banglanewspaper

চতুর্থ ধাপে ২৩ ডিসেম্বর যে ৮৪০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে এর মধ্যে চার বিভাগের ৩৫৬ ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি তিনটি পৌরসভায়ও নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি।

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

রবিবার বিকালে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তিন পৌরসভার মধ্যে পাবনার আটঘরিয়ায় শহিদুল ইসলাম রতন, নরসংদীর রায়পুরায় মোহাম্মদ মাহবুব আলম শাহীন এবং কক্সবাজারের টেকনাফে মোহাম্মদ ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

রংপুর বিভাগ

রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউপিতে মো. আবুল হোসেন, বেংহারীবনগ্রামে মো. আবুল কালাম আজাদ (আবু), চন্দনবাড়িতে মো. নজরুল ইসলাম প্রধান, বোদা সদর ইউপিতে মো. মসিউর রহমান, সাকোয়ায় মো. হাফিজুর রহমান, পাঁচপীরে অজয় কুমার রায়, কাজলদিঘীকা লিয়াকগঞ্জে মো. আব্দুল মোমিন, বরশশীতে মো. মউর রহমান, মাড়েয়াবামনহাটে আবু আনছার মো. রেজাউল করিম, ময়দানদিঘীতে মো. আব্দুল জব্বার।

আরো যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের রয়েছেন আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউপিতে মো. দেলোয়ার হোসেন। ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া ইউপিতে মো. মনিরুল হক, আখানগরে মো. রোমান বাদশাহ, আকচায় সুব্রত কুমার বর্মন, বালিয়ায় মো. নূর এ আলম ছিদ্দিকী, আউলিয়াপুরে মো. আতিকুর রহমান, চিলারংয়ে হৃষীকেশ রায় (লিটন), রহিমানপুরে মো. খেলাফত হোসেন, রায়পুরে মো: নূরুল ইসলাম, জামালপুরে এস এম এমদাদুল হক, মোহাম্মদপুরে মো. সোহাগ, সালন্দরে মো. মাহবুব আলম, গড়েয়ায় মো. রইছ উদ্দীন, রাজাগাঁওয়ে মো. খাদেমুল ইসলাম, দেবীপুরে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, নারগুনে মো. সেরেকুল ইসলাম, জগন্নাথপুরে মো. আলাউদ্দীন, শুখানপুখুরীতে মো. আনিছুর রহমান, বেগুনবাড়ীতে মো. বনি আমীন, রুহিয়া পশ্চিমে অনিল কুমার সেন ও ঢোলারহাটে সীমান্ত কুমার বর্মন (নির্মল)।

দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ী ইউপিতে মো. মকছেদুল গনি শাহ, ভেড়ভেড়ীতে মো. হাফিজুল হক, আঙ্গারপাড়ায়, গোলাম মোস্তফ, খামারপাড়ায় মো. সাজেদুল হক, ভাবকীতে মো. শফিকুল ইসলাম ও গোয়ালডিহিতে মো. আইনুল হক শাহ্।

কাহারোল উপজেলার ডাবর ইউপিতে সত্যজিৎ রায়, রসুলপুরে সঞ্জয় কুমার মিত্র, মুকুন্দপুরে এ কে এম ফারুক, তারগাঁওয়ে আবু সাহিন মো. মনোয়ারুজ্জামান, সুন্দরপুরে শরীফ উদ্দিন আহমেদ ও রামচন্দ্রপুরে মো. আতাউর রহমান

বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউপিতে সত্যজিৎ রায়, পলাশবাড়ীতে মো. মোস্তাক আহাম্মদ সিদ্দিকী, শতগ্রামে মতিয়ার রহমান, পাল্টাপুরে মো. আবদুর রহমান, সুজালপুরে মহেষ চন্দ্র রায়, মোহাম্মদপুরে মো. ওয়াহেদুজ্জামান, সাতোরে মো. জাকির হোসেন, মোহনপুরে মো. তাইজুল ইসলাম ও মরিচায় মো. আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউপিতে মো. আনোয়ারুল হক সরকার, বালাপাড়ায় মো. জহুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, ডিমলা সদর ইউপিতে মো. আবুল কাসেম সরকার, নাউতারায় মো. সাইফুল ইসলাম খালিশা চাপানীতে মো. আতাউর রহমান সরকার, ঝুনাগাছ চাপানীতে মো. মোজাম্মেল হক, পূর্ব ছাতনাইতে মো. আব্দুস ছাত্তার সরকার (বুলু)।

সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউপিতে জিকো আহমেদ, কাশিরাম বেলপুকুরে মো. গোলাম রকিব সোহন, বাঙ্গালীপুরে মো. শাহাজাদা সরকার, বোতলাগাড়ীতে মো. আবদুল হাফিজ ও খাতামধুপুরে মোছাঃ হাসিনা বেগম।

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউপিতে মো. আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল, গড্ডিমারীতে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, সিঙ্গিমারীতে মো. মনোয়ার হোসেন, টংভাঙ্গায়। মো. সেলিম হোসেন, সিন্দুর্ণায় মো. নুরুজ্জামান, পাটিকাপাড়ায় মো. মজিবুল আলম, ডাউয়াবাড়ীয় মো. মশিউর রহমান, নওদাবাসে এ কে এম ফজলুল হক, গোতামারীতে মো. মোজাম্মেল হক, ভেলাগুড়িতে মো. শফিকুল ইসলাম, সানিয়াজানে মো. আবুল হাসেম তালুকদার ও ফকিরপাড়ায় মো. নুরল ইসলাম।

রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউপিতে মো. আতিয়ার রহমান, গোপালপুরে মো. শামছুল আলম, লোহানীপাড়ায় মো. ডলু শাহ্, কালুপাড়ায় মো. আব্দুল মান্নান সরকার, বিষ্ণুপুরে মো. ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী, রাধানগরে মো. কামাল উদ্দিন, গোপীনাথপুরে মো. লুৎফর রহমান, রামনাথপুরে মোছাঃ মোহছিনা বেগম, মধুপুরে মো. নূর আলম ও দামোদরপুরে মো. আজিজুল হক সরকার।

গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউপিতে মো. মোহাইমিন ইসলাম, কোলকোন্দে মো. সোহরাব আলী, বড়বিলে মো. শহীদ চৌধুরী, গংগাচড়া সদর ইউপিতে মো. মাজহারুল ইসলাম লেবু, লক্ষীটারীতে মো. জুয়েল রানা, গজঘন্টায় মো. লিয়াকত আলী, মর্ণেয়ায় মো. মোছাদ্দেক আলী, আলমবিদিতরে মো. হারুন অর রশিদ ও নোহালীতে মো. আবুল কালাম আজাদ।

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউপিতে মো. আব্দুল জলিল সরকার, দলদলিয়ায় মো. লিয়াকত আলী, দুর্গাপুরে মো. খায়রুল ইসলাম, পান্ডুলে মো. তহসীন আলী, বুড়াবুড়ীতে মো. আসাদুজ্জামান খন্দকার, ধরনীবাড়ীতে মো. আব্দুল গফফার, ধামশ্রেণীতে সিরাজুল হক সরকার, গুনাইগাছে মো. আব্দুর রউফ, বজরায় মো. রেজাউল করিম আমিন, তবকপুরে মো. মোখলেছুর রহমান, হাতিয়ায় মো. শায়খুল ইসলাম, বেগমগঞ্জে মো. আকতার হোসেন ও সাহেবের আলগায় লূৎফা বেগম প্রধান।

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপিতে রবীন্দ্র নাথ কর্মকার, ছিনাইয়ে মো. সাদেকুল হক, রাজারহাটে মো. এনামুল হক, বিদ্যানন্দে মো. তাইজুল ইসলাম, উমরমজিদে মো. জহুরুল ইসলাম তালূকদার, নাজিমখানে মো. আব্দুল মালেক ও চাকিরপশারে মো. আব্দুস ছালাম।

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজলার কামদিয়া ইউপিতে মো. মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী বাবলু, কাটাবাড়ীতে জোবায়ের হাসান মো. শফিক মাহমুদ, শাখাহারে মো. তাহাজুল ইসলাম, রাজাহারে মো. আঃ লতিফ সরকার, সাপমারায় মো. সামীম রেজা, দরবন্তে আবু রুশদ মো. শরিফুল ইসলাম, তালুককানুপুরে মো. মাসুদ রানা, নাকাইয়ে মো. মোকছেদুল আমীন, হরিরামপুরে মো. জাহিদুল ইসলাম মন্ডল, রাখালবুরুজে মোছা নুরজাহান বেগম, ফুলবাড়ীতে শান্তনু কুমার দেব, গুমানীগঞ্জে মানিক, কোচাশহরে মো. আবু সুফিয়ান মন্ডল, শিবপুরে মো. সেকেন্দার আলী মন্ডল, মহিমাগঞ্জে মো. রেজওয়ানুর রহমান ও শালমারায় মো. আনিছুর রহমান।

পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউপিতে মো. মাহাবুবুর রহমান ও বরিশালে মো. শামীম মিয়া।
রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট উপজেলার ধলাহার ইউপিতে মো. কোরবান আলী, দোগাছীতে মো. সামসুল আলম, ভাদসায় মো. ছরোয়ার হোসেন, মোহাম্মদাবাদে মো. আতাউর রহমান, পুরানাপৈলে মো. খোরশেদ আলম, আমদইয়ে মো. শাহানুর আলম সাবু, বম্বুতে মোল্লা শামসুল আলম, জামালপুরে মো. হাসানুজ্জামান মিঠু ও চকবরকতে মো. শাহজাহান।

বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার কাহালু সদর ইউপিতে মো. এনামুল হক (মিঠু), বীরকেদারে এস এম আকরাম হোসেন, মুরইলে মো. হারেজ উদ্দীন, কালাইয়ে মো. আজহার আলী, মালঞ্চায়, মো. আব্দুল হাকিম, নারহট্টে মো. রুহুল আমিন তালুকদার (বেলাল), পাইকড়ে মো. মিটু চৌধুরী ও জামগ্রামে মো. মনোয়ার হোসেন।

নন্দীগ্রাম উপজেলার নন্দীগ্রাম ইউপিতে মো. মখলেছুর রহমান (মিন্টু), ভাটগ্রামে মো. জুলফিকার আলী, ভাটরায় মো. মোরশেদুল বারী ও থালতামাঝগ্রামে মো. হাফিজুর রহমান। বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউপিতে মো. শফিকুল ইসলাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলার ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট ইউপিতে মোহাঃ আব্দুল খালেক, গোহালবাড়ীতে মোহাঃ ইয়াসিন আলী, দলদলীতে মো. আনিসুর রহমান ও জামবাড়ীয়ায় মো. পিয়ারুল ইসলাম

নাচোল উপজেলার কসবা ইউপিতে মো. আজিজুর রহমান ও ফতেপুরে মো. ইসমাইল হক, নাচোলে মো. কাবুল হোসেন ও নেজামপুর মো. নজরুল ইসলাম।

নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ ইউপিতে মো. আক্কাছ আলী প্রামানিক, ভোঁপাড়ায় মো. নাজিম উদ্দিন মন্ডল, বিশায় মো. মান্নান মোল্লা, হাটকালুপাড়ায় মো. আব্দুস শুকুর সরদার, কালিকাপুরে মো. নাজমুল হক প্রামানিক, মনিয়ারীতে মো. খায়রুল ইসলাম, পাঁচুপুরে মো. আফছার প্রামানিক ও সাহাগোলায় মোছাঃ শামসুন নাহার।

মহাদেবপুর উপজেলার মহাদেবপুর ইউপিতে মো. সাঈদ হাসান, রাইগাঁয় মো. আরিফুর রহমান সরদার, চান্দাশে এস এম নুরুজ্জামান, হাতুড়ে মো. মোশারফ হোসেন, সফাপুরে মো. ময়নুল ইসলাম, চেরাগপুরে শিবনাথ মিশ্র, ভীমপুরে মো. হাসান আলী মন্ডলে এনায়েতপুরে মো. মেহেদী হাসান মিঞা, উত্তরগ্রামে মো. বজলুর রশীদ ও খাজুরে মো. বেলাল উদ্দীন।

ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট সদর ইউপিতে মো. কামরুজ্জামান, ইসবপুরে মো. মাহফুজুল আলম, আলোমপুরে মো. ওসমান গনী, আড়ানগরে মো. শাহজাহান আলীতে আগ্রাদ্বিগুনে মো. ছালেহ উদ্দীন, জাহানপুরে মো. গোলাম কিবরিয়া, খেলনায় মো. নাজমুল হোসেন ও উমারে মো. ওবায়দুল হক সরকার।

রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউপিতে আলহাজ মো. শফিউল আলম, শলুয়ায় মো. আবুল কালাম আজাদ, সরদহে মো. হাসানুজ্জামান, নিমপাড়ায় মো. মনিরুজ্জামান, চারঘাটে মো. ফজলুল হক ও ভায়ালক্ষিপুরে মো. আঃ মজিদ প্রাং।

বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউপিতে ডি এম বাবুল মনোয়ার, বাউসায় মো. শফিকুর রহমান ও আড়ানীতে মো. রফিকুল ইসলাম

দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউপিতে মো. সাইফুল ইসলাম, কিসমতগণকৈড়ে মো. আবুল কালাম আজাদ, পানানগরে মো. আজাহার আলী, দেলুয়াবাড়ীতে মো. আহসান হাবিব, বালুকায় মো. আকতার আলী ও জয়নগরে মো. মিজানুর রহমান।

নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউপিতে এস,এম,মোফাজ্জল হোসেন, ডাহিয়ায় মো. মামুন সিরাজুল মজিদ, ইটালীতে মো. আরিফুল ইসলাম, কলমে মো. মইনুল হক চুনু, চামারী মো. রশিদুল ইসলাম, হাতিয়ান্দহে মো. মোস্তাকুর রহমান, লালোরে মো. নজরুল ইসলাম, শেরকোল, মো. লুৎফুল হাবিব, তাজপুরে মো. মিনহাজ উদ্দিন, চৌগ্রামে মো. জাহেদুল ইসলাম, ছাতারদিঘীতে মো. আব্দুর রউফ সরদার ও রামানন্দখাজুয়ায় মো. ইদ্রিস আলী।

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুরে এস, এম, হাসেবুল হক (হাসান), গাড়াদহে মো. সাইফুল ইসলাম, পোতাজিয়ায় মো. আলমগীর জাহান, রুপবাটিতে মো. আব্দুল মজিদ মোল্লা, গালায় মো. আব্দুল বাতেন, বেলতৈলে সরকার মোহাম্মদ আলী, খুকনীতে মো. মুল্লুক চাঁদ, কৈজুরীতে মো. সাইফুল ইসলাম, নরিনায় মো. আবু শামিম ও জামালপুরে মো. সুলতান মাহমুদ।

চৌহালী উপজেলার সদিয়া চাঁদপুরে মো. জাহাঙ্গীর আলম, উমারপুরে মো. আব্দুর রাজ্জাক, খাষকাউলিয়ায় মো. আবু ছাইদ, বাঘুটিয়ায় মো. আবুল কালাম, স্থলে মো. নজরুল ইসলাম, ঘোরজানে মো. আকতারুজ্জামান সরকার ও খাষপুকুরিয়ায় মো. আবু দাউদ।

কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউপিতে মো. আঃ মালেক খাঁন, ঝাঐলে মো. আলতাফ হোসেন (ঠান্ডু), জামতৈলে মো. মোকবুল হোসেন ও রায়দৌলতপুরে মো. আঃ রশিদ আকন্দ।

পাবনা জেলার পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউপিতে মো. উম্মাত আলী, দাপুনিয়ায় মোছাঃ আম্বিয়া খাতুন, মালঞ্চিতে মো. আব্দুল আলিম, দোগাছিতে মো. আলতাব হোসেন, হিমায়েতপুরে মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, ভাঁড়ারায় মো. আবু সাঈদ খান, চরতারাপুরে রবিউল হক (টুটুল), আতাইকুলায় খোন্দকার আতিয়ার হোসেন, গয়েশপুরে মো. সামসুল মন্ডল ও সাদুল্লাপুরে মো. রইস উদ্দিন খাঁন।

আটঘরিয়া উপজেলার মাজপারায় মো. ইন্তাজ আলী খান, চাঁদভায় মো. সাইফুল ইসলাম, দেবোত্তরে আবু হামিদ মো. মোহাঈম্মীন হোসেন চঞ্চল, একদন্তে মো. মহসিন আলী মোল্লা ও লক্ষীপুরে আনোয়ার হোসেন।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউপিতে মো. নূর-উন-নবী মন্ডল, অষ্টমনিষায় সুলতানা জাহান, পার ভাঙ্গুড়ায় মো. হেদায়তুল হক ও দিলপাশারে অশোক কমার ঘোষ।
খুলনা বিভাগ

খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার গোপগ্রামে মো. আলমগীর হোসেন, শিমুলিয়ায় আব্দুল মজিদ খাঁন, জয়ন্ডীহাজরায় মো. আব্দুর রাজ্জাক, বেতবাড়ীয়া, মো. বাবুল আখতার, ওসমানপুরে মো. আনিচুর রহমান৷ জানিপুরে মো. হবিবর রহমান ও আমবাড়ীয়ায় মো. মনিরুজ্জামান বিশ্বাস, খোকসায় মো. আঃ মালেক ও শোমসপুরে মো. বদর উদ্দিন খান।

কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউপিতে সাদিয়া জামিল, শিলাইদহে মো. সালাহ্উদ্দীন খান তারেক, জগন্নাথপুরে শেখ ফারুক আজম, সদকীকে মিনহাজুল আবেদীন দ্বীপ, নন্দলালপুরে মো. নওশের আলী বিশ্বাস, চাপড়ায় মনির হাসান, বাগুলাটে মো. আজিজুল হক নবা, যদুবয়রায় মো. মিজানুর রহমান, চাঁদপুরে মো. সোহরাব উদ্দিন মিয়া, পান্টিতে মো. কামরুজ্জামান ও চরসাদীপুরে মো. তোফাজ্জল হোসেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউপিতে মো. আবুল কালাম আজাদ, মোমিনপুরে মো. আব্দুল্লাহ-আল মামুন, কুতুবপুরে আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান ও পদ্মবিলায় মো. আলম।

ঝিনাইদহ জেলার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউপিতে মো. শফি উদ্দীন আহমেদ, মধুহাটিতে মো. আলমগীর আজাদ, সাগান্নায় মোজাম্মেল হোসেন শেখ, হলিধানীতে মো. আবুল হাসেম, কুমড়াবাড়ীয়ায় মো. আশরাফুল ইসলাম, গান্নায় আতিকুল হাসান মাসুম, মহারাজপুরে আরিফ আহমেদ, পোড়াহাটিতে মো. শহিদুল ইসলাম হিরন, হরিশংকরপুরে আব্দুল্লাহ আল মাসুম, পদ্মাকরে সৈয়দ নিজামুল গনি, দোগাছিতে মো. ইসহাক আলী জোয়ার্দ্দার, ফুরসুন্দিতে মো. শহিদুল ইসলাম শিকদার, ঘোড়শালে মো. পারভেজ মাসুদ, কালীচরণপুরে কৃষ্ণ পদ দত্ত ও নলডাঙ্গায় মো. রেজাউল করিম।

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগে মো. মফিজ উদ্দিন, সুন্দলীতে বিকাশ রায়, চলিশিয়ায় মো. মশিউর রহমান, পায়রায় মো. হাফিজুর রহমান বিশ্বাস, শ্রীধরপুরে মো. নাসির উদ্দীন, বাঘুটিয়ায় অর্জুন সেন, শুভরাড়ায় মো. ইদ্রিস আলী শেখ, সিদ্দিপাশা ইউপিতে খান, এ, কামাল হাচান।

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুরে মো. আব্দুল হালিম মোল্যা, আমলসারে সেবানন্দ বিশ্বাস, শ্রীপুর সদরে মো. মসিয়ার রহমান, শ্রীকোলে কাজী তারিকুল ইসলাম, কাদিরপাড়ায় মো. লিয়াকত আলি বিশ্বাস, দ্বারিয়াপুরে আব্দুস সবুর, সবদালপুরে পান্না খাতুন ও নাকোলে হুমাউনুর রশিদ।

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নলদীতে মো. আবুল কালাম আজাদ মিয়া, লাহুড়িয়ায় মোসাঃ ফাতেমা বেগম, শালনগরে মো. লাবু মিয়া, নোয়াগ্রামে মুন্সী জোসেফ হোসেন, লক্ষীপাশায় কাজী বনি আমীন, জয়পুরে মো. সাইফুল ইসলাম সুমন, লোহাগড়ায় নাজমিন বেগম, দিঘলিয়ায় নীনা ইয়াছমিন, মল্লিকপুরে মো. শহিদুর রহমান শহীদ, কোটাকোলে হাচান আল মামুদ, ইতনায় শেখ সিহানুক রহমান, কাশিপুরে মো. মতিয়ার রহমান।

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমায় বিধান রায়।

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে মো. শমসের আলী ঢালী, নুরনগরে মো. বখতিয়ার আহমেদ, মুন্সীগঞ্জে অসীম কুমার মৃধা, বুড়িগোয়ালিনীতে ভবতোষ কুমার মন্ডল, আটুলিয়ায় গাজী কামরুল ইসলাম, পদ্মপুকুরে এস, এম, আতাউর রহমান, গাবুরায় জি, এম, শফিউল আযম লেনিন, কৈখালীতে জি, এম, রেজাউল করিম ও রমজান নগরে মো. শাহনুর আলম। তালা উপজেলার কুমিরায় শেখ আজিজুল ইসলাম।
বরিশাল বিভাগ

বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউপিতে মুঃ সাইদুজ্জামান মামুন, ছোটবাইশদিয়ায় এ, বি, এম, আবদুল মান্নান, চালিতাবুনিয়ায় মুঃ জাহিদুর রহমান ও চরমোন্ডাজে এ. কে. সামসুদ্দিন।

কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউপিতে মো. বাবুল মিয়া, টিয়াখালীতে সৈয়দ মশিউর রহমান, চাকামইয়াতে মো. হুমায়ন কবির।

ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা মো. শাহাজাদা তালুকদার, কাচিয়ায় আঃ রব কাজী, হাসাননগরে মো. আবেদ, টগবীতে মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, পক্ষিয়ায় মো. আবুল কালাম, বড়মানিকায় জসিমউদ্দিন, কুতুবায় নজমুল আহাসান। তজুমুদ্দিন উপজেলার সোনাপুরে মেহেদী হাসান।

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দিতে গাওসেল আলম খান (লাল), দুর্গাপাশায় মো. হানিফ তালুকদার ও নিয়ামতিতে মতিউর রহমান (বাদশা)। বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশায় মো. দেলোয়ার হোসেন। হিজলা উপজেলার ধূলখোলায় এ কে এম জসীম উদ্দিন।

ট্যাগ: নৌকা

রাজনীতি
সাংবাদিকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শামীম ওসমান

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান। এজন্য তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পেশাগত কাজে নারায়ণগঞ্জে যাওয়া সাংবাদিকদের মা-বাবার জন্যও দোয়া করেন আলোচিত এই সংসদ সদস্য।

রবিবার বিকাল পৌনে চারটার দিকে হঠাৎ করে শহরের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন শামীম ওসমান। তিনি গত সংসদ নির্বাচনে সিটি করপোরেশনের বাইরে এনায়েতনগর ইউনিয়নে ভোটার ছিলেন। ফলে সবার ধারণা ছিল সিটি নির্বাচনে তার ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।

আপনি একাধিকবার আপনার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন, কারণ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই রাজনীতিক বলেন, ‘এর আগে জাতীয় নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভোট দিয়েছি। এবার সিটি নির্বাচনে মনে হয়েছে আমার একটি ভোট দেওয়া দরকার, তাই আমি এখানকার ভোটার হয়েছি। অনেকেই আমার বাড়ি থেকে কাউকে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন, এ কারণে আমি আগে থেকেই নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে নিয়েছিলাম। আমি চাইনি পলিটিক্স উত্তরাধিকারী সূত্রে হোক, পলিটিক্স যোগ্যতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।’

শামীম ওসমান বলেন, ‘ভালো ভোট হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের জন্য কার অবদান কী, কাদের কী অবদান সেটা আসলে বিষয় না। আমি প্রথমে সাংবাদিকদের থ্যাংকস জানাবো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকেও থ্যাংকস। এখানে মাত্র পাঁচ লাখ ভোটের নির্বাচন কভার করার জন্য এতসংখ্যক সংবাদকর্মীরা এসেছেন। কোথাও সমস্যা হলে দ্রুত আপনাদের টিম চলে গেছে। সাংবাদিকদের কারণে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।’

সাংসদ বলেন, ‘সাংবাদিকরা যে পরিশ্রমটা করেছেন নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু ভোটের জন্য সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। দোয়া করা ছাড়া আর কিছু আমার দেওয়ার নেই। আল্লাহ আপনাদের পিতামাতাকে হেফাজত করুন। যারা বেঁচে নেই তাদের শান্তিতে রাখুন।’

ট্যাগ:

রাজনীতি
ইভিএমে কারচুপির জন্য পরাজিত হয়েছি: তৈমূর

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রায় ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেছেন, ইভিএমে কারচুপির কারণে তিনি পরাজিত হয়েছেন। এছাড়া তার পক্ষের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে পরাজিত হলেও নিজেকে জনগণের ভালোবাসায় জয়ী বলে দাবি করেন।

রবিবার রাতে নিজ বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর বলেন, ‘এটা আমাদের নয়, সরকারের পরাজয়। একা খেলা দরকার ছিল, খেইলা দিছি। আমি না দাঁড়ালে নির্বাচনইতো হতো না। কোনো সমস্যা নেই, আল্লাহ ভরসা।’

ইভিএমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ত্রুটিপূর্ণ ও স্লো ছিল। অনেক লোক ভোট দিতে পারেনি। ইভিএমের কারচুপির জন্য আমাদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই যারা নির্বাচনে আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আমার লোকজন বাড়িতে থাকতে পারেনি। এটিএম কামালের মতো লোককে ঘেরাও করা হয়েছে গ্রেপ্তারের জন্য।’

তৈমূর বলেন, ‘ঢাকার মেহমানদের অতিরঞ্জিত কথার পরে গ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীর কবির নানককে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, ১২ ও ১৩নং ওয়ার্ড তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ১৩নং ওয়ার্ডে আমি থাকি, আমার ভাই তিনবারের কাউন্সিলর। আর ১২নং ওয়ার্ড সরকারি এমপির ওয়ার্ড। আমি বললাম সরকারই যদি তার এমপির কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তাহলে আমার কিছু করার নেই। আমার কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।’

পরাজিত প্রার্থী বলেন, ‘জনগণের ভালোবাসায় আমরা জয়ী, তাদের প্রতি, মিডিয়ার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। প্রতিটি ঘটনা আমি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আমার সমন্বয়ককে কাগজসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার মাধ্যমেই শুরু হয় এবং আমার লোকজন প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হতে থাকে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখবেন হেফাজতের মামলা দেওয়া হয়েছে সবাইকে। এদের মধ্যে হিন্দু লোকও আছে। এখন দেখা যায় মুসলমান তো করেই, হিন্দুরাও হেফাজত করে। আজ সকাল থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বন্দরের সমন্বয়ককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমার চিফ এজেন্টের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অবস্থায় একটা মানুষ স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে কীভাবে ঠিক থাকতে পারে। তারপরেও জনগণ আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

বিজয়ী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তৈমূর বলেন, ‘তার বিষয়ে আগেও মন্তব্য করিনি, এখনো করবো না। এটা খেলা হয়েছে সরকার বনাম জনগণ, সরকার বনাম তৈমুর আলম খন্দকার। আমি সিটি করপোরেশনের জন্য কী করেছি তা তাকে জিজ্ঞেস করেন। নারায়ণগঞ্জবাসী এগুলো জানে।’

এ সময় বিএনপির পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই নেতা দাবি করেন, বিএনপি আমার রক্তের সাথে মিশে গেছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
নারায়ণগঞ্জ সিটিসহ পরবর্তী নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ হবে: কাদের

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারাদেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অত্যন্ত আনন্দমুখর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করছি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনসমূহ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে ওসতুমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং কমিশনের কাজে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এবং আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে সরকার সর্বদা কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। আশা করি, আগামীতে যেকোনো ধরনের নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনী আরও তৎপর থাকবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপ চলমান রয়েছে। স্টেকহোল্ডার হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ১৭ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নিবে। একটি অর্থবহ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শক্তিশালী কমিশন গঠনে আওয়ামী লীগের মতামত ও প্রস্তাবনা সংলাপে উপস্থাপন করা হবে। আমরা মনে করি, পারস্পরিক আলোচনা যেকোনো জটিল সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। সংঘাত, সহিংসতা, জনমতবিরোধী তৎপরতা গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে আলাপ-আলোচনা, সংলাপ, পরমতসহিষ্ণুতা গণতন্ত্র বিকাশের পথকে কুসুমিত করে। যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে না, তারা রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ও প্রচলিত গণতান্ত্রিক রীতি-নীতিতে শ্রদ্ধাশীল নয়; তারা সংলাপে আস্থা রাখে না। বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করতে চায়।’

বিএনপি নেতারা বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সমাবেশের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার উস্কানি দিচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ কেউ আরেকটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছেন; ডাইরেক্ট অ্যাকশনের হুমকি দিচ্ছেন। আসলে পায়ের নিচে মাটি নেই বলে এসব তাদের নিজেদের ওপর ঝেঁকে বসা ভয় তাড়ানোর নির্জীব হুংকার। আত্মবিশ্বাস হারানো এক ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক দলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানতে চাই, কাদের নিয়ে তারা যুদ্ধ করবেন? কেন যুদ্ধ করবেন? তাদের যুদ্ধ কী লুটপাট, দুর্নীতি আর অরাজকতা সৃষ্টির জন্য? আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত। যারা মানুষের মৌলিক অধিকার হরণকারী, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষক, উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং যারা স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা ও স্বেচ্ছাচারিতামূলক অপরাজনীতির উত্তরাধিকার তাদেরকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের যেকোনো ধরনের আস্ফালনকে সর্বাত্মকভাবে প্রতিহত করা হবে।’

ট্যাগ:

রাজনীতি
স্ত্রীসহ বিএনপি মহাসচিব করোনায় আক্রান্ত

banglanewspaper

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা। তবে শারীরিকভাবে দুজনই সুস্থ আছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তারা দুজনই বর্তমানে উত্তরার বাসায় আছেন।

জানা গেছে, সোমবার করোনার পরীক্ষার পজিটিভ রিপোর্ট পান মির্জা ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা। মঙ্গলবার রিপোর্ট পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুজনই উত্তরার বাসায় আইসোলেশনে আছেন। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

করোনা সংক্রমণের প্রায় দুই বছরে বিএনপির অনেক কেন্দ্রীয় নেতাই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে দলের ভাইস চেয়ারম্য্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, কেন্দ্রীয় নেতা খুররম খান চৌধুরী, খন্দকার আহাদ আহমেদ, আবদুল আউয়াল খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানসহ বেশ কয়েকজন নেতা মারা গেছেন।

ট্যাগ:

রাজনীতি
আর যাই বলুন গডমাদার বলবেন না: শামীম ওসমান

banglanewspaper

সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে গডফাদার আখ্যা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটির নৌকার মেয়রপ্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা নিয়ে মুখ খুললেন শামীম ওসমান। আলোচিত এই সংসদ সদস্য অনুরোধ করেছেন, ‘আর যাই বলা হোক, তাকে যেন ‘গডমাদার’ না বলা হয়।

সোমবার দুপুরে নানা ইস্যু নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে প্রচারণার সময় শামীম ওসমান এবং তার ভাই জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে নিয়ে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এসময় তিনি শামীম ওসমানকে গডফাদার বলে মন্তব্য করেন।

আইভীর এমন বক্তব্য নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে চুপ থাকলেও আইভীর মন্তব্যের পর কথা বলেন শামীম ওসমান। নারায়ণগঞ্জের আলোচিত এই সংসদ সদস্য গতকাল বলেছিলেন তার বিরুদ্ধে আইভীর এমন বক্তব্য দেওয়াসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে করবেন তিনি।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- সেলিনা হায়াৎ আইভী আপনাকে গডফাদার বলে বক্তব্য দিয়েছেন। জবাবে শামীম ওসমান বলেন, ‘একই লোক আমাকে একদিন বললেন গডফাদার। একদিন আগে বললেন ব্রাদার। তারও একদিন আগে বললেন ভাই। এখন কেউ যদি কিছু বলে শান্তি পায় তাতে আমার সমস্যা নেই। কিন্তু দয়া করে গডমাদার বলবেন না।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এই সাংসদ বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি অন্তর দিয়ে, আবেগ দিয়ে। কে কী বললো আমি কেয়ার করি না। কেউ কিছু বলে শান্তি পেলে বলুক, বলতে দেন। আমি নীলকণ্ঠের মতো, সব হজম করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এত সমালোচনা সহ্য করে, বিষ হজম করে যদি রাজনীতি করতে পারেন আমরা কেন পারবো না।’

শামীম ওসমান ও নাসিম ওসমানের প্রার্থী তৈমূর নৌকার প্রার্থী আইভীর এমন বক্তব্যের জবাবে শামীম ওসমান বলেন, আসলে নির্বাচন করতে গেলে অনেক সময় স্ক্রু ঢিলা হয়।

ট্যাগ: