banglanewspaper

আপনি কি কখনো বাসে, ট্রেনে কিংবা লঞ্চে ভ্রমণ করতে গিয়ে অথবা ল্যাপটপ-ডেস্কটপে কাজ করার সময় গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছেন? এটি হয়তো আপনার জন্য আরামদায়ক ছিল, কিন্তু ঘুম থেকে ওঠার পর ভয়ানক পিঠে ব্যথা, ঘাড় এবং কাঁধে শক্ত অনুভব করেছেন? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে এটি দীর্ঘ সময় বসে থাকার এবং গতিহীন থাকার কারণে ঘটেছে। ঘুমানোর সময় বসে থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণিজগতে একটি সাধারণ ঘটনা, তবে মানবদেহ এই জাতীয় অভ্যাসে অভ্যস্ত নয়।

বসে থাকা অবস্থায় নিষ্ক্রিয়তার কারণে তা আপনার জয়েন্টগুলিতে একটি ভারী চাপ নিতে পারে এবং সেগুলো শক্ত করে তুলতে পারে। এটি আপনার গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে যেমন ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস। বসে ঘুমানোর বিপদগুলো জেনে নিন এবং এটি মারাত্মক হতে পারে কিনা তা খুঁজে দেখুন। বসা অবস্থায় ঘুমানো আরামদায়ক হতে পারে, কিন্তু এটি জয়েন্ট এবং পিঠে ব্যথার কারণ হতে পারে।

আমরা প্রায়ই আমাদের চেয়ারে আরাম বোধ করি, কাজ করার সময় ডেস্কে ঘুমিয়ে পড়ি। এমন স্মৃতি ছাড়া তো আমাদের স্কুলের দিনগুলো অসম্পূর্ণ। তবে ঘন ঘন এই অভ্যাস স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে নানা সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

এক জায়গায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা বা নিষ্ক্রিয় থাকা হতে পারে শরীরের ব্যথার কারণ। যা আমাদের অঙ্গবিন্যাসকেও ধ্বংস করতে পারে। এটি জয়েন্টগুলোতে ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে। স্ট্রেচিংকে নমনীয়তা, অঙ্গবিন্যাস উন্নত করা এবং জয়েন্টে ব্যথা প্রতিরোধ করার একটি দুর্দান্ত উপায় বলে মনে করা হয়। বিছানায় শুয়ে ঘুমালে তা আমাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং জয়েন্টগুলো প্রসারিত করতে সাহায্য করতে পারে। এদিকে বসে থাকা অবস্থায় ঘুমালে রক্ত ​​সঞ্চালন ব্যাহত হতে পারে, নড়াচড়া সীমিত করতে পারে, যা আরও জটিলতার দিকে নিয়ে যায়।

স্বল্পমেয়াদী সমস্যা ছাড়াও, বসা অবস্থায় ঘুমালে তা আপনাকে ডিপ ভেইন থ্রোম্বোসিসের মতো রোগের দিকে নিয়ে যেতে পারে। যা রক্ত ​​জমাট বেঁধে যাওয়ার কারণে ঘটতে পারে। এটি থ্রম্বাস নামেও পরিচিত। এটি এক জায়গায় দীর্ঘ সময় ঘুমানো বা বসে ঘুমানোর একটি নেতিবাচক ফলাফল হতে পারে।

ডিপ ভেইন থ্রোম্বোসিস যদি নির্ণয় না করা হয় বা চিকিত্সা না করা হয় তবে এটি একটি জরুরি পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে, এমনকি গুরুতর পরিস্থিতিতে মৃত্যুর কারণও হতে পারে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি দেখা দেয় যখন জমাট বাঁধা রক্তের কিছু অংশ ভেঙে যায় এবং ফুসফুস বা মস্তিষ্কে চলে যায়। ফলে মারাত্মক ক্ষতি হয়, হঠাৎ মৃত্যু ঘটে।

ভারতের ন্যাশনাল ব্লাড ক্লট অ্যালায়েন্স এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন ২০০ জনেরও বেশি মানুষ রক্ত ​​জমাট বাঁধার পরিণতিতে মারা যায়। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ২৫ থেকে ৮৫ বছর বয়স্ক ব্যক্তিও ছিলেন।

যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

► পায়ের পেশী, গোড়ালি বা পায়ে ফোলাভাব এবং ব্যথা।

► প্রদাহের ফলে লাল ও উষ্ণ ত্বক।

► হঠাৎ পায়ের গোড়ালি বা পায়ে ব্যথা।

সোজা হয়ে ঘুমানোর কোনো উপকার আছে কি?

বসে থাকা অবস্থায় ঘুমাতে চাইলে সবসময় রিক্লাইনার অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। যদিও এই জাতীয় ঘুমের অবস্থান এড়ানো উচিত। তবে এটি কোনো কোনো ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারী হতে পারে, শুয়ে ঘুমাতে অসুবিধা হয়। এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগছেন এমন ব্যক্তির জন্য ঘুমানোর একটি দুর্দান্ত উপায়। স্লিপ অ্যাপনিয়া হলো এক ধরনের ঘুমের ব্যধি যা ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যাহত হলে ঘটে। এটি অ্যাসিড রিফ্লাক্সকেও সহজ করতে পারে এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আরও ভালোভাবে ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে।

ট্যাগ: ঘুম

লাইফস্টাইল
মাটির পাত্রে পানি পান করবেন কেন?

banglanewspaper

আগের দিনে সবাই মাটির কলসিতে পানি রেখে পান করতেন। আজকাল তা দেখাই যায় না। প্লাস্টিক বা কাঁচের বোতলের ভিড়ে মাটির পাত্র হারিয়েই গেছে। সম্প্রতি গবেষকরা জানতে পেরেছেন, ধাতব উপাদানে বানানো এসব পাত্রের তুলনায় মাটির তৈরি পাত্র অনেক স্বাস্থ্যকর। সেই সাথে মাটির পাত্রে রাখা পানি পানের নানা উপকারিতা রয়েছে।

১. মাটি প্রাকৃতিকভাবে পানি ঠান্ডা রাখে। মাটির গ্লাস বা পাত্রে পানি পান করা হলে তা শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে শরীরের বিপাক বাড়াতে সাহায্য করে।

২. গরমের সময় শরীর ঠান্ডা করতে অনেকেই ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি বের করে পান করেন । অথচ মাটির পাত্রে প্রাকৃতিকভাবেই পানি ঠান্ডা থাকে। কারণ কাদা-মাটিতে থাকে অণুবীক্ষণিক ছোট ছোট ছিদ্র। ফলে এই কাদা-মাটির তৈরি পাত্রে পানি রাখা হলে বাষ্পীভবন ঘটে। এতে পানি ঠান্ডা হয়।

৩. গরমে রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে মাটির পাত্রে রাখা ঠান্ডা পানি। এটি হিট স্ট্রোক থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেবে। মাটির পাত্রে রাখা পানি পান করলে শরীরের গরম অনেকটাই কমে গিয়ে শরীর ঠান্ডা হয়।

৪. প্লাস্টিকের বোতলের চেয়ে মাটির পাত্র বেশি ভালো হওয়া অন্যতম কারণ, এটা পরিবেশ বান্ধব। এছাড়াও কাচের বোতলের চেয়ে মাটির বোতল ব্যবহার করা সাশ্রয়ী।

৫. মাটি প্রাকৃতিক ক্ষার সমৃদ্ধ এবং তা যখন পানির অম্লতার সংস্পর্শে আসে তখন তা পিএইচয়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পানির সুষম পিএইচ বা অম্ল-ক্ষার নিয়ন্ত্রণে রেখে গ্যাসের ব্যথা থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

৬. শরীরে টক্সিক কেমিক্যালের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে মাটির পাত্রে রাখা পানি। লোহা, স্টিল কিংবা প্লাস্টিক জাতীয় পাত্রে পানি রাখলে সেখান থেকে নানা ধরনের দূষিত পদার্থ ঢুকতে পারে শরীরে। মাটির পাত্রে পানি রাখলে সেটি সম্ভব নয়।

৭. খনিজ উপাদান এবং ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক শক্তিতে সমৃদ্ধ থাকে কাদা-মাটি। তাই মাটির পাত্রে পানি সংরক্ষণ করা হলে তা পানির আরোগ্য ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৮. যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা নিয়মিত মাটির পাত্রে রাখা পানি পান করতে পারেন। এটি বেশ ভালো কাজ করে। যারা একটু বয়স্ক, তারা পানি পানের ক্ষেত্রে মাটির পাত্র ব্যবহার করুন। এতে শরীরের অনেক সমস্যার সমাধান মিলবে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মাছের ডিমের এত উপকারিতা

banglanewspaper

যেকোনো অসুখ থেকে বাঁচতে গরম ভাতের সঙ্গে মাছ ভাজা বা মাঝের ঝোল বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবার। মাছে আছে নানা ধরনের পুষ্টি। শুধু মাছই নয়, মাছের ডিমও অনেক উপকারী। মাছের ডিম ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এটি আমাদের শরীরে ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে : যেকোনো অসুখ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা জরুরি। এতে যেকোনো ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকা সহজ হয়। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে মাছের ডিম। নিয়মিত মাছের ডিম খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

চোখ ভালো রাখে : বর্তমানে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ঘরে ঘরে। সেজন্য খুব কম বয়সেই চোখে চশমা দরকার হয় অনেকের। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে মাছের ডিম। কারণ মাছের ডিমে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ, এটি চোখ ভালো রাখতে কাজ করে। সেইসঙ্গে এতে থাকে ডিএইচএ ও ইপিএ যা শিশুর চোখের জ্যোতি বাড়ানো ও রেটিনাকে আরও বেশি কার্যকরী করে তুলতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : আমাদের মস্তিস্থের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে মাছের ডিম। গবেষকরা বলছেন, এতে থাকা এক ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড এই কাজে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক ভালো রাখার পাশাপাশি রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সমস্যা কমাতে কাজ করে মাছ ও মাছের ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।

রক্ত পরিষ্কার করে : রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করতে কাজ করে মাছের ডিম। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর উপাদান রক্ত পরিষ্কার করে ও হিমোগ্লোবিন বাড়ায়। যে কারণে কমে অ্যানিমিয়ার ভয়। রক্ত পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত মাছের ডিম খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

হৃদরোগে উপকারী : হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি। এই দুই উপাদান রয়েছে মাছের ডিমে। তাই হৃদরোগীদের জন্য মাছের ডিম বেশ উপকারী। নিয়মিত মাছের ডিম খেলে তা হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে।

দাঁত ও হাড় ভালো রাখে : আমাদের দাঁত ও হাড় ভালো রাখার জন্য অন্যতম কার্যকরী উপাদান হলো ভিটামিন ডি। মাছের ডিমে পাওয়া যাবে এই ভিটামিন। ফলে নিয়মিত মাছের ডিম খেলে তা দাঁত ভালো রাখে ও হাড় শক্ত করে।

উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় : সুস্থ থাকার জন্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। আপনি যদি মাছের ডিম খান তবে তা এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। মাছের ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এবং সেইসঙ্গে প্রদাহও কমিয়ে দেয়। ফলে কমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মানুষ কতবার প্রেমে পড়ে?

banglanewspaper

একজন মানুষ জীবনে একই সময়ে একাধিক ব্যক্তির প্রেমে পড়তে পারেন। গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস এই কথাটি বলেছিলেন। প্রেম শাশ্বত, সত্যিকারের প্রেম জীবনে একবারই হয়। এসব নিয়ে নানা তর্কবিতর্ক আছে। গবেষণাও আছে। মানুষের জীবনে কি প্রেম একবার আসে? তাহলে মানুষ একবার সম্পর্ক ভেঙে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কেন? প্রয়োজনে, জীবনের বাস্তবতায় নাকি নিজের ইচ্ছায়? বুঝতে পারে না মন আসলে কাকে চায়, কী চায়।

জরিপে দেখা গেছে, ৭৩ শতাংশ নারী ও পুরুষ মনে করেন, জীবনে সাতবার প্রেমে পড়ে মানুষ। তবে দুই হাজার জনের এক-তৃতীয়াংশ মনে করে, 'সত্যিকারের ভালোবাসা' জীবনে একবারই হয়। একই মানুষের ওপরও একাধিকবার প্রেমে পড়েন কেউ কেউ। পুরুষদের ১৭ শতাংশ বলেছে, তারা একটি প্রেম চলাকালে আরেকটি প্রেমে পড়েছে

হাফিংটন পোস্ট দুই হাজার নারী-পুরুষের ওপর একটি জরিপ করেছিল গত বছর। সেই জরিপে দেখা গেছে, এক ধরনের ‘আপস’ ধরে নিয়ে ‘সত্যিকারের ভালোবাসা’ বলছে একে। ৪৫ শতাংশ পুরুষ একসঙ্গে একাধিক প্রেম করেছেন। ৩৯ শতাংশ নারী-পুরুষ বলেছেন, তাঁরা জীবনে একবার প্রেমে পড়েছেন। আর ৪৭ শতাংশ মাত্র একবার প্রেমে পড়েছে। সেই প্রেমিককে তারা বিয়ে করেছে।

এই প্রেমের ধরনও ভিন্ন। কোনোটি প্রথম প্রেম, কোনোটি শুধু সময় কাটানোর বা বায়বীয় প্রেম। কোনোটি শুধু রোমাঞ্চের জন্য। কেউ কেউ চূড়ান্ত প্রেম বলছেন সেটিকে, যেটির পরিণতি ঘর বাঁধা। জীবনের সুখ-দুঃখের সময়গুলো কাটাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটিকেই বলছেন ‘চূড়ান্ত’। এর মধ্যেও চলে আসতে পারে উঁকি মেরে দেখা প্রেম। সেই প্রেমে বেশির ভাগ নারী-পুরুষ শুরুর দিকে সিরিয়াস থাকেন না। তবে কেউ কেউ পা পিছলে বা অন্য কোনো কারণে দ্বিতীয় সঙ্গীকে বেছে নিচ্ছেন।

বারবার প্রেমে পড়াকে অনেকে মনে করেন ভাগ্যের কারণে হয়। এটি ঠিক নয়। তারা নিজেরাই বেছে নেন আরেকটি প্রেমকে।

তিন হাজার জন মানুষের ওপর দ্য গার্ডিয়ান একটি জরিপ করে। সেখানে দেখা যায়, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন একসঙ্গে একাধিক প্রেম করছেন। সহকর্মী, বন্ধুর সঙ্গে তারা এটি বেশি করছেন। ব্যক্তিজীবনেও তারা সুখী। সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কও ভালো। তবু তারা আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন।

তাদের মধ্যে ২৫ শতাংশ পাঁচ বছর ধরে একই সঙ্গে আরেকটি প্রেম করছে। ২৯ শতাংশ পুরুষ ও ১৯ শতাংশ নারী দ্বিতীয় প্রেমের কারণে বিয়ে বিচ্ছেদ করেছেন। ৬০ বছর বয়সের পরে এবং ৩০ বছর বয়সে একাধিক প্রেম করার প্রতি আগ্রহ প্রবল দেখা যায়। ভালোবাসা পেয়েও তাঁরা মনে করছেন তাঁরা যা চাইছেন, তা পাচ্ছেন না। জীবনে কোনো কিছু নিয়ে তাঁরা সন্তুষ্ট থাকেন না। সারাক্ষণ মন নতুন কিছু খোঁজে।

রবীন্দ্রনাথের মতো বলতে হয়, আমার মনের জানলাটি আজ হঠাৎ গেল খুলে/ তোমার মনের দিকে। শুরু করেছিলাম মার্কেস দিয়ে। শেষটাও হোক তাঁরই কথায়। তিনি বলেছিলেন, ‘বিবাহিত জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সুখ নয়, স্থায়ীত্ব।’
 

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
দই ছাড়া লাচ্ছি তৈরির রেসিপি

banglanewspaper

লাচ্ছি তৈরির অন্যতম উপাদান হলো দই। কিন্তু কেমন হয়, যদি সেই দই ছাড়াই লাচ্ছি তৈরি করেন? ঝটপট লাচ্ছি খেতে চাইলে আর দই কিনতে ছুটতে হবে না। বরং দই না থাকলেও ঘরে বসেই তৈরি করতে পারবেন লাচ্ছি। চলুন জেনে নেওয়া যাক দই ছাড়া লাচ্ছি তৈরির রেসিপি—

উপকরণ

পানি ৪ কাপ, গুঁড়া দুধ ১২ চা চামচ, লেবুর রস ৮ চা চামচ, চিনি পরিমাণমতো, বরফ কুচি প্রয়োজন অনুযায়ী, আইসক্রিম স্বাদমতো ও বাদাম কুচি স্বাদমতো।

প্রণালি

পানি সামান্য গরম করে নিন। এরপর তাতে গুঁড়া দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার দিন লেবুর রস। হালকা নেড়ে ঢেকে রাখুন মিনিট দশেক। এটুকু সময়েই দুধ জমাট বেঁধে যাবে। এবার একটি ব্লেন্ডারে জমাট বাঁধা দুধ, চিনি, অর্ধেকটা বরফ কুচি এবং বাদাম কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে পরিবেশন গ্লাসে ঢেলে নিন। এরপর উপরে এক স্কুপ করে আইসক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন দই ছাড়া লাচ্ছি।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
গরমে ৫ কারণে নারীদের নিয়মিত আম খাওয়া জরুরি

banglanewspaper

গরমে স্বাদে আমকে টেক্কা দিতে পারে, এমন ফল কমই রয়েছে। তাই গ্রীষ্ম এলেই বাজারে হিমসাগর থেকে গোলাপখাস, সব রকম আমের কদর থাকে। গরমে ক্ষুধা মেটাতে আম খাওয়ার প্রবণতা সবার মধ্যে দেখা যায়।

শুধু স্বাদ নয়, গুণের দিক থেকেও অন্যান্য আম। বিশেষ করে নারীদের জন্য আম অনেক উপকারী। পেট থেকে ত্বক-চুল বিভিন্ন সমস্যা মেটাতে আমের ভূমিকা আছে। পুষ্টিবিদদের মতে, আমের শাস থেকে আঁটি পুরোটা থেকেই উপকার মেলে।

১. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে

আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ ও ফাইবার। ফলে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই পরিমাণ বুঝে নিয়মিত আম খান।

২. স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

আমে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট; যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। নারীদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। তাই গরমে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আম রাখুন।

৩. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে

মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’-র চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশের জোগান দিতে পারে আম। আর ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য খুবই উপকারী।

৪. ত্বকের যত্নে

ত্বকের যত্নেও দারুণ ভূমিকা পালন করে আম। আমের আঁশে থাকা ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। আম বাটা মাখলেও ত্বকে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়। গরমে ত্বকের যত্ন নিতে ভরসা রাখতে পারেন আমকে।

৫. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে

যারা হজমের সমস্যায় ভুগেন, তারা গরমে সুস্থ থাকতে আম খেতে পারেন। আম শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙে ফেলে। সঙ্গে হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

তবে আম বেশি পরিমাণে খেলে ফলাফর উল্টো হতে পারে। তাই সব কিছু পরিমাণ মত খেতে হবে।

ট্যাগ: