banglanewspaper

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এসডিজি অগ্রগতির জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতিসংঘে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং সারা দুনিয়ায় উন্নয়ন-অর্জনের জন্য যখন প্রশংসিত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বলা হাস্যকর।

রবিবার সকালে তার বাসভবনে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এই কথা বলেন। ‘বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাব দেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশ পরিচালনায় নতজানু হওয়ার নজির আওয়ামী লীগের নেই, নতজানু হওয়ার নজির রয়েছে বিএনপির। কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে নালিশ আর প্রকাশ্যে বিভিন্ন দূতাবাসের কাছে সাহায্য চাওয়া- বিএনপির মেরুদণ্ডহীন রাজনীতির সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।

কাদের বলেন, ‘বিএনপির কাছে দেশ নিরাপদ নয়, তাদের রাজনীতি দূরনিয়ন্ত্রিত। আওয়ামী লীগের রাজনীতি জনগণ দ্বারা চালিত, জনমতের প্রতিফলন।’

‘দেশের সব মেগা প্রকল্প ঋণনির্ভর’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির দিনরাত মিথ্যাচারের জবাব দিতে ইচ্ছে না হলেও দু'একটি কথা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বলতে হয়, কারণ তারা না জানলেও দেশের মানুষ জানে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে সরকার।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে তারা পদ্মা সেতু নির্মাণ বন্ধের ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল, তারা চায়নি এদেশে মেগা প্রকল্প হোক। বিএনপির রাজনীতি উন্নয়নবিমূখ এবং প্রতিহিংসামুখর, তারা উন্নয়ন চায় না, তারা চায় দেশ স্থবির হয়ে থাকুক।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি চায় সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক।’

৭ নভেম্বর প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বরের হত্যাযজ্ঞের ওপর ভর করে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেন। সৈনিকদের ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের রক্তের ওপর দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় প্রত্যাবর্তনের ভিত্তি রচনা করেন জিয়াউর রহমান। একই সঙ্গে এই রাতের দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িতদের পদায়ন করেন বিভিন্ন স্থানে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানিদের নিষ্ঠুরভাবে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার প্রক্রিয়াও রুদ্ধ করে দেয় জিয়া। এজন্যই ৭ নভেম্বর রাজনৈতিক রং দিয়ে জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় জিয়াউর রহমানের নির্দেশ। পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট নিয়মিত এই দিনটিকে উদযাপন করে আসছে, অথচ এটি বাঙালি জাতির ইতিহাসের একটি কলঙ্কময় দিন, শোকের দিন, কান্নার দিন।’

ট্যাগ: কাদের

রাজনীতি
সুবিধা নিতে নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলছে বিএনপি : হানিফ

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের কোনো ইস্যু না পেয়ে, দর কষাকষি করে সুবিধা নিতেই বিএনপি এখন নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলছে। মূলত বিএনপি নির্বাচনী মাঠ গরম করতে চাইছে।

বুধবার ( ১৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‌‌‘আগামী নির্বাচন রাজনৈতিক সংকট ও উত্তরণের উপায়' অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। আওয়ামী লীগের বিশ্বাস নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক। আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আওয়ামী লীগের আলোচনায় আপত্তি নেই।

গত নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, পরাজিত হলে ভোটের ফলাফল না মানা বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না। যারা বাংলাদেশকে শ্রীলংকা বানাতে চায় তারা দেশের ভালো চায় না। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই। 

হানিফ আরো বলেন, সবাই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যাওয়াটা ভালো লক্ষণ নয়। রাজনীতিবিদেরই রাজনীতি করা ভালো। শেখ হাসিনা গত ১৩বছর বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়ক পৌঁছে দিয়েছেন। পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়ানে নির্মাণ করে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। শুধু পদ্মাসেতু নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বাংলাদেশের এমন কোনো স্থান নেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা তার বাবা মত দেশের মানুষের জন্য অতন্দ্র পহরী হয়ে আছেন। শেখ  হাসিনা বাংলাদেশের নেতৃত্বে আছেন বলেই দেশের মানুষ আজ শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
শেখ হাসিনা না ফিরলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হতো না: আমু

banglanewspaper

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার কারণে বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারতো দূরের কথা, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারই হতো না। একমাত্র শেখ হাসিনার সাহসীকতার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে।’ 

আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৮ মে) কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু  বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে  অন্ধকার থেকে আলোয় ফিরেছে বাংলাদেশ। পুনুরুদ্ধার হয়েছে গনতন্ত্র। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ দমন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য গড়ে উঠেছে। 

আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ১৪ দল জোটবদ্ধভাবে কাজ করবে।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, গণ , গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা।

ট্যাগ:

রাজনীতি
‘নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কথা বলার অধিকার নেই’

banglanewspaper

বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতেই দেশে ফিরে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৮ মে) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্ট শুধু আমরা হারাইনি, বাংলাদেশের মানুষ হারিয়েছে তাদের উন্নতির সব সম্ভাবনা। যুগ যুগ ধরে এদেশের মানুষ বঞ্চিত হয়েছে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন সেই বঞ্চনা থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে। তার নেতৃত্বে এদেশের মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিল এই দেশকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারকে হারিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে খুঁজে পেয়েছিলাম আমার বাবা-মা-ভাইসহ হারানো স্বজনদের।

সেই সময়ের যন্ত্রণার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দুই বোন বেঁচেছিলাম বিদেশে ছিলাম বলে। কিন্তু এ বেঁচে থাকা বাঁচা ছিল না। এটা ছিল মৃত্যুর চেয়েও বেশি যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচা।

বিএনপি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কলুষিত করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচন নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার নেই। তারা কোন মুখে নির্বাচন নিয়ে কথা বলে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৭ সালের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট, ’৭৮ এর রাষ্ট্রপতি এবং ’৭৯ এর সাধারণ নির্বাচন, ’৮১ এর নির্বাচন প্রত্যেকটা নির্বাচনই আমাদের দেখা। পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটার বিহীন নির্বাচনেরও উল্লেখ করেন তিনি।

পাকিস্তানিদের পদলেহনকারীর দল এখনো বাংলাদেশে জীবিত এটা সব থেকে দুঃখজনক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখনো তারা বাংলাদেশের ভালো কিছু হলে ভালো চোখে দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যে বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট উৎক্ষেপন করেছি সেটা নিয়েও সমালোচনা, এত টাকা দিয়ে স্যাটালাইট করে কী হবে? এই প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু করলে তাদের গায়ে লাগে। কেন? তাহলে তারা কি এখনো সেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের পদলেহনকারী, খোশামদী, তোষামদির দল? গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই। তবে একটু না বলে পারি না যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে বাংলাদেশের মেয়েদের ওপর অত্যাচার করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ করেছে, পোড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে নির্বাচন ব্যবস্থার যে উন্নয়ন সেগুলো আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত এবং চিন্তা চেতনার বাস্তবায়ন। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার আধুনিক ও যুগোপযোগীকরণে ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং ইভিএম ব্যবস্থা বলবৎ করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এ সবের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটের অধিকার আবার জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিয়েছে। আর জনগণের শক্তিতে ক্ষমতায় আছি বলেই জনগণের জন্য আমরা কাজ করতে পেরেছি।

এসময় পদ্মা সেতুতে বিদেশী অর্থায়ন বন্ধের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকের উপদেষ্টা হতে। একটা উপদেষ্টা হিসেবে থাকার জন্য আরও উচ্চ মানের। সেটা সে ছাড়বে না তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিল। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক, তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারে না ১০ বছর। কারণ গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে? সেই মামলায় সে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয়।

তিনি বলেন, ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাহফুজ আনাম, তারা আমেরিকায় চলে যায়। স্টেট ডিপার্টমেন্টে যায়। হিলারির কাছে ইমেইল পাঠায়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মি. জোলি যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন তার শেষ কর্মদিবসে কোনো বোর্ড সভায় পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। যাক, একদিকে সাপে বর হয়েছে। কেন হয়েছে? বাংলাদেশ যে নিজের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ করেছি। কিন্তু আমাদের এখানের একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন যে পদ্মা সেতুতে যে রেল লাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকার খরচ হচ্ছে। ৪০ হাজার কোটি টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে। এই ঋণ শোধ হবে কীভাবে? দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন? এই রেল ভায়াএবল হবে না।

সরকার প্রধান বলেন, সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে কথা বলে পারছে না। এখন রেলের কাজ চলছে, এখন রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। আমার মনে হয় আমাদের সবার ওনাকে চিনে রাখা উচিত। রেল গাড়ি যখন চালু হবে তখন ওনাকে নিয়ে রেলে চড়ানো উচিত। আর খালেদা জিয়া বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। কারণ বিভিন্ন স্প্যানগুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসররাও। এখন তাদের কী করা উচিত?

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি আমাদের একটা এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে তাকেও আবার পদ্মা নদীতে নিয়ে দুইটা চুবানি দিয়ে উঠাইয়া নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়। একটু পদ্মা নদীতে দুইটা চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। বড় বড় অর্থনীতিবিদ, জ্ঞানী-গুণি এই ধরনের অর্বাচিনের মতো কথা বলে কীভাবে? সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। তারা আয়েশে বসে থাকে আর আমার তৈরি করা সব টেলিভিশনে গিয়ে কথা বলে। বিদ্যুৎ সরবরাহ করি। সেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
শেখ হাসিনাকে সরিয়ে তারেককে চাই না: কাদের সিদ্দিকী

banglanewspaper

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতা, অব্যবস্থাপনা ও কথা না রাখার জন্য আমরা শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ চাই। তবে শেখ হাসিনাকে সরিয়ে আমরা বেগম খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমানকে চাই না। আমরা এমন একটি সরকার চাই, যারা সত্যিকার অর্থে জনগণের জন্য কাজ করবে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) উদ্যোগে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে ঈদ পুনর্মিলনী এবং ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই’-শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে বঙ্গবীর বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত থাকলে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করা হোক। তবে জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা না- এটা কোনোভাবেই মানতে পারি না। 

বিরোধী দলের সরকারবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে এই আন্দোলনে সফলতা আসবে না। তাই আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। 

শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন নয় জানিয়ে গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, আমরা সবাই অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। এজন্য এই সরকারকে বিদায়ে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে-এটা অর্জন করতে গিয়ে আমরা যেন নিজেদের পথ হারিয়ে না ফেলি। 

তিনি আরও বলেন, আমরা যদি এক ছাতার নিচে দাঁড়াতে না পারি, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে না পারি-তাহলে এই সরকারকে হঠানো যাবে না।

বিপিপির চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মো. আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন─ গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার আফ্রিক, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ও মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, নাগরিক ঐক্যের শহীদুল্লাহ কায়সার, এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, বিপিপির পারভীন নাসের খান ভাসানী, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন, রানী শেখ প্রমুখ।

ট্যাগ:

রাজনীতি
বিএনপির সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নান মারা গেছেন

banglanewspaper

বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে চারটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

এর আগে গতকাল ২৭ এপ্রিল রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হসপিটালে ভর্তি করা হয়।তারপর তাকে রাতেই লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র থাকাকালে ২০১৫ সালে বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি।তারপর ২০১৭ সালে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন মান্নান।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ট্যাগ: