banglanewspaper

চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানোর যে দাবি বিএনপি করছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এভাবে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার দাবি তোলার মাধ্যমে দেশের চিকিৎসক ও হাসপাতালগুলোর প্রতি অবজ্ঞা করা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

শনিবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে শঙ্করমঠ ও মিশনের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী।

‘বেগম জিয়ার একটু অসুখ হলেই বিদেশ কেন নিয়ে যেতে হবে’ এমন প্রশ্ন রেখে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসা হয়, দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক ভালো হাসপাতাল আছে, যেখানে অনেক ভালো চিকিৎসা হয় এবং অন্য দেশ থেকেও অনেকে এখানে অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা নিতে আসে। বেগম খালেদা জিয়ার পেটে-হাঁটুতে বা অন্য কোনো সমস্যা হলেই বিদেশ নিয়ে যাবার জন্য তারা জিকির তোলেন কেন সেটাই হচ্ছে প্রশ্ন। এভাবে বিদেশ নিয়ে যাবার ধোঁয়া তোলার মাধ্যমে তারা আমাদের চিকিৎসক এবং হাসপাতালগুলোকে অবজ্ঞা প্রদর্শন করছেন।’

‘সরকার চাইলে বিএনপি নেত্রীকে বিদেশে নিতে পারবেন’ বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নিজেরা কোনো আইন-আদালত মানে না, সেই কারণেই তারা লাগামহীন ও দায়িত্বহীন কথা বলতে পারে।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কথায় মনে হচ্ছে আইন-আদালত কোনো কিছুরই দরকার নেই, সরকার চাইলেই খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে পারে। তাহলে সরকারকে জজকোর্ট, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকাও পালন করতে হবে। আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, আইনানুযায়ী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই।’

এর আগে যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম আমরা অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের রচনা করার জন্য। আজকে যারা সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়, ধর্মীয় বিভাজন করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায় তারা শুধু সমাজের শত্রু নয়, রাষ্ট্রের শত্রু। কারণ এই রাষ্ট্র রচিত হয়েছে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনা করার জন্য।

মন্ত্রী বলেন, ধর্ম যার যার এই রাষ্ট্র সবার, সবাই সবার আনন্দ উৎসবে শামিল হন, এটিই আমাদের সংস্কৃতি। এই চেতনাই আবহমান বাঙালি, বাংলা এবং বাংলাদেশ ধারণ করে। তাই ছোটখাট বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাদের এই সম্প্রীতির বন্ধনে কখনো বিভেদ তৈরি করতে পারেনি এবং পারবে না।

শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ তপনানন্দ গিরি মহারাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সীতাকুন্ড উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন শ্রীমৎ পরমানন্দ মহারাজ।

ট্যাগ: তথ্যমন্ত্রী

রাজনীতি
বিদ্রোহীদের ওপর ভর করে হানাহানি করছে বিএনপি: কাদের

banglanewspaper

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ওপর ভর করে মারামারি, হানাহানি সৃষ্টি করেছে।’

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ও ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ঘোমটা পরে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করছে। তারা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের ওপর ভর করে মারামারি ও হানাহানি সৃষ্টি করছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে উপস্থিতি সর্বোচ্চ ছিলো। একজন নির্বাচন কমিশনারও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। নির্বাচনে পার্টিসিপেশন মূল কথা। এবারের নির্বাচনে রেকর্ড পার্টিসিপেশন হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন এদেশে কখনো শান্তিপূর্ণ হয়নি। তবে এতে শেখ হাসিনা সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তৃণমূল থেকে অনেক সময় ভুল নাম আসে, কখনো কখনো বিভিন্ন প্রভাবের কারণে সংস্থার রিপোর্টও প্রভাবিত হয়, ভুল আসে। ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সৎসাহস আওয়ামী লীগের আছে। আমরা ভুলগুলো খুঁজে বের করে সতর্ক হচ্ছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের পতন হবে জনগণের ইচ্ছেয়, বিএনপির ইচ্ছায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসেনি। জনগণ চাইলে চতুর্থবারও আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা ক্ষমতায় থাকবেন।

সড়ক পরিবহন আইনে কোনো শিথিলতা আসছে না জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বেপরোয়া গাড়ি যেমন দুর্ঘটনার কারণ, বেপরোয়া পথচারীও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। মোটরসাইকেল চালকরাও দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডারের মতো ছুটছে তো ছুটছে। এরাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। সড়ক পরিবহন আইনে কোনো শিথিলতা আসছে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণপরিবহনে হাফ ভাড়া আগে থেকেই কার্যকর ছিলো। মাঝে শিথিলতা দেখা গেছে। সরকার বিআরটিসি বাসে ছাত্রছাত্রীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের অনুরোধে বেসরকারি বাস মালিকরা হাফ ভাড়ার সিদ্ধান্ত আজ সংবাদ সম্মেলনে দেবে।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা সাত বছর ধরে মামলা পিছিয়েছে, পরে দণ্ডিত হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন। রায় মানতে হবে, আইন মানতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনায় খালেদা জিয়া দণ্ডাদেশ স্থগিত করে বাসায় থাকতে দিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা করতে দিয়েছে। এর চেয়ে বেশি বিএনপি কিভাবে আশা করে?

সভায় বিজয় দিবসে আওয়ামী লীগ গৃহীত কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে বিজয় র‌্যালি হবে, ভারতের রাষ্ট্রপতি ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, আলোকসজ্জাসহ মাসব্যাপী কর্মসূচি থাকবে। সহযোগী সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সাথে মিলে নিজস্ব কর্মসূচি নেবে। ব্যানার ফেস্টুন যাতে শুধুমাত্র আত্মপ্রচারের জন্য যাতে না হয়। দলের নামে পোস্টার, ব্যনার, বিলবোর্ড করেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ প্রমুখ।

ট্যাগ:

রাজনীতি
খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস

banglanewspaper

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিসের কারণে ব্লিডিং হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। তার চিকিৎসায় গঠিত দলের মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা জার্মানির বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুপারিশ করেছেন। 

চিকিৎসকরা বলেন, ‘নেত্রীর যকৃত বা লিভারে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। একবার এই রক্তক্ষরণ সামাল দেওয়া গেছে। এখন তার যে অবস্থা, সেটি দ্বিতীয়বার সামাল দেওয়া কঠিন হবে।’

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় ব্রিফিং করেন নেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেত্রীর রোগ নিয়ে প্রাথমিক একটি বর্ণনা দেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের গঠন করা মেডিকেল বোর্ডের প্রধান এফ এম সিদ্দিকী।

বাংলাদেশে দুই থেকে তিন বার রক্তক্ষরণ সামাল দেয়ার কারিগরি সুযোগ নেই দাবি করে যত দ্রুত সম্ভব তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তারা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পেট থেকে চাকা চাকা রক্ত যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইউনাইটেড হাসপাতালে একবার রক্ত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া গেছে। কিন্তু এই ধরনের রোগীকে বারবার রক্ত দেয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘আশঙ্কা করছি, আবার যদি ব্লিডিং হয় তাহলে যদি এটাকে কন্ট্রোল করা সাপোর্ট করা যাবে না। ব্লিডিং হয়ে মৃত্যুঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে।’

ইন্টারভ্যানশনাল গ্যাস্ট্রো অ্যানালিস্ট চিকিৎসক আরেফিন সিদ্দিক লিভারে রক্তক্ষরণ ঠেকাতে চিকিৎসা পদ্ধতি তুলে ধরে বলেন, এটা একটা হাইলি টেকনিক্যাল কাজ। এটাকে বলে। বাংলাদেশে টিপস করা কোনো রোগী আমরা দেখি না যার দুই থেকে তিনবার এটা করা হয়েছে।

তাহলে কোথায় এই চিকিৎসা করা যায়-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা আমেরিকা বা ইউরোপ বেজড, বিশেষ করে ইউকে, জার্মানি ইউএসএতে কিছু সেন্টার আছে। সেটাও পুরা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নেই দুই একটি সেন্টার আছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
আন্দোলন-নির্বাচনে ব্যর্থ বিএনপি নতুন ইস্যু খুঁজছে: কাদের

banglanewspaper

আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন নতুন নতুন ইস্যু খুঁজছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

দেশের উন্নয়ন-অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তাঁরা করছে মন্তব্য করে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার সকালে নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন কাদের। সেতুমন্ত্রী তার ঢাকার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

আওয়ামী লীগের ‍সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার মত বিএনপির এমন কোনো মুখ নেই। তাই তারা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে নতুন নতুন ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে।

বিএনপির রাজনীতি মাঠে নয়,তাদের রাজনীতি এখন মিডিয়ানির্ভর এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক নেতা তারেক রহমান লন্ডনে বসে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে উসকানি দিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে দলের নেতাকর্মীরা যে বক্তব্য দিচ্ছেন সে বিষয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে না, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে জয়ী হবার নিশ্চয়তা দিলেই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, আর জয়ী হবার নিশ্চয়তা না দিলে নিরপেক্ষ নয়।

‘আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে, কে অংশ নিলো কি নিলো না তা দেখার কিছু নেই, কারণ নির্বাচন কারও জন্য বসে থাকবে না।’-বলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাদের।

বিএনপি ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ না নিলেও ঘোমটা পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নিচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল বলেন, তারা নির্বাচনে হানাহানি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে ষড়যন্ত্র করছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সম্মেলনে দলের মধ্যে যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করছেন তাদের বিরুদ্ধে জেলা কমিটি শোকজ ও প্রাথমিকভাবে বহিষ্কার করে কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের কমিটিতে রাখার নির্দেশ দিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সুসময়ে অনুপ্রবেশকারিরা দলে প্রবেশ করলে দলের ভেতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। ভাড়া করে খারাপ লোকদের দলে এনে দল ভারী করার কোনো দরকার নেই।

ইউপি নির্বাচনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে এবং নেপথ্যে মদদদাতাতের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আবদুল কুদ্দুছ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল।

ট্যাগ:

রাজনীতি
বিএনপির আন্দোলনে আ.লীগের কিছু যায় আসে না: কাদের

banglanewspaper

বিএনপি নেতাদের সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি এক দফা অথবা দশ দফা আন্দোলন করুক, তাতে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না, কারণ আওয়ামী লীগ আন্দোলনে ভয় পায় না।

সোমবার সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ রাজপথের সংগঠন, আন্দোলন সংগ্রাম করেই ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। জেল-জুলুম- নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা জনগণের দাবি আদায়ের সাহসী সংগঠন আওয়ামী লীগ।

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি আবার গণ-আন্দোলনের হুমকি বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের এসব হুমকি-ধামকি নিজেদের পদ-পদবি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। অতীতেও দেশবাসী বিএনপির দফা ভিত্তিক আন্দোলন দেখেছে, তাদের আন্দোলন রাজপথে নয়, তাদের আন্দোলন হচ্ছে ফেসবুক আর মিডিয়া নির্ভর।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা তাদের আন্দোলনের সক্ষমতা সম্পর্কে ভালোই জানেন। তবুও তারা কর্মী-সমর্থকদের রোষাণল থেকে বাঁচতে গণমাধ্যমে লিপ-সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন অবিরাম।

‘বিএনপি নেতারা গত একযুগের বেশি সময় ধরে নানা ইস্যুতে আন্দোলন আর সরকার পতনের হুমকি দিয়ে আসছেন, প্রকৃতপক্ষে এসব হুমকি সরকার ও জনগণের মনে কোনোরূপ আগ্রহ বা উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারেনি’-যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার বিএনপির হাতে কখনো ইস্যু তুলে দেবে না, তাই জনগণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে কোনো ইস্যুতে সরকার সবসময়ই সক্রিয় ও তৎপর।

ইউনিয়ন পরিষদের তৃতীয় দফা নির্বাচন আসন্ন এবং চতুর্থ দফা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে, এর পর পঞ্চম ধাপও সমাগত,- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দলের সর্ব-পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আবারও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহবান জানান।

তিনি বলেন, দলের মনোনয়নকে উপেক্ষা করে যারা বিদ্রোহ করছেন বা বিদ্রোহীদের উসকানি দিচ্ছেন তাদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হবে,দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ট্যাগ:

রাজনীতি
চতুর্থ ধাপে ৩৫৬ ইউপিতে নৌকা পেলেন যারা

banglanewspaper

চতুর্থ ধাপে ২৩ ডিসেম্বর যে ৮৪০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে এর মধ্যে চার বিভাগের ৩৫৬ ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি তিনটি পৌরসভায়ও নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি।

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

রবিবার বিকালে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তিন পৌরসভার মধ্যে পাবনার আটঘরিয়ায় শহিদুল ইসলাম রতন, নরসংদীর রায়পুরায় মোহাম্মদ মাহবুব আলম শাহীন এবং কক্সবাজারের টেকনাফে মোহাম্মদ ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

রংপুর বিভাগ

রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউপিতে মো. আবুল হোসেন, বেংহারীবনগ্রামে মো. আবুল কালাম আজাদ (আবু), চন্দনবাড়িতে মো. নজরুল ইসলাম প্রধান, বোদা সদর ইউপিতে মো. মসিউর রহমান, সাকোয়ায় মো. হাফিজুর রহমান, পাঁচপীরে অজয় কুমার রায়, কাজলদিঘীকা লিয়াকগঞ্জে মো. আব্দুল মোমিন, বরশশীতে মো. মউর রহমান, মাড়েয়াবামনহাটে আবু আনছার মো. রেজাউল করিম, ময়দানদিঘীতে মো. আব্দুল জব্বার।

আরো যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের রয়েছেন আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউপিতে মো. দেলোয়ার হোসেন। ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া ইউপিতে মো. মনিরুল হক, আখানগরে মো. রোমান বাদশাহ, আকচায় সুব্রত কুমার বর্মন, বালিয়ায় মো. নূর এ আলম ছিদ্দিকী, আউলিয়াপুরে মো. আতিকুর রহমান, চিলারংয়ে হৃষীকেশ রায় (লিটন), রহিমানপুরে মো. খেলাফত হোসেন, রায়পুরে মো: নূরুল ইসলাম, জামালপুরে এস এম এমদাদুল হক, মোহাম্মদপুরে মো. সোহাগ, সালন্দরে মো. মাহবুব আলম, গড়েয়ায় মো. রইছ উদ্দীন, রাজাগাঁওয়ে মো. খাদেমুল ইসলাম, দেবীপুরে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, নারগুনে মো. সেরেকুল ইসলাম, জগন্নাথপুরে মো. আলাউদ্দীন, শুখানপুখুরীতে মো. আনিছুর রহমান, বেগুনবাড়ীতে মো. বনি আমীন, রুহিয়া পশ্চিমে অনিল কুমার সেন ও ঢোলারহাটে সীমান্ত কুমার বর্মন (নির্মল)।

দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ী ইউপিতে মো. মকছেদুল গনি শাহ, ভেড়ভেড়ীতে মো. হাফিজুল হক, আঙ্গারপাড়ায়, গোলাম মোস্তফ, খামারপাড়ায় মো. সাজেদুল হক, ভাবকীতে মো. শফিকুল ইসলাম ও গোয়ালডিহিতে মো. আইনুল হক শাহ্।

কাহারোল উপজেলার ডাবর ইউপিতে সত্যজিৎ রায়, রসুলপুরে সঞ্জয় কুমার মিত্র, মুকুন্দপুরে এ কে এম ফারুক, তারগাঁওয়ে আবু সাহিন মো. মনোয়ারুজ্জামান, সুন্দরপুরে শরীফ উদ্দিন আহমেদ ও রামচন্দ্রপুরে মো. আতাউর রহমান

বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউপিতে সত্যজিৎ রায়, পলাশবাড়ীতে মো. মোস্তাক আহাম্মদ সিদ্দিকী, শতগ্রামে মতিয়ার রহমান, পাল্টাপুরে মো. আবদুর রহমান, সুজালপুরে মহেষ চন্দ্র রায়, মোহাম্মদপুরে মো. ওয়াহেদুজ্জামান, সাতোরে মো. জাকির হোসেন, মোহনপুরে মো. তাইজুল ইসলাম ও মরিচায় মো. আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউপিতে মো. আনোয়ারুল হক সরকার, বালাপাড়ায় মো. জহুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, ডিমলা সদর ইউপিতে মো. আবুল কাসেম সরকার, নাউতারায় মো. সাইফুল ইসলাম খালিশা চাপানীতে মো. আতাউর রহমান সরকার, ঝুনাগাছ চাপানীতে মো. মোজাম্মেল হক, পূর্ব ছাতনাইতে মো. আব্দুস ছাত্তার সরকার (বুলু)।

সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউপিতে জিকো আহমেদ, কাশিরাম বেলপুকুরে মো. গোলাম রকিব সোহন, বাঙ্গালীপুরে মো. শাহাজাদা সরকার, বোতলাগাড়ীতে মো. আবদুল হাফিজ ও খাতামধুপুরে মোছাঃ হাসিনা বেগম।

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউপিতে মো. আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল, গড্ডিমারীতে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, সিঙ্গিমারীতে মো. মনোয়ার হোসেন, টংভাঙ্গায়। মো. সেলিম হোসেন, সিন্দুর্ণায় মো. নুরুজ্জামান, পাটিকাপাড়ায় মো. মজিবুল আলম, ডাউয়াবাড়ীয় মো. মশিউর রহমান, নওদাবাসে এ কে এম ফজলুল হক, গোতামারীতে মো. মোজাম্মেল হক, ভেলাগুড়িতে মো. শফিকুল ইসলাম, সানিয়াজানে মো. আবুল হাসেম তালুকদার ও ফকিরপাড়ায় মো. নুরল ইসলাম।

রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউপিতে মো. আতিয়ার রহমান, গোপালপুরে মো. শামছুল আলম, লোহানীপাড়ায় মো. ডলু শাহ্, কালুপাড়ায় মো. আব্দুল মান্নান সরকার, বিষ্ণুপুরে মো. ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী, রাধানগরে মো. কামাল উদ্দিন, গোপীনাথপুরে মো. লুৎফর রহমান, রামনাথপুরে মোছাঃ মোহছিনা বেগম, মধুপুরে মো. নূর আলম ও দামোদরপুরে মো. আজিজুল হক সরকার।

গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউপিতে মো. মোহাইমিন ইসলাম, কোলকোন্দে মো. সোহরাব আলী, বড়বিলে মো. শহীদ চৌধুরী, গংগাচড়া সদর ইউপিতে মো. মাজহারুল ইসলাম লেবু, লক্ষীটারীতে মো. জুয়েল রানা, গজঘন্টায় মো. লিয়াকত আলী, মর্ণেয়ায় মো. মোছাদ্দেক আলী, আলমবিদিতরে মো. হারুন অর রশিদ ও নোহালীতে মো. আবুল কালাম আজাদ।

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউপিতে মো. আব্দুল জলিল সরকার, দলদলিয়ায় মো. লিয়াকত আলী, দুর্গাপুরে মো. খায়রুল ইসলাম, পান্ডুলে মো. তহসীন আলী, বুড়াবুড়ীতে মো. আসাদুজ্জামান খন্দকার, ধরনীবাড়ীতে মো. আব্দুল গফফার, ধামশ্রেণীতে সিরাজুল হক সরকার, গুনাইগাছে মো. আব্দুর রউফ, বজরায় মো. রেজাউল করিম আমিন, তবকপুরে মো. মোখলেছুর রহমান, হাতিয়ায় মো. শায়খুল ইসলাম, বেগমগঞ্জে মো. আকতার হোসেন ও সাহেবের আলগায় লূৎফা বেগম প্রধান।

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপিতে রবীন্দ্র নাথ কর্মকার, ছিনাইয়ে মো. সাদেকুল হক, রাজারহাটে মো. এনামুল হক, বিদ্যানন্দে মো. তাইজুল ইসলাম, উমরমজিদে মো. জহুরুল ইসলাম তালূকদার, নাজিমখানে মো. আব্দুল মালেক ও চাকিরপশারে মো. আব্দুস ছালাম।

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজলার কামদিয়া ইউপিতে মো. মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী বাবলু, কাটাবাড়ীতে জোবায়ের হাসান মো. শফিক মাহমুদ, শাখাহারে মো. তাহাজুল ইসলাম, রাজাহারে মো. আঃ লতিফ সরকার, সাপমারায় মো. সামীম রেজা, দরবন্তে আবু রুশদ মো. শরিফুল ইসলাম, তালুককানুপুরে মো. মাসুদ রানা, নাকাইয়ে মো. মোকছেদুল আমীন, হরিরামপুরে মো. জাহিদুল ইসলাম মন্ডল, রাখালবুরুজে মোছা নুরজাহান বেগম, ফুলবাড়ীতে শান্তনু কুমার দেব, গুমানীগঞ্জে মানিক, কোচাশহরে মো. আবু সুফিয়ান মন্ডল, শিবপুরে মো. সেকেন্দার আলী মন্ডল, মহিমাগঞ্জে মো. রেজওয়ানুর রহমান ও শালমারায় মো. আনিছুর রহমান।

পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউপিতে মো. মাহাবুবুর রহমান ও বরিশালে মো. শামীম মিয়া।
রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট উপজেলার ধলাহার ইউপিতে মো. কোরবান আলী, দোগাছীতে মো. সামসুল আলম, ভাদসায় মো. ছরোয়ার হোসেন, মোহাম্মদাবাদে মো. আতাউর রহমান, পুরানাপৈলে মো. খোরশেদ আলম, আমদইয়ে মো. শাহানুর আলম সাবু, বম্বুতে মোল্লা শামসুল আলম, জামালপুরে মো. হাসানুজ্জামান মিঠু ও চকবরকতে মো. শাহজাহান।

বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার কাহালু সদর ইউপিতে মো. এনামুল হক (মিঠু), বীরকেদারে এস এম আকরাম হোসেন, মুরইলে মো. হারেজ উদ্দীন, কালাইয়ে মো. আজহার আলী, মালঞ্চায়, মো. আব্দুল হাকিম, নারহট্টে মো. রুহুল আমিন তালুকদার (বেলাল), পাইকড়ে মো. মিটু চৌধুরী ও জামগ্রামে মো. মনোয়ার হোসেন।

নন্দীগ্রাম উপজেলার নন্দীগ্রাম ইউপিতে মো. মখলেছুর রহমান (মিন্টু), ভাটগ্রামে মো. জুলফিকার আলী, ভাটরায় মো. মোরশেদুল বারী ও থালতামাঝগ্রামে মো. হাফিজুর রহমান। বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউপিতে মো. শফিকুল ইসলাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলার ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট ইউপিতে মোহাঃ আব্দুল খালেক, গোহালবাড়ীতে মোহাঃ ইয়াসিন আলী, দলদলীতে মো. আনিসুর রহমান ও জামবাড়ীয়ায় মো. পিয়ারুল ইসলাম

নাচোল উপজেলার কসবা ইউপিতে মো. আজিজুর রহমান ও ফতেপুরে মো. ইসমাইল হক, নাচোলে মো. কাবুল হোসেন ও নেজামপুর মো. নজরুল ইসলাম।

নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ ইউপিতে মো. আক্কাছ আলী প্রামানিক, ভোঁপাড়ায় মো. নাজিম উদ্দিন মন্ডল, বিশায় মো. মান্নান মোল্লা, হাটকালুপাড়ায় মো. আব্দুস শুকুর সরদার, কালিকাপুরে মো. নাজমুল হক প্রামানিক, মনিয়ারীতে মো. খায়রুল ইসলাম, পাঁচুপুরে মো. আফছার প্রামানিক ও সাহাগোলায় মোছাঃ শামসুন নাহার।

মহাদেবপুর উপজেলার মহাদেবপুর ইউপিতে মো. সাঈদ হাসান, রাইগাঁয় মো. আরিফুর রহমান সরদার, চান্দাশে এস এম নুরুজ্জামান, হাতুড়ে মো. মোশারফ হোসেন, সফাপুরে মো. ময়নুল ইসলাম, চেরাগপুরে শিবনাথ মিশ্র, ভীমপুরে মো. হাসান আলী মন্ডলে এনায়েতপুরে মো. মেহেদী হাসান মিঞা, উত্তরগ্রামে মো. বজলুর রশীদ ও খাজুরে মো. বেলাল উদ্দীন।

ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট সদর ইউপিতে মো. কামরুজ্জামান, ইসবপুরে মো. মাহফুজুল আলম, আলোমপুরে মো. ওসমান গনী, আড়ানগরে মো. শাহজাহান আলীতে আগ্রাদ্বিগুনে মো. ছালেহ উদ্দীন, জাহানপুরে মো. গোলাম কিবরিয়া, খেলনায় মো. নাজমুল হোসেন ও উমারে মো. ওবায়দুল হক সরকার।

রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউপিতে আলহাজ মো. শফিউল আলম, শলুয়ায় মো. আবুল কালাম আজাদ, সরদহে মো. হাসানুজ্জামান, নিমপাড়ায় মো. মনিরুজ্জামান, চারঘাটে মো. ফজলুল হক ও ভায়ালক্ষিপুরে মো. আঃ মজিদ প্রাং।

বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউপিতে ডি এম বাবুল মনোয়ার, বাউসায় মো. শফিকুর রহমান ও আড়ানীতে মো. রফিকুল ইসলাম

দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউপিতে মো. সাইফুল ইসলাম, কিসমতগণকৈড়ে মো. আবুল কালাম আজাদ, পানানগরে মো. আজাহার আলী, দেলুয়াবাড়ীতে মো. আহসান হাবিব, বালুকায় মো. আকতার আলী ও জয়নগরে মো. মিজানুর রহমান।

নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউপিতে এস,এম,মোফাজ্জল হোসেন, ডাহিয়ায় মো. মামুন সিরাজুল মজিদ, ইটালীতে মো. আরিফুল ইসলাম, কলমে মো. মইনুল হক চুনু, চামারী মো. রশিদুল ইসলাম, হাতিয়ান্দহে মো. মোস্তাকুর রহমান, লালোরে মো. নজরুল ইসলাম, শেরকোল, মো. লুৎফুল হাবিব, তাজপুরে মো. মিনহাজ উদ্দিন, চৌগ্রামে মো. জাহেদুল ইসলাম, ছাতারদিঘীতে মো. আব্দুর রউফ সরদার ও রামানন্দখাজুয়ায় মো. ইদ্রিস আলী।

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুরে এস, এম, হাসেবুল হক (হাসান), গাড়াদহে মো. সাইফুল ইসলাম, পোতাজিয়ায় মো. আলমগীর জাহান, রুপবাটিতে মো. আব্দুল মজিদ মোল্লা, গালায় মো. আব্দুল বাতেন, বেলতৈলে সরকার মোহাম্মদ আলী, খুকনীতে মো. মুল্লুক চাঁদ, কৈজুরীতে মো. সাইফুল ইসলাম, নরিনায় মো. আবু শামিম ও জামালপুরে মো. সুলতান মাহমুদ।

চৌহালী উপজেলার সদিয়া চাঁদপুরে মো. জাহাঙ্গীর আলম, উমারপুরে মো. আব্দুর রাজ্জাক, খাষকাউলিয়ায় মো. আবু ছাইদ, বাঘুটিয়ায় মো. আবুল কালাম, স্থলে মো. নজরুল ইসলাম, ঘোরজানে মো. আকতারুজ্জামান সরকার ও খাষপুকুরিয়ায় মো. আবু দাউদ।

কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউপিতে মো. আঃ মালেক খাঁন, ঝাঐলে মো. আলতাফ হোসেন (ঠান্ডু), জামতৈলে মো. মোকবুল হোসেন ও রায়দৌলতপুরে মো. আঃ রশিদ আকন্দ।

পাবনা জেলার পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউপিতে মো. উম্মাত আলী, দাপুনিয়ায় মোছাঃ আম্বিয়া খাতুন, মালঞ্চিতে মো. আব্দুল আলিম, দোগাছিতে মো. আলতাব হোসেন, হিমায়েতপুরে মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, ভাঁড়ারায় মো. আবু সাঈদ খান, চরতারাপুরে রবিউল হক (টুটুল), আতাইকুলায় খোন্দকার আতিয়ার হোসেন, গয়েশপুরে মো. সামসুল মন্ডল ও সাদুল্লাপুরে মো. রইস উদ্দিন খাঁন।

আটঘরিয়া উপজেলার মাজপারায় মো. ইন্তাজ আলী খান, চাঁদভায় মো. সাইফুল ইসলাম, দেবোত্তরে আবু হামিদ মো. মোহাঈম্মীন হোসেন চঞ্চল, একদন্তে মো. মহসিন আলী মোল্লা ও লক্ষীপুরে আনোয়ার হোসেন।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউপিতে মো. নূর-উন-নবী মন্ডল, অষ্টমনিষায় সুলতানা জাহান, পার ভাঙ্গুড়ায় মো. হেদায়তুল হক ও দিলপাশারে অশোক কমার ঘোষ।
খুলনা বিভাগ

খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার গোপগ্রামে মো. আলমগীর হোসেন, শিমুলিয়ায় আব্দুল মজিদ খাঁন, জয়ন্ডীহাজরায় মো. আব্দুর রাজ্জাক, বেতবাড়ীয়া, মো. বাবুল আখতার, ওসমানপুরে মো. আনিচুর রহমান৷ জানিপুরে মো. হবিবর রহমান ও আমবাড়ীয়ায় মো. মনিরুজ্জামান বিশ্বাস, খোকসায় মো. আঃ মালেক ও শোমসপুরে মো. বদর উদ্দিন খান।

কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউপিতে সাদিয়া জামিল, শিলাইদহে মো. সালাহ্উদ্দীন খান তারেক, জগন্নাথপুরে শেখ ফারুক আজম, সদকীকে মিনহাজুল আবেদীন দ্বীপ, নন্দলালপুরে মো. নওশের আলী বিশ্বাস, চাপড়ায় মনির হাসান, বাগুলাটে মো. আজিজুল হক নবা, যদুবয়রায় মো. মিজানুর রহমান, চাঁদপুরে মো. সোহরাব উদ্দিন মিয়া, পান্টিতে মো. কামরুজ্জামান ও চরসাদীপুরে মো. তোফাজ্জল হোসেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউপিতে মো. আবুল কালাম আজাদ, মোমিনপুরে মো. আব্দুল্লাহ-আল মামুন, কুতুবপুরে আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান ও পদ্মবিলায় মো. আলম।

ঝিনাইদহ জেলার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউপিতে মো. শফি উদ্দীন আহমেদ, মধুহাটিতে মো. আলমগীর আজাদ, সাগান্নায় মোজাম্মেল হোসেন শেখ, হলিধানীতে মো. আবুল হাসেম, কুমড়াবাড়ীয়ায় মো. আশরাফুল ইসলাম, গান্নায় আতিকুল হাসান মাসুম, মহারাজপুরে আরিফ আহমেদ, পোড়াহাটিতে মো. শহিদুল ইসলাম হিরন, হরিশংকরপুরে আব্দুল্লাহ আল মাসুম, পদ্মাকরে সৈয়দ নিজামুল গনি, দোগাছিতে মো. ইসহাক আলী জোয়ার্দ্দার, ফুরসুন্দিতে মো. শহিদুল ইসলাম শিকদার, ঘোড়শালে মো. পারভেজ মাসুদ, কালীচরণপুরে কৃষ্ণ পদ দত্ত ও নলডাঙ্গায় মো. রেজাউল করিম।

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগে মো. মফিজ উদ্দিন, সুন্দলীতে বিকাশ রায়, চলিশিয়ায় মো. মশিউর রহমান, পায়রায় মো. হাফিজুর রহমান বিশ্বাস, শ্রীধরপুরে মো. নাসির উদ্দীন, বাঘুটিয়ায় অর্জুন সেন, শুভরাড়ায় মো. ইদ্রিস আলী শেখ, সিদ্দিপাশা ইউপিতে খান, এ, কামাল হাচান।

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুরে মো. আব্দুল হালিম মোল্যা, আমলসারে সেবানন্দ বিশ্বাস, শ্রীপুর সদরে মো. মসিয়ার রহমান, শ্রীকোলে কাজী তারিকুল ইসলাম, কাদিরপাড়ায় মো. লিয়াকত আলি বিশ্বাস, দ্বারিয়াপুরে আব্দুস সবুর, সবদালপুরে পান্না খাতুন ও নাকোলে হুমাউনুর রশিদ।

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নলদীতে মো. আবুল কালাম আজাদ মিয়া, লাহুড়িয়ায় মোসাঃ ফাতেমা বেগম, শালনগরে মো. লাবু মিয়া, নোয়াগ্রামে মুন্সী জোসেফ হোসেন, লক্ষীপাশায় কাজী বনি আমীন, জয়পুরে মো. সাইফুল ইসলাম সুমন, লোহাগড়ায় নাজমিন বেগম, দিঘলিয়ায় নীনা ইয়াছমিন, মল্লিকপুরে মো. শহিদুর রহমান শহীদ, কোটাকোলে হাচান আল মামুদ, ইতনায় শেখ সিহানুক রহমান, কাশিপুরে মো. মতিয়ার রহমান।

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমায় বিধান রায়।

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে মো. শমসের আলী ঢালী, নুরনগরে মো. বখতিয়ার আহমেদ, মুন্সীগঞ্জে অসীম কুমার মৃধা, বুড়িগোয়ালিনীতে ভবতোষ কুমার মন্ডল, আটুলিয়ায় গাজী কামরুল ইসলাম, পদ্মপুকুরে এস, এম, আতাউর রহমান, গাবুরায় জি, এম, শফিউল আযম লেনিন, কৈখালীতে জি, এম, রেজাউল করিম ও রমজান নগরে মো. শাহনুর আলম। তালা উপজেলার কুমিরায় শেখ আজিজুল ইসলাম।
বরিশাল বিভাগ

বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউপিতে মুঃ সাইদুজ্জামান মামুন, ছোটবাইশদিয়ায় এ, বি, এম, আবদুল মান্নান, চালিতাবুনিয়ায় মুঃ জাহিদুর রহমান ও চরমোন্ডাজে এ. কে. সামসুদ্দিন।

কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউপিতে মো. বাবুল মিয়া, টিয়াখালীতে সৈয়দ মশিউর রহমান, চাকামইয়াতে মো. হুমায়ন কবির।

ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা মো. শাহাজাদা তালুকদার, কাচিয়ায় আঃ রব কাজী, হাসাননগরে মো. আবেদ, টগবীতে মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, পক্ষিয়ায় মো. আবুল কালাম, বড়মানিকায় জসিমউদ্দিন, কুতুবায় নজমুল আহাসান। তজুমুদ্দিন উপজেলার সোনাপুরে মেহেদী হাসান।

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দিতে গাওসেল আলম খান (লাল), দুর্গাপাশায় মো. হানিফ তালুকদার ও নিয়ামতিতে মতিউর রহমান (বাদশা)। বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশায় মো. দেলোয়ার হোসেন। হিজলা উপজেলার ধূলখোলায় এ কে এম জসীম উদ্দিন।

ট্যাগ: