banglanewspaper

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘বঙ্গবন্ধু’। এ সিনেমার সঙ্গে এবার যুক্ত হলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সিনেমাটির টিক্কা খানের চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর বিএফডিসিতে এই চলচ্চিত্রের ডিরেক্টর অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স ঈশান রাজা বাঙ্গালীর উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন জায়েদ খান। এ সিনেমার জন্য মাত্র ১টাকা পারিশ্রমিক নেবেন তিনি।

সোমবার বিকেলে অভিনেতা নিজেই ঢাকা টাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জায়েদ খান বলেন, 'আমি মুম্বাইয়ে অডিশন দিয়ে এসেছি। সেখানেই আমার পোশাকের মাপ নেওয়া হয়েছে। আমি এই চলচ্চিত্রে টিক্কা খানের চরিত্রে অভিনয় করব। বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক একটা স্বপ্নের প্রোজেক্ট। সেই স্বপ্নের অংশ হতে যাচ্ছি, এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের।'

জায়েদ খান আরো বলেন, 'এই সিনেমার পারিশ্রমিক হিসেবে এক (১) টাকা নিচ্ছি। এর কারণ, বঙ্গবন্ধুর জন্য ভালোবাসা থেকে কাজ করতে যাচ্ছি, এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি তো হতে পারে না।'

'বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিকের চিত্রনাট্য লিখেছেন যৌথভাবে অতুল তিওয়ারি ও শামা জায়েদি।আর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ভারতের ফিল্ম সিটি মুম্বাইয়ে চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হয়েছিল।মাঝে বিরতি নিয়ে বাংলাদেশের অংশের শুটিং হয়েছে চলতি মাসেই।

ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত এ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ। শেখ হাসিনার চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া, তাজউদ্দীন আহমদের চরিত্রে রিয়াজ আহমেদ, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশাসহ আরো অনেকে এতে অভিনয় করছেন।

ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত এ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ। শেখ হাসিনার চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া, তাজউদ্দীন আহমদের চরিত্রে রিয়াজ আহমেদ, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশাসহ আরো অনেকে এতে অভিনয় করছেন।

ট্যাগ: ১ টাকা

বিনোদন
আমাকে ও মেহজাবিনকে দিয়ে বাণিজ্য হচ্ছে : আফরান নিশো

banglanewspaper

ছোট পর্দা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জনপ্রিয় জুটি আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী। ক্যারিয়ারে অনেক দর্শকপ্রিয় নাটক-টেলিফিল্ম উপহার দিয়েছেন তারা। এ জুটিকে নিয়ে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

শোবিজে গুঞ্জন আছে- নিশো নাকি সিন্ডিকেট করে মেহজাবিনকে নিয়ে কাজ বেশি করেন। এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিশো বলেন, ‘না, এটি সত্য নয়। আমি কাউকে বেছে নিয়ে কাজ করি না। গল্পের চাহিদা থেকে আমার কাছে যখন কোনো কাজ আসে, তখন প্রযোজক–পরিচালক দেখেন শিল্পীর জনপ্রিয়তা, অভিনয়ের দক্ষতা, যে দুজনকে নিয়ে কাজ হবে, তাদের মধ্যে বোঝাপড়া, তাদের প্রতি দর্শকের চাহিদা কেমন। এসব দেখেই নাটকের পুরো টিম শিল্পী নির্ধারণ করে। কারণ, প্রযোজক কাজ করেন বাণিজ্য করার জন্য। বাণিজ্য যাদের দিয়ে হবে, তাদের নিয়েই কাজ করবেন। সেটা মেহজাবিন, তানজিন তিশা যে কেউ হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযোজক ও পরিচালক ভাবেন, আমাকে আর মেহজাবিনকে দিয়ে বাণিজ্য হচ্ছে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দুজনের একসঙ্গে কাজ পছন্দও করছেন দর্শক। সত্যি কথা কী, কার সঙ্গে কার কাজ হবে, না হবে, সেটা এখানকার পরিবেশই ঠিক করে দেয়।’

বর্তমানে স্টেজ শোসহ নানান ধরনের ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন আফরান নিশো। এ প্রসঙ্গে তিনি সেই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘সামগ্রিকভাবে আমি নাটকের মানুষ। এর বাইরে আমি আগে কিছুই করতাম না। শুধুই নাটকের কাজ আমার কাছে এখন একধরনের চাপ মনে হয়। দেশজুড়ে আমার হাজার হাজার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। তাদের প্রতি আমার দায়িত্বও আছে। কদিন আগে কুমিল্লায় একটি শোরুমের উদ্বোধনীতে গিয়েছিলাম। সেখানে ভক্তদের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত হয়েছি। ইচ্ছা হয় দেশের ৬৪টি জেলাতেই সশরীরে যেতে। শুটিংয়ে গেলে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলার সময় হয় না। অন্য কোনো কাজে গেলে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাওয়া যায়। এটি কিন্তু আবেগেরও একটা জায়গা। এটি শিল্পী ও ভক্তের মেলবন্ধন তৈরি করে। এ কারণে এখন এ ধরনের কাজ করছি। ভক্তদের কাছাকাছি যাচ্ছি।’

ছোট পর্দার অনেকেরই বড় পর্দায় অভিষেক ঘটেছে। প্রায় দুই বছর ধরে সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানালেও আর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি নিশোর। তিনি জানিয়েছেন, ‘কোভিডের কারণে সব পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে গেছে। যেসব কাজ নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছিল, পিছিয়ে গেছে। এক-দুইটা কাজ ব্যাটে-বলে মেলেনি, ছেড়ে দিয়েছি। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব ফিল্ম করতে যাচ্ছি। এ মাসেই শুটিং শুরু হবে। পরে বিস্তারিত বলতে পারব। ফিল্ম তো ফিল্মই। হোক সেটা বড় পর্দায় বা ছোট পর্দায়। তা ছাড়া ওটিটির জন্য এসব ফিল্ম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আদলেই তৈরি হচ্ছে।’

ট্যাগ:

বিনোদন
মাইলস ছাড়লেন শাফিন আহমেদ

banglanewspaper

দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল মাইলস। এই নিয়ে চতুর্থবারের মত মাইলসে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (বেজ গিটার, ভোকাল) শাফিন আহমেদ ব্যান্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে এক ভিডিও বার্তায় জনপ্রিয় এই সংগীত তারকা এ ঘোষণা দেন। তবে মাইলস ছাড়লেও গান ছাড়ছেন না তিনি।

ভিডিও বার্তায় শাফিন আহমেদ বলেন, ‘মাইলসের সঙ্গে আমার পথচলা সেই ১৯৭৯ সাল থেকে। বহু বছর পার হয়ে গেছে। অনেক বছর সময় দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি। এবং অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ হয়েছে। মাইলসের যে অবস্থান আজকে সেটার পিছনে আমার কতটুকু অবদান, সেটা আপনাদের অনেকেই জানেন। তবে, একটা সিদ্ধান্ত নিতে আমি বাধ্য হয়েছি সম্প্রতি। সেটা হচ্ছে, এ বছরের শুরুতে আমি সিদ্ধান্ত নেই, মাইলসের বর্তমান লাইন আপের সাথে আমার পক্ষে মিউজিকের কোন কার্যক্রম করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি এই লাইন আপের সাথে মিউজিক করা থেকে বিরত থাকব।’

নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মাইলস নামটার যেন কোন অপব্যবহার না হয়। মাইলসকে নিয়ে আমরা চল্লিশ বছর উদযাপন করেছি খুব গৌরবজ্জ্বলভাবে। আমরা যদি একসাথে কাজ না করতে পারি তাহলে মাইলসের যে কার্যক্রম তা এখনই স্থগিত করা উচিত। এবং এটাই আমি মনে করি বেস্ট ডিসিশান। সুতরাং আমার প্রত্যাশা থাকবে, অন্য কেউ যেন মাইলস নামটার অপব্যবহার না করে।’

এর আগে ২০১০ সালের শুরুর দিকেও একবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ব্যান্ড থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন শাফিন। যদিও কয়েকমাস পর আবারও দলে ফেরেন। এরপর ২০১৭ সালে অক্টোবরেও তিনি আরও একবার ব্যান্ডটি ছাড়ার কয়েকমাস পর দ্বন্দ্ব ভুলে ফের ব্যান্ডে ফিরেছিলেন।

ফরিদ রশিদের হাত ধরে ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্যান্ড দল ‘মাইলস’। দলটির প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালে। তার আগে প্রকাশিত হয় দু’টি ইংরেজি গানের অ্যালবাম ‘মাইলস’ ও ‘এ স্টেপ ফারদার’।

মাইলসের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘গুঞ্জন শুনি’, ‘সে কোন দরদিয়া’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘নীলা’, ‘কি যাদু’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘স্বপ্নভঙ্গ’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘শেষ ঠিকানা’, ‘পিয়াসী মন’, ‘বলব না তোমাকে’, ‘জাতীয় সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইন’ ও ‘প্রিয়তমা মেঘ’।

ট্যাগ:

বিনোদন
শ্রাবন্তীর লকেট নিয়ে যত আলোচনা!

banglanewspaper

একের পর এক বিয়ে, বিচ্ছেদ। ব্যক্তিজীবনের নানা ইস্যুতে প্রায়ই খবরের শিরোনামে উঠে আসেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরকাড়া ও খোলামেলা ছবি পোস্ট করেও আলোচনার জন্ম দেন তিনি। এবার চর্চার টেবিলে উঠে এলো শ্রাবন্তীর গলার লকেট!

গেল শনিবার (২৭ নভেম্বর) ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন শ্রাবন্তী। সেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে-পরনে কালো রঙের হাতকাটা টি-শার্ট। মেকআপবিহীন শ্রাবন্তীর দুধে-আলতা ত্বক থেকে উপচে পড়ছে গ্ল্যামার। মাথার চুল পনি টেল করে বাঁধা। ছবিতে তার খোলামেলা রূপ যেমন নজর কেড়েছে। তবে শরীরি সৌন্দর্যের বাইরে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে তার গলার লকেট। যা নিয়ে চলছে দারুণ আলোচনা। ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘জাস্ট লাইক দ্যাট।’

সোনালি রঙের এই লকেটে কার নাম লেখা রয়েছে? এই প্রশ্নই এখন অনেকের। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শ্রাবন্তীর গলার লকেটে লেখা রয়েছে ‘জিন্টু’। জানা যায়, শ্রাবন্তীকে তার বাড়ির সবাই এই নামেই ডাকেন।

শ্রাবন্তীকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘লকডাউন’ সিনেমায়। অভিমন্যু মুখার্জি পরিচালিত সিনেমাটিতে তার সহশিল্পী ছিলেন আদৃত রায়, ওম সাহানি ও সোহম চক্রবর্তী প্রমুখ। বর্তমানে তার হাতে বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘কাবেরি অন্তর্ধান’, ‘খেলাঘর’, ‘ধাপ্পা’ ও ‘অচেনা উত্তম’। এছাড়া বাংলাদেশে ‘বিক্ষোভ’ নামের একটি সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত আছেন তিনি।

অভিনয়ের বাইরে রাজনীতিতেও সরব হয়েছিলেন শ্রাবন্তী। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী ছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু বিজেপির প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে কোনো সুবিধা করতে পারেননি দুই বাংলার জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বিপুল ভোটে হেরে যান তিনি।

গেল ১১ নভেম্বর বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন শ্রাবন্তী। টুইটে তিনি লেখেন, ‘বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের।’

এদিকে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পরই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পদ্ম ছেড়ে শ্রাবন্তীর নয়া গন্তব্য কি জোড়াফুল? কেননা শ্রাবন্তী তার টুইটে বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নের প্রশ্নে দোষারূপ করেছেন।

অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনে তৃতীয় স্বামী রোশান সিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পথে শ্রাবন্তী। যদিও রোশান ফের সংসার করতে চান। কিন্তু অভিনেত্রী বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে অনড়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে তাদের কাদা ছোঁড়াছুড়ি করতেও দেখা গেছে।

এর আগে ২০০৩ সালে পরিচালক রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রাবন্তী। এই দম্পতির সন্তান অভিমন্যু। রাজীবের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর প্রেমিক কৃষাণ ভিরাজকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শ্রাবন্তী ও কৃষাণের বিয়ে হয়। কিন্তু বছর পেরুতেই বিচ্ছেদের কথা জানান শ্রাবন্তী। ২০১৯ সালে রোশানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

ট্যাগ:

বিনোদন
রাকুলের প্রেমিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ!

banglanewspaper

জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং। ভারতের দক্ষিণী সিনেমার পাশাপাশি এখন বলিউডেও নিয়মিত অভিনয় করছেন। এছাড়া প্রযোজক জ্যাকি ভাগনানির সঙ্গে প্রেমের খবরেও আলোচনায় এই অভিনেত্রী।

গত ১০ অক্টোবর জন্মদিনে অভিনেতা-প্রযোজক জ্যাকি ভাগনানির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ করেন রাকুল। এরপর থেকেই তাদের নিয়ে নানা গুঞ্জন চাউর হতে থাকে। সম্প্রতি তাদের বিয়ের গুঞ্জনও ওঠে। যদিও এই অভিনেত্রী জানান, এখন ক্যারিয়ারের দিকেই মনোযোগ দিতে চাইছেন তিনি। সময় হলেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন।

এদিকে রাকুলের আগে অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকারের সঙ্গে জ্যাকি ভাগনানির প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। যদিও পরবর্তী সময়ে গুঞ্জন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে। জ্যাকি এটি নিয়ে কোনো কথা না বললেও ভূমি গুঞ্জনটি উড়িয়ে দেন।

তবে এখানেই শেষ নয়, রাকুলের প্রেমিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগও রয়েছে। গত জুনে জ্যাকিসহ বলিউডের প্রভাবশালী আট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেন এক মডেল। অভিযোগকারী এই নারীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তিনি বলিউডের একজন গীতিকার এবং সাবেক মডেল। এই নারীর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত একাধিকবার যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন তিনি। কেউ বাড়িতে ডেকে, আবার কেউ অফিসে অশালীন ব্যবহার করেছেন। কারও বিরুদ্ধে কাজের বিনিময়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। জ্যাকি ভাগনানি বান্দ্রায় এই নারীকে যৌন হেনস্তা করেছেন বলে অভিযোগ।

জ্যাকি ভাগনানির বাবা বলিউডের স্বনামধন্য প্রযোজক বসু ভাগনানি। বাবার প্রযোজনায় ২০০৯ সালে ‘কাল কিসনে দেখা’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন জ্যাকি। এরপর ‘ফালতু’, ‘আজব গজব লাভ’, ‘রংরেজ’, ‘ইয়ঙ্গিস্তান’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কিন্তু তার কোনো সিনেমাই বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ দেখেনি।

অভিনয় ক্যারিয়ারে ব্যর্থতার পর প্রযোজক হিসেবে নাম লেখান জ্যাকি। সফলতাও পেয়েছেন। ‘সর্বজিৎ’, ‘জওয়ানি জানেমান’, ‘কুলি নম্বর ওয়ান’, ‘বেল বটম’র মতো সিনেমা প্রযোজনা করেন তিনি।

ট্যাগ:

বিনোদন
কৃষকদের সন্ত্রাসবাদী আখ্যা, কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইয়ার

banglanewspaper

বলিউডের ‍বিতর্কের রানি কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে মুম্বাই পুলিশ। শিখ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তার একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ঘিরে শুরু হয় বিপত্তি।

ওই পোস্টের কারণেই মুম্বাইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে ২৯৫ ধারায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অমরজিৎ সিং সাধু নামের এক ব্যক্তি।

গত ২০ নভেম্বর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঙ্গনা শিখ ধর্মাবলম্বীদের খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদী বলে আখ্যা দেন। তিনি লেখেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাদের নিজের জুতার ভেতর থাকা মশার মতো পিষে মেরেছিলেন।

কঙ্গনার এহেন মন্তব্যেই চটেছে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষেরা। প্রধানমন্ত্রী কৃষি আইন প্রত্যাহার করার পর কঙ্গনা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদীরা আজ সরকারের হাত মচকে দিল। কিন্তু ভুললে চলবে না, একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী এদের জুতার নিচে পিষে দিয়েছিল। দেশকে টুকরো হতে দেননি তিনি। তার মৃত্যুর এতো বছর পরেও তাকে এরা ভয় পায়। এদের জন্য এমনই গুরু দরকার।’

এর পরই দিল্লি শিখ গুরুদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট মনজিন্দর সিং সিরসা চিঠি লেখেন মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ ওয়ালস পাটিলকে। কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার দাবি করেন তিনি।

সিরসা লেখেন, ‘ইচ্ছা করে বারবার কৃষক আন্দোলনকে খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদ বলে দাবি করেছেন কঙ্গনা।

পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে সিরসা লেখেন, যেন অবিলম্বে কঙ্গনার পদ্মশ্রী সম্মান কেড়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে কঙ্গনার বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ করেন শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষেরা।

ট্যাগ: