banglanewspaper

ভরশূন্য অবস্থায় বিভিন্ন গবেষণা চালাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গত ছয় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন চার মহাকাশচারী। মিশন শেষ করে এবার পৃথিবীতে ফিরে আসার পালা। তাদের আনতে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় আছে রকেটও। কিন্তু হঠাৎ করেই স্টেশনের টয়লেট ভেঙে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এই মহাকাশচারীরা। টানা ২০ ঘণ্টা ধরে পরে আছেন ডায়াপার। শনিবার ভোরে এই খবর দিয়েছে নাসা।

নাসা জানিয়েছে, টয়লেট ভেঙে যাওয়ায় পৃথিবীর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে প্রদক্ষিণ করা মহাকাশ স্টেশনে টানা ২০ ঘণ্টা ধরে ডায়াপার পরে রয়েছেন চার মহাকাশচারী। তারা হলেন- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকিহিকো হোশিদে, নাসার শেন কিমব্রো ও মেগান ম্যাকআর্থার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির থমাস পেসকাট।

বিশ্ব বিখ্যাত বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার মালিক এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর ক্রু-২ মিশন রকেটে চাপিয়ে ওই চার মহাকাশচারীকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার কথা। কিন্তু আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে কিছুতেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হচ্ছে না স্পেস এক্স-এর রকেট। ফলে, ডায়াপার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনে থাকা চার মহাকাশচারীকে।

ট্যাগ: নভোচারী

অন্যরকম
আজ কারাগারে অ্যাসাঞ্জের বিয়ে

banglanewspaper

বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো ভিন্নধর্মী গণমাধ্যম উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আজ বুধবার লন্ডনের বেলমার্শ কারাগারে বিয়ে করছেন। দীর্ঘদিনের সঙ্গী স্টেলা মরিসের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন তিনি। লন্ডনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওই কারাগারে দুজন সরকারি সাক্ষী ও দুজন নিরাপত্তারক্ষী মিলে অতিথি মোটে চারজন।

স্টেলা মরিসের বিয়ের পোশাকের ডিজাইন করছেন শুরু থেকেই অ্যাসাঞ্জের সমর্থক জনপ্রিয় ব্রিটিশ ডিজাইনার ভিভিয়েন ওয়েস্টউড। অ্যাসাঞ্জের বাবা ও পূর্বপুরুষ স্কটল্যান্ডের হওয়ায় বিয়েতে অ্যাসাঞ্জ পরবেন সামরিক ধাঁচে তৈরি স্কার্টের মতো স্কটল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী বিয়ের পোশাক। এটিরও ডিজাইনার ভিভিয়েন ওয়েস্টউড।

গত বছরের নভেম্বরের শুরুতে বন্দী অ্যাসাঞ্জকে বাগদত্তা স্টেলা মরিসকে কারাগারে বিয়ে করার অনুমতি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। ১৪ মার্চ তাদের বিয়ের দিনক্ষণ জানানো হয়। যুক্তরাজ্যের বিবাহ আইন ১৯৮৩-এর আওতায় কারাগারে বিয়ের অনুমতি পেয়েছেন অ্যাসাঞ্জ। সম্পূর্ণ নিজ খরচেই বিয়ে করতে হচ্ছে তাদের।

বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর স্টেলা মরিস বলেছিলেন, ‘জুলিয়ান বিয়ের জন্য মুখিয়ে আছে, কারণ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করার অনেক দিন পর অবশেষে আমাদের পরিণয় হচ্ছে। সে বিদেশি একটি শক্তির (যুক্তরাষ্ট্র) ইশারায় এখন বন্দী। এ ছাড়া, তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও গঠন করা হয়নি। এটা সম্পূর্ণরূপে একজনের জন্য অসম্মানজনক।’

২০১১ সালে অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী দলে যোগ দেন স্টেলা মরিস। অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে সেবারই প্রথম দেখা হয় তার। এরপর প্রায় প্রতিদিন ইকুয়েডর দূতাবাসে গিয়ে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে দেখা করতেন। এভাবে তাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়। ২০১৫ সালে একে অপরের প্রেমে পড়েন। এর দুই বছর পর বাগদান সম্পন্ন হয়। ইকুয়েডর দূতাবাসে থাকাকালেই গর্ভধারণ করেন তিনি। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ও স্টেলা মরিস যুগলের দুই সন্তান। অবশেষে কারাগারে এই যুগলের বিয়ে হচ্ছে।
মার্কিন গোপন নথি ফাঁস করে হইচই ফেলে দেওয়া ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত গুপ্তচরবৃত্তির আইনে করা মামলার আসামি। ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয়ে ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাজ্য পুলিশ। তখন থেকে বেলমার্শ কারাগারে বন্দী তিনি।

ট্যাগ:

অন্যরকম
পানির নিচ থেকে উঠে এল ‘ভুতুড়ে গ্রাম’!

banglanewspaper

পৃথিবীতে যুগে যুগে হাজারো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীর বাঁক পরিবর্তনের পরে নানা সময় সেসব গ্রাম আবার ভেসে ওঠে। সম্প্রতি, এরকম একটি গ্রামের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছে ‘ভুতুড়ে গ্রাম’।

ভৌগোলিকভাবে অ্যাসেরেডো নামক গ্রামটি স্পেন ও পর্তুগালের সীমান্তে অবস্থিত। প্রায় ৩০ বছর আগে ওই গ্রামটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

একটি বড় বাঁধের অংশ ছিল এটি। বন্যায় এই জনপদটি পানিতে প্লাবিত হয়েছিল।

১৯৯২ সালে এই প্লাবনের ঘটনা ঘটেছিল। লিমিয়া রিভারবেডে বাঁধ ও জলাধার তৈরি করতে গিয়ে এই গ্রামের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গ্রামের মধ্য দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। হঠাৎ একদিন নদীর পানি বাঁধে উপচে পড়লে বাঁধের পানি ছেড়ে দিতে হয়। তখনই এ ঘটনা ঘটে।

বাঁধের পানির কারণে ওই গ্রামের পাশাপাশি আশেপাশের এলাকাও প্লাবিত হয়েছিল। ওই এলাকায় বৃষ্টি হয় না। বর্তমানে সেখানে পানির অভাবে মাটি শুকিয়ে রয়েছে।

সব মিলিয়ে ওই এলাকা আক্ষরিক অর্থেই ভুতুড়ে এলাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেই বিপুল ধ্বংসস্তুপের মধ্যেও আজও দাঁড়িয়ে আছে পানীয় জলের একটি উৎস।

ট্যাগ:

অন্যরকম
অনলাইনে ক্লাস করতে গাছের উপরে বাড়ি তৈরি

banglanewspaper

কোভিড-১৯ মহামারীতে শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাড়িতে ক্লাস করে। কিন্তু দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট সংযোগের অভাবে ঠিকভাবে ক্লাস করতে পারছে না। ভারতের উধমপুর জেলার কয়েকজন শিক্ষার্থী সঠিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে গাছের উপর বাঁশের বাড়ি বানিয়েছে।

ভারতের সংবাদমাধ্যম জানায়, উদমপুর জেলার মান্টা গ্রাম দূরবর্তী অঞ্চল হওয়ায় সেখানে ইন্টারনেট সংযোগ সঠিকভাবে পাওয়া যায় না। এ কারণে স্থানীয় কিছু শিক্ষার্থী ইন্টারনেট সংযোগের অভাবে ঠিক মতো ক্লাস করতে পারে না।

পরে পরিচিত এক কাঠমিস্ত্রী সত্যশ্বরদাকে সমস্যার কথা জানানো হয়। তখন ওই কাঠমিস্ত্রী গাছের উপর একটি বাঁশের বাড়ি নির্মাণ করে দেন।

দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ভিকি সিংহ সংবাদমাধ্যমকে বলেন,‘করোনা মহামারীর সময় লকডাউন দেওয়া হয়। তখন আমাদের অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়। কিন্তু নেটওয়ার্ক সংযোগ দুর্বল হওয়ায় বিভিন্ন জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছিলাম। যখন আমরা সত্যশ্বরদাকে (কাঠমিস্ত্রী) সমস্যার কথা বলি, তিনি একটি বাঁশের বাড়ি তৈরি করে দেন। বর্তমানে, এখানে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস করতে আসে। আমরা একত্রে বসে পড়াশোনা করি।

অরুন সিং নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন,‘আমার বাড়িতে অতিরিক্ত শব্দের কারণে ক্লাস চলাকালীন মনোযোগ দিতে পারি না। এখানকার পরিবেশ পড়াশোনার সহায়ক। তাই, এখন ক্লাসে আগের থেকে বেশি মনোযোগ দিতে পারি।’

ট্যাগ:

অন্যরকম
আজব ঘটনা! হাঁসের হাতে মুরগি ‘খুন’, থানায় অভিযোগ

banglanewspaper

পৃথিবীতে কত অদ্ভূত ঘটনাই না ঘটে প্রতিদিন। তার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের কল্পনাকেও হার মানায়। তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের কাশীপুর অঞ্চলে। সেখানে একটি হাঁস এবং মুরগির লড়াইয়ে মারা গেছে মুরগিটি।

বিষয়টি এক ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে এখানেই শেষ হতে পারতো। কিন্তু হাসঁ-মুরগির এই লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে মানুষও। কাশীপুর অঞ্চলের একটি পরিবার। বলা হচ্ছে, এই ঘটনায় নাকি আসলে ভাতিজার হাঁস ‘খুন করল’ চাচার মুরগিকে! এই মর্মে মঙ্গলবার অভিযোগও দায়ের হয়েছে কাশীপুর থানায়!

চাচার অভিযোগ, মোটেই আর পাঁচটি সাধারণ মৃত্যুর মতো নয় এই বিষয়টি। রীতিমতো পরিকল্পনা করেই প্রতিবেশী ভাইপো নিজের হাঁস দিয়ে তার সাধের মুরগিটিকে মেরে ফেলেছেন। তাই এর সুবিচার চেয়ে সটান কাশীপুর থানায় হাজির হয়েছেন চাচা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, কাশীপুর থানার চালতাবেড়িয়া পঞ্চায়েতের বামুনিয়া গ্রামের বদ্যিপাড়ায় বাড়ি মোহাম্মদ আলি মোল্লার। স্ত্রী তসলিমা বিবি ও এক পুত্রসন্তান ছাড়া তার সংসারে রয়েছে দুটি গরু আর কয়েকটি মুরগি। অত্যন্ত যত্ন নিয়েই তিনি মুরগি প্রতিপালন করছেন।

মোহাম্মদ আলি মোল্লার অভিযোগ, আমার বাড়ির পাশে ভাতিজা শরিফুল মোল্লার বাড়ি। আমার মুরগি পোষা দেখে ভাইপো হাঁস পুষছে। হাঁসগুলো খুবই হিংস্র। আমার মুরগি উঠানে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখলেই হাঁসগুলো তেড়ে আসে। ভাতিজা ও তার স্ত্রী এর জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয় না।

সোমবার দুপুরে ভাতিজার একটি হাঁস আমাদের বাড়িতে এসে আমার মুরগিকে আক্রমণ করে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। ভাতিজা তখন সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। সে কোনো বাধা দেয়নি। অনেক চেষ্টা করেও পরে আমার আহত মুরগিটিকে বাঁচাতে পারিনি। এ নিয়ে ভাতিজাকে বলতে গেলে সে গালাগাল করে। তার হাঁস দিয়ে আমার বাকি মুরগিগুলো মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। আমি খুবই আতঙ্কে আছি।’

সোমবার সন্ধ্যায় ওই চাচা বিষয়টি নিয়ে পাড়ার মুরব্বি ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। স্থানীয় উপপ্রধানের কাছেও যান। কিন্তু তারা বিষয়টিতে কোনো সমাধানসূত্র বের করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। তখনই চাচা কাশীপুর থানায় গিয়ে সোজাসুজি থানার বড়বাবুর কাছে অভিযোগ জানান।

মোহাম্মদ আলি মোল্লা দুঃখ করে বলেন, কয়েকদিন পরেই মুরগিটা ডিম পাড়তো। টানা দুই বছর কম করে কয়েকশো ডিম দিতো মুরগিটি। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। বৃদ্ধার অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে কাশীপুর থানায় মঙ্গলবার ডেকে পাঠানো হয় অভিযুক্ত শরিফুল মোল্লাকে। দুই দিনের মধ্যে তাকে ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে বলা হয়েছে।

ট্যাগ:

অন্যরকম
মারা গেলেন তসলিমা নাসরিন!

banglanewspaper

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে। তার প্রফাইলে গেলে দেখা যায় ‘রিমেম্বারিং তসলিমা নাসরিন’ লেখা একটি নোটিশ টাঙ্গিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এটা সাধারণত মৃত ইউজারদের আইডিতে দেখা যায়। ঠিক তেমনি তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে কোম্পানিটি। তাহলে কি জনপ্রিয় এই লেখিকা মারা গেলেন? এমন প্রশ্ন ভক্ত-অনুরাগীদের।

তবে তসলিমা নাসরিন মারা যাননি। তিনি বেঁচে আছেন। বরং ফেসবুকে নিজেকে ‘মৃত’ অবস্থায় দেখে বেজায় ক্ষেপেছেন নির্বাসিত এই লেখিকা। এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আইডি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তসলিমা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একাধিক টুইটের মাধ্যমে ফেসবুকের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন তসলিমা নাসরিন। এক টুইটে তিনি বলেছেন, “ফেসবুক আমাকে মেরে ফেলেছে। অথচ আমি জীবিত। আমি অসুস্থ হইনি, বিছানায় পড়িনি অথবা হাসপাতালেও ভর্তি হইনি, তবু ফেসবুক আমার অ্যাকাউন্ট ‘স্মরণীয়’ করে দিয়েছে।”



এরপর ফেসবুক আইডির একটি স্কৃনশট দিয়ে আরেক টুইটে তসলিমা বলেন, “আমি পুরোপুরি জীবিত। কিন্তু আপনারা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছেন। খুবই খারাপ খবর! আপনারা এটা কীভাবে করতে পারলেন? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেন।”

ট্যাগ: