banglanewspaper

তিন দফায় নিম্ন আদালতে আবেদন করে জামিন না পেয়ে অবশেষে হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। মঙ্গলবার হাইকোর্টে তার জামিন শুনানি ছিল। কিন্তু এদিন স্থগিত রইল শাহরুখপুত্রের জামিনের শুনানি। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বোম্বে হাইকোর্টে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের সওয়াল জবাব চলে। এরপর বিচারক নিতিন সাম্বর জানিয়ে দেন, বুধবার দুপুর আড়াইটায় ফের আরিয়ানের মামলার শুনানি হবে।

মঙ্গলবার আরিয়ানের জামিনের বিরোধিতা করে মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এনসিবি)জানায় যে, তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের যোগাযোগ রয়েছে। তিনি মাদকদ্রব্য সেবনের পাশাপাশি কেনা-বেচাও করেন। তাই আরিয়ান জামিন পেলে তিনি সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন।

এদিকে, গত রবিবার মাদক এই মামলার সাক্ষী তার বয়ান পরিবর্তন করেছেন। এনসিবির তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, আরিয়ান তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারেন। তথ্য লোপাটেরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এনসিবি। এমনকি শাহরুখ খানের ম্যানেজার পূজা দাদলানির বিরুদ্ধেও সাক্ষীকে প্রভাবিত করার অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।

মঙ্গলবার আদালতে আরিয়ানের আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহাতগি আরিয়ানের সপক্ষে বলেন, ‘ইভেন্ট ম্যানেজার প্রতীক গাবার আমন্ত্রণে মাদক পার্টিতে গিয়েছিলেন আরিয়ান। একটি বিজ্ঞাপনের কারণে ২ অক্টোবর প্রতীকের অনুরোধে ওই পার্টিতে যান আরিয়ান ও আরবাজ। পার্টি শুরু করার আগেই আটক করা হয় তাদের। সেদিন আরিয়ানের কাছ থেকে কোনো রকমের মাদক পায়নি এনসিবি। তাই আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করার কোনো কারণই ছিল না এনসিবির কাছে।’

‘তা সত্ত্বেও ৩ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয় আরিয়ানকে। রেকর্ড করা হয় তার স্টেটমেন্ট। তারপর আরিয়ান খানের কোনোরকম মেডিকেল টেস্ট করা হয়নি। মেডিকেল টেস্ট ছাড়া কীভাবে মাদক মামলা ফাইল করা সম্ভব! এর আগে অনেক পিটিশনে আমরা আবেদন করি, কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায়। আরবাজের জুতা থেকে ছয় গ্রাম মাদক পাওয়া গেছে, তার জন্য আরিয়ানকে দায়ী করা সঠিক নয়।’

‘পাশাপাশি এফআইআর শিটে মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার কোনো উল্লেখই নেই। অথচ আটক করার পরই মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আরিয়ানের। মাদক নয়, শুধুমাত্র ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে এনসিবি।’

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে কোথাও মাদক পার্টির উল্লেখ নেই। এমনকি মোবাইল চ্যাটের সঙ্গে মাদক পার্টির কোনো সম্পর্কও নেই। যে যে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের কথা বলা হচ্ছে, তা ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের। আমি কোনো এনসিবি অফিসারের বিরোধিতা করছি না। এমনকি তাদের সাক্ষী প্রভাকর সৈল বা কেপি গোসাভিকে নিয়েও চিন্তিত নই। এমনকি আমার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক নেতারও সম্পর্ক নেই। আরিয়ান মাদক পার্টিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কিছুই করেননি। অথচ তাকে গ্রেপ্তার করা হল।’

তিনি বলেন, ‘ওই পার্টিতে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তাদের থেকে প্রাপ্ত মাদক অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি তাদের একবছরের জেল হতে পারে। তাদের নেশামুক্তি কেন্দ্রে পাঠানো যেতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে আরিয়ান খানের বিরুদ্ধে কোনো মামলাই হতে পারে না। এনসিবিরি দাবি অনুযায়ী অচিত ও আরবাজের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও মাদক পার্টিতে অচিত উপস্থিতই ছিল না। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাড়ি থেকে। অচিত ও আরিয়ান চ্যাটে শুধুমাত্র অনলাইন গেম নিয়ে আলোচনা করেছিল। এর থেকে বেশি কোনো বিষয়ে কথা বলেননি তারা।’

এদিন সুপ্রিম কোর্টের কেস রাগিনী দ্বিবেদী ভার্সেস স্টেট অফ কর্নাটকের উদাহরণ দিয়ে মুকুল রোহাতগি বলেন, ‘সেই কেসেও অভিযুক্তের থেকে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। আরিয়ানের মতোই শুধুমাত্র ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাকে। তাই সুপ্রিম কোর্ট তাকে জামিন দিয়েছিল। এছাড়া বোম্বে হাইকোর্টেরই একটি মামলার উদাহরণ দেন তিনি। শাহরুখ খানের ছেলে হওয়ার কারণেই এই মামলা নিয়ে উৎসাহিত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে মিডিয়া। রাজনৈতিক নেতা ও এনসিবি কর্তাদের সমস্যার প্রভাব আরিয়ানের মামলায় পড়া অনুচিত বলে দাবি করেন তার আইনজীবী। জামিনের আর্জি জানিয়ে এদিন বক্তব্য শেষ করেন মুকুল রোহাতগি।

গত ২ অক্টোবর মাদক পার্টি থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা জেরার পর পরদিন এনসিবি তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। দুই দফায় জামিন খারিজের পর এনসিবি হেফাজত থেকে গত ৮ অক্টোবর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। তারপর থেকেই আর্থার রোড জেলে বন্দি আরিয়ান খান।

ট্যাগ: শাহরুখ

বিনোদন
ভক্তদের কীর্তিকলাপে বিরক্ত সালমান

banglanewspaper

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে সালমান খানের নতুন ছবি ‘অন্তিম, দ্য ফাইনাল ট্রুথ’। সেখানে প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ভাইজান ও তার ছোট বোন অর্পিতার স্বামী আয়ুশ শর্মা। বেশ অনেকদিন পর মুক্তি পেয়েছে সালমানের ছবি। তাই এই ছবি ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনাও বাঁধনছাড়া।

তবে ছবি রিলিজের পর সেই ভক্তদেরই নানা কীর্তিকলাপে বিরক্ত সালমান খান। যার কারণে সেসব ফ্যানদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তাও দিলেন অভিনেতা।

একজন পুলিশ অফিসার এবং একজন গ্যাংস্টারের দ্বন্দ্ব উঠে এসেছে এই ছবির চিত্রনাট্যে। ছবিতে একজন পাঞ্জাবী পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা গেছে সালমান খানকে। গ্য়াংস্টারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আয়ুশ শর্মা।

ছবিটি রিলিজের পর সালমানের পোস্টার দুধ দিয়ে ধোয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় নেটদুনিয়ায়। সেই ভিডিও দেখেই ফ্যানেদের উপর চটেছেন ভাইজান। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতা লিখেছেন, ‘মানুষ পানি পায় না আর আপনারা দুধ অপচয় করছেন! যদি আপনাদের দুধ দিতেই হয়, তাহলে আমি অনুরোধ করছি গরীব বাচ্চাদের দুধ দিন।’

সালমানের এহেন বার্তায় তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা। অন্য আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। যেখানে দেখা যায়, সিনেমা হলের ভেতরেই আতসবাজি ফাটাচ্ছে সালমানের ফ্যানেরা। সেই ভিডিও দেখে আতঙ্কিত ভাইজান নিজেই।

ফ্যানেদের উদ্দেশ্যে তিনি অনুরোধ করেছেন, ‘হলের ভেতরে দয়া করে বাজি ফাটাবেন না, এতে আপনার প্রাণহানিও হতে পারে। হল মালিকদের কাছে আমার অনুরোধ, কাউকে বাজি নিয়ে হলের ভেতর ঢুকতে দেওয়া না হয়।’

ট্যাগ:

বিনোদন
দিল্লিতে নতুন অবতারে নুসরাত জাহান

banglanewspaper

হ্যান্ডলুম শাড়ি, খোলা চুল আর ছোট্ট টিপ- বুধবার টলিউডের সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরাতের এই অবতার নজর কেড়েছিল সকলের। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজেকে বদলে ফেললেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ। আপতত সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লিতে নায়িকা। সেখানে দিনযাপনের নানা মুহূর্ত তিনি তুলে ধরছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সাংসদ নুসরাত জাহান সংসদ অধিবেশনের ফাঁকে নিজেকে প্যাম্পার করতেও ছাড়ছেন না। তাই দিল্লির এক নামী হেয়ার স্টাইলিস্টের কাছে হাজির হয়ে নতুন হেয়ারকাট করালেন তিনি। বৃহস্পতিবার সেই লুকের ছবিও শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। নুসরাতের বদলে যাওয়া সে লুক দেখেও অবাক সকলে।

নতুন লুকের সঙ্গে একটি ইনস্টাগ্রাম রিল ভিডিও বানিয়ে ফেলেছেন নুসরাত। সেখানে নায়িকা বুঝিয়ে দিয়েছেন তার কোনো ইনস্টাগ্রাম ফিল্টারের দরকার নেই। এমনিতেই পারফেক্ট সুন্দরী তিনি।

প্রেগন্যান্সির জেরে গত সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে পারেননি নুসরাত। তবে তিন মাসের ছেলে ঈশানকে সামলে ফের কাজে ফিরেছেন অভিনেত্রী। গত ২৬ আগস্ট ফুটফুটে পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন নুসরাত। সন্তানের বাবা তার বর্তমান সঙ্গী অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত।

ট্যাগ:

বিনোদন
জীবনের নতুন বসন্তে সুবর্ণা মুস্তাফা

banglanewspaper

বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য নাম সুবর্ণা মুস্তাফা। তিনি একাধারে অভিনেত্রী, প্রযোজক আবার সংসদ সদস্য। আশির দশকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন সুবর্ণা মুস্তাফা। পরবর্তীতে রুপালি পর্দায়ও অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন।

টিভি নাটক ও সিনেমার পাশাপাশি দীর্ঘ ২২ বছর তিনি মঞ্চেও অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার তাকে দিয়েছে ‘একুশে পদক’। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।

আজ সেই কিংবদন্তির জন্মদিন। ১৯৫৯ সালের ২ ডিসেম্বর এই অভিনেত্রীর জন্ম হয়েছিল ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নে। তার বাবা প্রখ্যাত অভিনেতা প্রয়াত গোলাম মুস্তাফা। প্রতি বছর খুব সাদাসিধে ভাবেই জন্মদিন পালন করেন অভিনেত্রী। এবারও ঘরোয়া পরিবেশে সাদাসিধে ভাবেই জন্মদিন কাটাবেন সুবর্ণা মুস্তাফা।

সত্তরের দশকে ঢাকা থিয়েটারে নাট্যকার সেলিম আল দীনের ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকের মাধ্যমে সুবর্ণার অভিনয় যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ‘ঘুড্ডি’ ছবির মাধ্যমে আসেন চলচ্চিত্র জগতে।

এরপর ১৯৮৩ সালে ‘নতুন বউ’ এবং পরের বছর ‘নয়নের আলো’ ছবি দুটি দিয়ে তিনি খ্যাতির শিখরে ওঠেন। এছাড়া ‘পালাবি কোথায়’ ও ‘গহীন বালুচর’ ছাড়াও বহু ব্যবসাসফল ছবিতে তাকে প্রতাপের সঙ্গে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

ব্যক্তিগত জীবনে সুবর্ণা মুস্তাফা বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদির সাবেক স্ত্রী। ১৯৮৪ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল। ২০১২ সালে ফরীদি মারা যাওয়ার চার বছর আগে ২০০৮ সালে ভেঙে যায় তাদের দীর্ঘ ২২ বছরের সংসার। ওই বছরই সুবর্ণা মুস্তাফা চলচ্চিত্রকার বদরুল আনাম সৌদকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তার সঙ্গেই ঘর সংসার করছেন।

দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দৃপ্ত পদচারণার পর সুবর্ণা মুস্তাফা ২০১৯ সালে নাম লেখান রাজনীতিতে। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত মহিলা আসন ঢাকা-২২ থেকে তিনি মনোনয়ন পান এবং পরে তাকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগ:

বিনোদন
প্রেম ও প্রতারণায় শিরিন শিলা

banglanewspaper

সময়ের ব্যস্ত নায়িকা শিরিন শিলা। সম্প্রতি তিনি ‘ঘর ভাঙা সংসার’ নামে একটি সিনেমার কাজ শেষ করেছেন। এটি পরিচালনা করেছেন মনতাজুর রহমান আকবর। সিনেমাটিতে শিলার বিপরীতে রয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

মুক্তির অপেক্ষায় এই নায়িকার আরেক ছবি ‘নদীর জলে শাপলা ভাসে’। মেহেদি হাসান পরিচালিত এ ছবিতে শিলার বিপরীতে আছেন আনিসুর রহমান মিলন।

এরই মাঝে নতুন আরও এক ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হলেন শিরিন শিলা। নাম ‘ময়ূরাক্ষী’। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ছবিটির ফার্স্টলুক প্রকাশ হয়। সেখানেই চুক্তি সই করেন শিলা। গোলাম রাব্বানীর চিত্রনাট্যে ছবিটি পরিচালনা করবেন রাশিদ পলাশ।

প্রেম ও প্রতারণা ‘ময়ূরাক্ষী’ ছবির গল্পের মূল বিষয়বস্তু। এখানে শিলা অভিনয় করবেন সুরভি চরিত্রে। ছবির কাহিনিতে দেখা যাবে, ফেসবুকে একটি ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সুরভির। একসময় সেই ছেলেটি সুরভির সঙ্গে ভয়ংকর প্রতারণা করে।

শিলার বক্তব্য, চরিত্রটিতে ভালো কাজের সুযোগ আছে। এর আগে এমন চরিত্রে কাজ করিনি। এখানে আমাকে নতুন একটি লুকে দেখা যাবে। চরিত্রটিতে নিজেকে ভাঙার সুযোগ আছে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ আছে।’

শিলা আরও জানান, ১ ডিসেম্বর তিনি দেশের বাইরে যাবেন। ফিরে এসে এ ছবির জন্য গ্রুমিং শুরু করবেন। অন্যদিকে পরিচালক রাশিদ পলাশ জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে ছবির শুটিং শুরু হবে। দুই ধাপে শুটিং শেষ হবে।

ট্যাগ:

বিনোদন
তনুশ্রীও কি শ্রাবন্তীর পথে হাঁটবেন?

banglanewspaper

কিছুদিন আগেই বিজেপি ছেড়েছেন টলিউড নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। ইতোমধ্যে তিনি পশ্চিমবাংলার ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশও করেছেন।

এদিকে শ্রাবন্তীর আগে বিজেপি ছেড়েছেন তার বন্ধু অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী। যদিও তিনি এখনও অন্য কোনো দলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানাননি। তবে বন্ধু শ্রাবন্তী যখন তৃণমূলে যেতে চাচ্ছেন, তনুশ্রীরও এমন কোনো ইচ্ছা আছে কিনা, মঙ্গলবার এক সংবাদমাধ্যমের লাইভ আড্ডায় এমন প্রশ্নই করা হয়েছিল।

ওই প্রশ্নের জবাবে তনুশ্রী স্পষ্ট জানান, ‘একসঙ্গে দুটি কাজ তখনই করতে পারব, যখন দুটি কাজেই সমান পারদর্শী হবো। রাজনীতিতে এসে বুঝলাম, অনেক কিছুই শেখা বাকি রয়ে গেছে। আমাকে আরও রাজনীতি শিখতে হবে। তাই কোনো দলেই যাব না। এখন সিনেমায় মন দেব।’

চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন তনুশ্রী। সে সময় তার বক্তব্য ছিল, ‘জনসেবা করতে চাই। তার জন্য রাজনৈতিক মঞ্চ দরকার। যে মঞ্চ আমাকে দ্রুত সাধারণের কাছে পৌঁছে দেবে।’

কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই অন্য সুর শ্যামপুরের পরাজিত প্রার্থী তনুশ্রীর। তার এখনকার বক্তব্য, আপাতত তিনি রাজনীতি থেকে দূরেই থাকতে চান। আগামী ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে এই নায়িকার নতুন ছবি ‘অন্তর্ধান’। এখানে তার বিপরীতে আছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

ট্যাগ: