banglanewspaper

ছোটখাটো যেকোনো ধরনের হতাশায় আমাদের যুবসমাজ বর্তমানে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে এই প্রবণতা। আর এমনি এক গল্প নিয়ে আত্মহত্যাবিরোধী 'জীবন পাখি' শিরোনামের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে নির্মাতা আসাদ সরকার।

ছবিটিতে অভিনয় করেছেন থিয়েটার কর্মী চলচ্চিত্রের নতুন মুখ লাবন্যক লাবনী। ইতোমধ্যে ছবিটির শুটিং শেষ হয়েছে। আসছে নতুন বছর ছবিটি মুক্তি দেয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা জানিয়ে লাবনী বলেন, থিয়েটার দিয়ে আমার অভিনয়ের হাতেখড়ি হয় মূলত। প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল ভিন্ন ঘরানার গল্পে কাজ করার। "জীবন পাখি"র গল্প শুনে মনে হয়েছিল বেশ ভিন্নতা আছে এতে। দেশের প্রথম আত্মহত্যা বিরোধী চলচ্চিত্রের অংশ হতে পারা অবশ্যই গর্বের ও আনন্দের ব্যাপার।

লাবনী বলেন, প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে প্রচন্ড চাপ নিয়ে কাজ করতে হয়েছে, কারন মায়া চরিত্র টি বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল আমার জন্য। দেশবরেণ্য সব অভিনয় শিল্পী দের সাথে স্ক্রিন শেয়ার করার অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে চমৎকার ছিল।

পুরো টিমের মধ্যে আমি বোধহয় মোস্ট জুনিয়র আর্টিস্ট ছিলাম। সেই জায়গা থেকে সবার অনেক সাপোর্ট পেয়েছি যার ফলে কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল। যেহেতু আমরা এই সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের আত্মহত্যার বিপক্ষে দাঁড়ানোর আহবান জানাচ্ছি তাই আমার মনে হয় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি তে "জীবন পাখি" বড় ভূমিকা রাখবে।

এদিকে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বেশ কিছু বিজ্ঞাপন ও নাটকে কাজ করেছেন লাবনী।

নির্মাতা জানালেন, হতাশ তরুণদের জীবনমুখী করার বাসনা নিয়েই তিনি কাহিনি রচনা করেছেন।

জলছবি মিডিয়া প্রযোজিত ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন, আবুল কালাম আজাদ, মোহনা মীম, সুজন হাবীব, ফাতেমা তুজ জোহরা, আব্দুল আজিজ, আবু হেনা রনি প্রমুখ।

ট্যাগ: জীবন পাখি

বিনোদন
বিজেপি ছেড়ে আসা শ্রাবন্তী আপন হতে চান মমতার

banglanewspaper

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ না হতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপি ছেড়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির মোহ কাটিয়ে এবার বুঝি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলে যোগ দিয়ে ফেললেন। সোমবার বাসন্তী ব্লকের মসজিদবাটিতে তৃণমূলের দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। সেখানেই শেষ নয়, সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে নায়িকা বললেন, আমাকে আপন করে নিন।

এদিন বাসন্তীর এই সভায় ছিলেন ঘাসফুল শিবিরের পাঁচ বিধায়ক। শওকত মোল্লা, পরেশরাম দাস, সুব্রত মণ্ডলদের সামনেই শ্রাবন্তী জানান, ‘আমি বাংলার জন্য কাজ করতে চাই। বাংলারই মেয়ে আমি। মমতাদি’কে অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আমায় আপন করে নিন। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করতে চাই’।

গত ১১ নভেম্বর ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করছিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। দু-সপ্তাহ পার হতে না হতেই তৃণমূলের সভামঞ্চে শ্রাবন্তী। তবে কি ফুলবদল করলেন নায়িকা? যোগ দিলেন তৃণমূলে এই প্রশ্নই এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে।

এখানেই চমকের শেষ নয়, এদিন শ্রাবন্তীকে সভামঞ্চ দলীয় উত্তরীয় পরিয়ে দলের তরফে সম্মান জানানো হয়, ফলে স্পষ্ট বিজেপি ছাড়লেও রাজনীতির ময়দান থেকে সরতে নারাজ শ্রাবন্তী। বরং শিবির বদলে এবার মমতার ছত্রছায়ায় রাজনৈতিক কেরিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

শ্রাবন্তী আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি অভিনেত্রী। তবে বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল জানান, ‘শ্রাবন্তী এখন তৃণমূলে, অন্য কোনো দলে নেই’। পুরো ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতিতে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি পুরনির্বাচনের আগেই তৃণমূল শিবিরে আরও তারকা প্রাপ্তি?

চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে আচমকা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী। কিন্তু ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন ঘরের মেয়ে শ্রাবন্তী। তারপর থেকেই বিজেপির সঙ্গে আলগা হয় শ্রাবন্তীর সম্পর্ক। এরপর অগস্ট মাসে নায়িকার জন্মদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে শুভেচ্ছা চিঠি পাঠালে আপ্লুত হয়ে দিদির প্রতি ভালোবাসা জাহির করেন শ্রাবন্তী। তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল অভিনেত্রীর তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা, আর সেই জল্পনায় এদিন কার্যত সিলমোহর পড়ল।

ট্যাগ:

বিনোদন
বাবার পরাজয় মানতে পারছেন না সায়মন

banglanewspaper

দেশজুড়ে চলছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছিলেন চিত্রনায়ক সায়মন সাদিকের বাবা মো. সাদেকুর রহমান। তবে জিততে পারেননি। হেরে গেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলীর কাছে।

গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। সেখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলী আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাদেকুর রহমানের থেকে এক হাজার ১১১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তবে বাবার এই পরাজয় মানতে পারছেন না জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা সায়মন সাদিক। তিনি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রে আবারও ভোটগ্রহণের দাবি করেছেন ।

মঙ্গলবার একটি সংবাদ সম্মেলন করে সায়মন বলেন, ‘৩ নং কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি এবং ৮ নং কেন্দ্রে নৌকার ব্যালট ছিড়ে ফেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে ইউএনওর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাবো।’

চেয়ারম্যান পদে বাবাকে বিজয়ী করতে সিনেমার সব শিডিউল বাতিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় কাজ করেন সায়মন। দিন-রাত চষে বেড়ান নির্বাচনী মাঠ। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা ও সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট চান পাড়া-মহল্লার প্রতিটি ঘরে।

সায়মনের বাবা সাদেকুর রহমান মহিনন্দ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা। মাঝে একটা বিরতির পর এ বছর আবার তাকে মনোনয়ন দেয় দল থেকে। কিন্তু হেরে গেলেন অল্প ভোটে। এবার দেখার পালা, সায়মনের পদক্ষেপে কোনো আশার আলো খুঁজে পান কি না তার বাবা।

ট্যাগ:

বিনোদন
জিতের জন্মদিনে সায়ন্তিকার ভালোবাসার বার্তা

banglanewspaper

ওপার বাংলার অন্যতম সেরা সুপারস্টার জিৎ। আজ মঙ্গলবার তার জন্মদিন। বিশেষ এ দিনে জিৎকে নিয়ে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা ও তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী। ফেসবুকে দিয়েছেন দীর্ঘ এক স্ট্যাটাস। সেখানে অভিনেত্রী বলেছেন, তিনি নাকি প্রথমবার দেখেই নায়ক জিতের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। জিতের `আওয়ারা‘ ছবির নায়িকার সেই লেখা হুবহু তুলে দেওয়া হল।

‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’-এর কথা অজস্র বার শুনেছি। ছোট থেকে হিন্দি ছবিতে দেখেছিও। নায়ককে দেখেই নাকি নায়িকা প্রেমে পড়ে যায়। কখনও আবার উল্টোটা। ভাবতাম, এই প্রথম দেখায় প্রেম-টেম শুধু ছবিতেই হয়। আমার মতো সাধারণ মেয়ের সঙ্গে কি এসব হতে পারে! আমি তো আর ‘কাভি খুশি কাভি গম’-এর কাজল নই, যে শাহরুখ খান আমাকে দেখেই প্রেমে এক্কেবারে হাবুডুবু খাবে! কিন্তু জিৎ-দা এসে আমার যাবতীয় ভাবনা, অবিশ্বাসকে এক লহমায় তছনছ করে দিয়ে চলে গেল। প্রথম দর্শনেই ধপাস করে ওর প্রেমে পড়ে গেলাম!

সে বহু বছর আগের কথা। তখন আমি স্কুলে পড়ি। শুনেছিলাম কোনো এক নতুন নায়কের ছবি আসছে। নাম ‘সাথী’। মা-বাবাকে রাজি করিয়ে ছুট দিয়েছিলাম প্রেক্ষাগৃহে। সেই সময়ে ঝাঁ চকচকে মাল্টিপ্লেক্স ছিল না। ছিল না কাউন্টার থেকে ভেসে আসা ক্যারামেল পপকর্ণের মিষ্টি গন্ধ। কাঠের শক্ত চেয়ারে বসে আলো-আঁধারি হলের পর্দায় প্রথম দেখেছিলাম জিৎ-দাকে। সেই যে দেখলাম, প্রেমে পড়ে গেলাম। ‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’। সেই প্রেম রয়েই গেল। তখনও কি জানতাম, এই মানুষটার সঙ্গেই এক দিন ছবি করব? তার নায়িকা হব?

কাট টু ২০১২। ‘আওয়ারা’ ছবিতে আমি জিৎ-দার নায়িকা। মানে সুপারস্টার জিতের নায়িকা। তার আগেও বেশ কিছু ছবি করেছিলাম। ক্যামেরার সঙ্গে আলাপটা মোটামুটি হয়েই গিয়েছিল। কিন্তু প্রিয় নায়কের বিপরীতে কাজ করব ভেবেই ভয়ে-আনন্দে হাত-পা যেন অবশ হয়ে যাচ্ছিল। এই ছবির প্রস্তাব আমার কাছে হঠাৎ করেই এসেছিল! আচমকা একদিন মহেন্দ্র সোনি আর শ্রীকান্ত মোহতা ফোন করে বললেন, তারা একটি ছবির বিষয়ে আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। আমিও সাত-পাঁচ চিন্তা না করে হায়দ্রাবাদের বিমানে উড়ে গেলাম। সেখানেই রবি স্যার (রবি কিনাগি, ছবির পরিচালক) আমার পরীক্ষা নেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই জানতে পারি, আমি জিৎ-দার নায়িকা! তখন যে ঠিক কতটা খুশি হয়েছিলাম, সেটা এখনও লিখে বুঝিয়ে উঠতে পারব না। পরে জেনেছিলাম, জিৎ-দাই নাকি আমাকে এই ছবিতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। এই ছবি আমাকে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ দিয়েছে। ওর কাছে আমি সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।

হায়দ্রাবাদ, মালয়েশিয়া, লাদাখ- নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে শ্যুট করেছিলাম আমরা। আমার যখন শট থাকত না, জিৎ-দাকে দেখতাম। বাধ্য ছাত্রীর মতো শেখার চেষ্টা করতাম। ভুল হলে জিৎ-দা কোনো দিন বকাবকি করেনি। ও খুব শান্ত ভাবে ভুলটা ধরিয়ে দিত। এ রকম ঠাণ্ডা মাথার মানুষ আমি খুব কম দেখেছি। এখনও যখন ছোটপর্দায় ‘আওয়ারা’ চলে বা কোথাও ছবির গানগুলো শুনি, সে দিনগুলোর কথা ছবির মতো চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

জিৎ-দার সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু মাত্র পেশাদারি নয়। ও আমার খুব কাছের একজন বন্ধু। ওকে আমি শ্রদ্ধা করি। ভালোবাসি। মাঝেমধ্যে বলেও ফেলি, ‘জিৎ-দা আমি তোমাকে ভালোবাসি। আই লাভ ইউ। তোমাকে যদি বিয়ে করতে পারতাম!’ জিৎ-দা আমার কথা শুনে হাসে। তারপর আমার পিঠে স্নেহের হাত রেখে বলে, ‘আই লাভ ইউ টু বাবু’। ওর মুখে এই কথা শুনে এখনও একজন ‘ফ্যানগার্ল’-এর মতোই আনন্দ পাই। অনেকেই ‘আওয়ারা’ দেখে আমার সঙ্গে জিৎ-দার রসায়নের প্রশংসা করেন। আমি বলি, জিৎ-দার প্রতি আমার মনে যে প্রেম আছে, সেই প্রেমই মনে হয় পর্দায় ফুটে উঠেছিল!

জিৎ-দার থেকে অনেকেই অনেক কিছু শিখতে পারেন। কিন্তু নারীকে কীভাবে সম্মান করা উচিত, সেটা বোধহয় ওকে দেখলে সব থেকে ভালো ভাবে শেখা যায়। পেশাগত জীবনের বাইরেও কোনো সমস্যায় পড়লে আমি জিৎ-দার কাছে ছুটে যাই। ওর থেকে পরামর্শ চাই। কারণ জিৎ-দা কখনও মন ভোলানো কথা বলে না। আমি যেটা শুনে আনন্দ পাব, ও সেটা বলবে না। বরং যেটা করলে আমার ভালো হবে, ও আমাকে সেটাই করতে বলবে। এ রকম নির্ঝঞ্ঝাট, সৎ, কাজ-পাগল মানুষ আমি জীবনে খুব কম দেখেছি। ওর জন্মদিনে আরও একবার বলব, এই মানুষটাকে আমি সত্যিই খুব ভালোবাসি।

জিৎ-দার জন্মদিনে ওকে নিয়ে লিখতে বসে কত কথাই মনে আসছে। সবটা ভালো করে লিখেও উঠতে পারছি না। আবেগের কাছে শব্দ কি আর ধোপে টেকে! আমার কাছে জিৎ-দা আর প্রেম সমার্থক। সেই কবে থেকে এই মানুষটাকে ভালোবাসছি। এখনও ভালোবাসি, ভবিষ্যতেও ভালোবাসব।

জিৎ-দা তুমি আক্ষরিক অর্থেই ‘নায়ক’। যে নায়ক পাশে থাকতে জানে, ভালোবাসতে জানে। জানে ঠিক-ভুলের যাচাই করতে। যা কিছু ভালো, সবই তুমি জয় করেছ। জন্মদিনে উপহার হিসেবে এই লেখা আর শ্রদ্ধা ছাড়া তোমাকে আর কী-ই বা দেব!

ট্যাগ:

বিনোদন
ক্যাটরিনা-ভিকির নতুন ফ্ল্যাটের ভাড়া কত জানেন?

banglanewspaper

আর মাত্র কদিন পরেই ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশলের বিয়ে। ভক্ত অনুরাগীদের জল্পনা-কল্পনার চোখ এখন এই কাপলদের ঘিরেই। কেমন জাঁকজমক হবে ক্যাটরিনার বিয়ে?

বলিউড তারকার এই বিয়ে নিয়ে বিভিন্ন খবর ভাসছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে। মুম্বাই থেকে রাজস্থান এখন শুধুই বিয়ে কেন্দ্রিক আলোচনার খবর।

রাজস্থানের একটি বিলাসবহুল প্রাসাদে বিয়ে করবেন দুই তারকা। আর বিয়ের পর ভিকি-ক্যাটরিনা যে বাসায় থাকবেন, সেই বাসার ফ্ল্যাটের ভাড়া বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।

খবরে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের জুহুতে পাঁচ বছরের জন্য একটি বাসার আট তলায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন ক্যাট-ভিকি। বিয়ের পর সেখানেই থাকবেন তারা। এখনই সেই ফ্ল্যাটের কাজ ৯৮ শতাংশ প্রস্তুত হয়ে গেছে। আর ভিকি ও ক্যাটরিনার বিয়ে শেষ হতে হতেই বাকি ২ শতাংশ কাজও তৈরি হয়ে যাবে।

সেই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেওয়ার সময়ে প্রায় এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা জমা রেখেছেন ভিকি। প্রথম ৩৬ মাস ভিকি এবং ক্যাটরিনা প্রতি মাসে ৮ লাখ টাকা করে ভাড়া দেবেন। তার পরের ১২ মাস ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা করে এবং তার পরের এক বছর ধরে প্রতি মাসে ৮ লাখ ৮০ হাজার করে টাকা দেবেন।

এতো টাকা খরচের বিষয়ে ভক্তদের তো চোখ ছানাবড়া। অনেকেই বলছেন, প্রতি মাসে এত টাকা ভাড়া দিলে তাদের সংসার চলবে কীভাবে!

যদিও আগামী বছরে ভিকি ও ক্যাটরিনা দুজনেরই চারটি করে ছবির চুক্তি রয়েছে এখন পর্যন্ত। সে হিসেবের আয় কত তাও অজানা রয়েছে।

ট্যাগ:

বিনোদন
আমাকে ও মেহজাবিনকে দিয়ে বাণিজ্য হচ্ছে : আফরান নিশো

banglanewspaper

ছোট পর্দা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জনপ্রিয় জুটি আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী। ক্যারিয়ারে অনেক দর্শকপ্রিয় নাটক-টেলিফিল্ম উপহার দিয়েছেন তারা। এ জুটিকে নিয়ে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

শোবিজে গুঞ্জন আছে- নিশো নাকি সিন্ডিকেট করে মেহজাবিনকে নিয়ে কাজ বেশি করেন। এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিশো বলেন, ‘না, এটি সত্য নয়। আমি কাউকে বেছে নিয়ে কাজ করি না। গল্পের চাহিদা থেকে আমার কাছে যখন কোনো কাজ আসে, তখন প্রযোজক–পরিচালক দেখেন শিল্পীর জনপ্রিয়তা, অভিনয়ের দক্ষতা, যে দুজনকে নিয়ে কাজ হবে, তাদের মধ্যে বোঝাপড়া, তাদের প্রতি দর্শকের চাহিদা কেমন। এসব দেখেই নাটকের পুরো টিম শিল্পী নির্ধারণ করে। কারণ, প্রযোজক কাজ করেন বাণিজ্য করার জন্য। বাণিজ্য যাদের দিয়ে হবে, তাদের নিয়েই কাজ করবেন। সেটা মেহজাবিন, তানজিন তিশা যে কেউ হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযোজক ও পরিচালক ভাবেন, আমাকে আর মেহজাবিনকে দিয়ে বাণিজ্য হচ্ছে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দুজনের একসঙ্গে কাজ পছন্দও করছেন দর্শক। সত্যি কথা কী, কার সঙ্গে কার কাজ হবে, না হবে, সেটা এখানকার পরিবেশই ঠিক করে দেয়।’

বর্তমানে স্টেজ শোসহ নানান ধরনের ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন আফরান নিশো। এ প্রসঙ্গে তিনি সেই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘সামগ্রিকভাবে আমি নাটকের মানুষ। এর বাইরে আমি আগে কিছুই করতাম না। শুধুই নাটকের কাজ আমার কাছে এখন একধরনের চাপ মনে হয়। দেশজুড়ে আমার হাজার হাজার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। তাদের প্রতি আমার দায়িত্বও আছে। কদিন আগে কুমিল্লায় একটি শোরুমের উদ্বোধনীতে গিয়েছিলাম। সেখানে ভক্তদের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত হয়েছি। ইচ্ছা হয় দেশের ৬৪টি জেলাতেই সশরীরে যেতে। শুটিংয়ে গেলে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলার সময় হয় না। অন্য কোনো কাজে গেলে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাওয়া যায়। এটি কিন্তু আবেগেরও একটা জায়গা। এটি শিল্পী ও ভক্তের মেলবন্ধন তৈরি করে। এ কারণে এখন এ ধরনের কাজ করছি। ভক্তদের কাছাকাছি যাচ্ছি।’

ছোট পর্দার অনেকেরই বড় পর্দায় অভিষেক ঘটেছে। প্রায় দুই বছর ধরে সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানালেও আর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি নিশোর। তিনি জানিয়েছেন, ‘কোভিডের কারণে সব পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে গেছে। যেসব কাজ নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছিল, পিছিয়ে গেছে। এক-দুইটা কাজ ব্যাটে-বলে মেলেনি, ছেড়ে দিয়েছি। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব ফিল্ম করতে যাচ্ছি। এ মাসেই শুটিং শুরু হবে। পরে বিস্তারিত বলতে পারব। ফিল্ম তো ফিল্মই। হোক সেটা বড় পর্দায় বা ছোট পর্দায়। তা ছাড়া ওটিটির জন্য এসব ফিল্ম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আদলেই তৈরি হচ্ছে।’

ট্যাগ: