারিয়াতে মাজেদা খাতুন, পূর্বধলাতে আব্দুল কাদির, আগিয়াতে মোখলেছুর রহমান খান, বিশকাকুনীতে লাভলী আক্তার, খলিশাউড়ে কমল কৃষ্ণ সরকার, নারান্দিয়াতে আব্দুল কুদ্দুছ, গোহালাকান্দাতে শেখ মোঃ সালাহ উদ্দিন চাঁন মিয়া, বৈরাঢীতে আলী আহাম্মেদ।

কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতীতে তাহেরা খাতুন, কলমাকান্দাতে পলাশ কান্তি বিশ্বাস, নাজিরপুরে আব্দুল আলী, পোগলাতে মোজ্জাম্মেল হক, বড়খাপনে এ কে এম হাদীছুজ্জামান, লেংগুড়াতে রফিকুল ইসলাম, খারনৈতে আবু বকর সিদ্দিক, কৈলাটিতে জয়নাল আবেদীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

ট্যাগ: নৌকা

জাতীয়
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে জাতিসংঘ

banglanewspaper

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিকের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদেরকে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো জানিয়েছেন এই কথা।

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন মিয়া সেপ্পো। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন।

প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক কারণে আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু তারা এখন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে। কিন্তু, তাদের উচিত এখন নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।

শেখ হাসিনা বলেন, যে সব এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে সেসব এনজিও রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের নিজ দেশেও কাজ করতে পারে।

বৈঠকে তারা কোভিড-১৯, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা করেন।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রত্যেক সরকারি চাকরিতে বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী বিজিবি এবং সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

জলবায়ু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি তার দল ও সহযোগি সংগঠনগুলোও বিপুলসংখ্যক বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করছে।

মিয়া সেপ্পো বাংলাদেশে তার অবস্থানের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল।

অ্যাম্বাসেডর এট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
শিক্ষক-অভিভাবককে হারালাম: প্রধানমন্ত্রী

banglanewspaper

একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান লেখক, বিশিষ্ট নজরুল গবেষক, বাংলা একাডেমির সভাপতি, জাতীয় অধ্যাপক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী এই প্রত্যক্ষ সাক্ষী যেসব ইতিহাস গ্রন্থিত করেছেন তা বাংলা সাহিত্যের জন্য অমূল্য সম্পদ। নজরুল গবেষণায় ড. মো. রফিকুল ইসলামের অবদান অনন্য। বিশিষ্ট এই গুণী লেখক ও গবেষকের সাহিত্য কর্ম বাঙালি জাতিকে সবসময়ই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি মনেপ্রাণে জাতির পিতার আর্দশকে ধারণ ও লালন করতেন এবং মুজিববর্ষের নানা আয়োজন সফল করতে দক্ষতার সঙ্গে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। বাংলা সাহিত্য ও গবেষণায় তিনি একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন।

সরকার প্রধান বলেন, তার মৃত্যুতে আমি আমার শিক্ষক, গুরুজন ও অভিভাবককে হারালাম। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমার প্রিয় শিক্ষকের উৎসাহ ও প্রেরণা আমাকে সাহস জুগিয়েছে এবং এগিয়ে যেতে শক্তি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম (৮৭)।

ট্যাগ:

জাতীয়
ওএসডি থেকেই অবসরে মাহবুব কবীর, থাকবেন ইভ্যালিতে

banglanewspaper

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) থেকেই অবসরে যাচ্ছেন আলোচিত অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন। তার অবসর আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

তবে অবসরে গেলেও তিনি আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। মন্ত্রণালয় থেকে অবসরের প্রজ্ঞাপন জারির পর নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাহবুব কবীর এ কথা জানিয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব কবীরকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর ধারা ৪৩(১) (ক) অনুযায়ী আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।

তিনি ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ও ল্যাম্পগ্রান্টসহ ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী এক বছর অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) পাবেন।

একইসঙ্গে তিনি বিধি অনুযায়ী অবসর ও অবসরোত্তর ছুটিকালীন সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাহবুব কবীর মিলন সবশেষ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। রেলওয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি ঠেকাতে তিনি নানা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে গত বছরের ৬ আগস্ট তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।

এর আগে তিনি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য এবং কিছু সময়ের জন্য সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও ছিলেন। সে সময় খাদ্যে ভেজাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী

banglanewspaper

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে, তাই অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ সময়, ২০২৫ সালের মধ্যে আইটি খাত থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে হোটেল রেডিসনে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সামিটের মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাজার তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এই সম্মেলনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানাই। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে। বিশ্বে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাজার তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ঠিক করেছি। করোনায় এক লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছি। আমাদের মাথাপিছু আয় ২৫৫৪ মার্কিন ডলার।

বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ  করে শেখ হাসিনা বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার কাজে নামেন জাতির পিতা। দেশীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করে দেশকে উন্নত করাই ছিল তার লক্ষ্য। তিনি তার এ আশা পূরণ করতে পারেননি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এসে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বড় বড় প্রজেক্ট বেসরকারি খাতে দিয়েছি। রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বন্ড ব্যবস্থা অটোমেশন করেছি। অর্থনৈতিক কূটনীতি প্রধান্য দিচ্ছি। বিভিন্ন বাণিজ্য জোটের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ট্যাগ:

জাতীয়
করোনার আফ্রিকান ধরন নিয়ে স্বাস্থ্যের সতর্কবার্তা

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ নিয়ে বিমান, সমুদ্র ও স্থলবন্দরসহস দেশের সব পোর্ট অফ এন্ট্রিতে সতর্কবার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একইসাথে সবাইকে নিয়মিত মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব কথা জানানো হয়। দেশের সার্বিক করোনার পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ বার্তা দেন সংস্থাটির মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া একটি নতুন ভ্যারিয়েন্টকে আতঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের সকল পোর্ট অব এন্ট্রিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, জাতীয় কারিগরি কমিটি, ন্যাশনাল ইমুনাইজেশন টেকনিক্যাল কমিটিসহ (নাইট্যাগ) স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সভা করছেন। তারা বিভিন্ন দেশের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। সেই সভা থেকেই আমরা সবার নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য যে সমস্ত কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হয়, সেগুলো আমরা নেব। আমরা সবার সহযোগিতা নিয়ে মোকাবিলা করতে চাই, করোনা মোকাবিলা করতে চাই।

ট্যাগ: