banglanewspaper

কক্সবাজার বিমানবন্দরে রানওয়েতে উড্ডয়নের সময় দুটি গরুর সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ঢাকার শেষ ফ্লাইট উড্ডয়নকালে এই ঘটনা ঘটেছে। বিমানের ডান পাখার ধাক্কায় গরু দুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কক্সবাজার বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক গণমাধ্যমকর্মীদের ফোন রিসিভ করেননি।

তবে, বিমানটি বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। এতে অল্পের জন্য বেঁচে ফিরেছেন ৯৪ যাত্রী। সন্ধ্যা ৭টা ৫মিনিটে যাত্রীসহ বিমানটি ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর সূত্র।

ওই বিমানের যাত্রী কক্সবাজার পৌরসভার বাসিন্দা জানে আলম জানান, মঙ্গলবারের শেষ ফ্লাইট হিসেবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক‌টি ফ্লাইট (BG-438) ৯৪ জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করছিল। হঠাৎ কিসের সঙ্গে যেন ধাক্কা লাগে বিমানটির। এতে তীব্র ঝাঁকুনি হলে সবাই আতংকিত হয়ে দোয়া পড়তে থাকে। আল্লাহর রহমতে আমরা নিরাপদে ৭টা ৫ মিনিটে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পেরেছি। পরে খবর নিয়ে জেনেছি, বিমানের পাখার সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুটি গরু মারা গেছে।

বিমানবন্দর সূত্রও নিশ্চিত করেছে, বিমানটি ৭টা ৫ মিনিটে নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করেছে।

কিন্তু নাম প্রকাশ না করার শর্তে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের সময় হঠাৎ কোথা থেকে যেন দুটি গরু রানওয়েতে চলে আসে। আর বিমানের ডান পাখায় আঘাত লেগে গরু দুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তবে বিমানটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। বিমানের ৯৪ জন যাত্রী নিরাপদে আছেন।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়েটি দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত। বিমানবন্দরের কয়েক পাশে নিরাপত্তা দেয়াল মজবুত না। ফলে কুকুর, গরু ও মানুষের অবাধ যাতায়াত চলে।

ট্যাগ: কক্সবাজার

চট্রগ্রাম
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের আগুন, পুড়ল ১২০০ ঘর

banglanewspaper

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটি ক্যাম্পে আবারও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক হাজার ২০০টি কাঁচাঘর পুড়ে গেছে। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

রবিবার (৯ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শফিউল্লাহকাটা ক্যাম্প-১৬তে এই আগুনের ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

৮ এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬ এর বি/১ ব্লকের মোহাম্মদ আলীর ঘরের গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। পরে আগুন ওই ক্যাম্পের ব্লক-বি ও ব্লক-সি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ৮ এপিবিএনের অফিসার ফোর্স এবং ফায়ার সার্ভিসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক এসে কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের থাকার জন্য তৈরি কাঁচা ঘরে এর আগেও বেশ কয়েকবার আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

গত ২ জানুয়ারি (রবিবার) উখিয়ার ২০ এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে আগুন লাগে। সে ঘটনায় পুড়ে যায় হাসপাতালটির ৭০ শয্যা। এতে আট লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্মরণকালের ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে দশ হাজারের বেশি ঘর পুড়ে যায়। মারা যায় ১১ জন।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণ: তিনজন শনাক্ত, হোটেল ম্যানেজার আটক

banglanewspaper

কক্সবাজারে নারী পর্যটককে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে শনাক্তের কথা জানিয়েছে র‌্যাব-১৫। এছাড়া রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) নামে এক হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে।

শনাক্তরা হলেন কক্সবাজার শহরের মধ্যম বাহারছড়া এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে আশিকুল ইসলাম (২৩) ও মোহাম্মদ শফিক ওরফে গুন্ডা শফির ছেলে ইসরাফিল হুদা জয়।

তবে অন্যজনের পরিচয় জানাতে পারেনি র‌্যাব। তবে অন্যজন আবুল কাসেমের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু ওরফে গুন্ডায়া বাবু বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিনকে আটক করলেও বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস।

এর আগে বুধবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে শহরের লাবণী পয়েন্ট থেকে ওই নারী পর্যটককে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে শহরের লাইট হাউজ এলাকার জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেল থেকে একই রাত দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করে র‌্যাব-১৫।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত আশিক সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন। ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনই কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এসএম সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী। ঘটনার পর থেকে সাদ্দামের সঙ্গে আশিক ও অন্যদের বিভিন্ন সময় তোলা নানা ধরনের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেকে আমার কাছে এসে ছবি তুলেছেন। এরাও তাদের মতো। ছবি থাকলে কি ছাত্রলীগ হয়? অভিযুক্তরা কেউ ছাত্রলীগের পদ-পদবিতে নেই বলেও দাবি করেন তিনি।’

ধর্ষণের শিকার ওই নারী গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন তারা। ওঠেন শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে। বিকেলে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ঘুরতে গিয়ে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যায় পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তিন যুবক তাকে তুলে নিয়ে যান পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে। সেখানে তারা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর তাকে নেওয়া হয় জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেলে। সেখানে ইয়াবা সেবনের পর আরেক দফা তাকে ধর্ষণ করেন ওই তিন যুবক। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে জানিয়ে রুম বাইরে থেকে বন্ধ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা।

ওই নারী আরও জানান, জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় কক্ষের দরজা খোলেন তিনি। তারপর ফোন দেন ৯৯৯-এ। পুলিশ তাকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেয়। আরেকজনের সহযোগিতায় কল দেন র‌্যাবকে। পরে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে পর্যটন গলফ মাঠ এলাকা থেকে স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘বারবার হাতে-পায়ে ধরলেও তারা আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়নি। বেড়াতে এসেছিলাম বেতন পেয়েছি সেই খুশিতে। এখন স্ত্রীর অবস্থা ভালো নয়।’

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির অনুসারী পরিচয় দিয়ে আশিক, বাবু জয়া, রেশাদ, হাসান, আমিনসহ আরও অনেকে হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় মাদক, ছিনতাই, দখলসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে চান না। বুধবারও নারীকে নিয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন আশিকসহ অন্যন্যরা।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে আমরা হোটেল থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধারের পর তার স্বামী-সন্তানকে উদ্ধার করি। এরই মধ্যে তিনজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হোটেল জিয়া গেস্ট ইনের ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় জাতীয় সেবা ৯৯৯ ফোন করে সহযোগিতা চাইলেও ওই নারীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি পুলিশ—এমন অভিযোগ অস্বীকার করে কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, ‘বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ৯৯৯ থেকে কোনো ফোন কক্সবাজার সদর থানায় সংযুক্ত করা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই নারী পর্যটককে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিসে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত (সন্ধ্যা সােয়া ৬টা) এজাহার আসেনি। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন বলা যায়।’

পুলিশ ধর্ষণের শিকার নারীকে উদ্ধারে এগিয়ে না আসা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে দায়িত্বে অবেহলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
হেলে পড়া ভবনের নিচে কোনো ফাউন্ডেশন নেই: সিডিএ

banglanewspaper

নগরীর সদরঘাট থানাধীন মাঝিরঘাট এলাকায় নালার পাশে হেলে পড়া ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান। মঙ্গলবার সকালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ভবন নির্মাণের জন্য দেওয়া নির্দেশনা মানা হচ্ছে না উল্লেখ করে শাহিনুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের প্রায় ১৫ ফুট দূরত্বে স্থাপনা নির্মাণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু তারা তা না মেনে সিটি করপোরেশনের ড্রেনের ওয়ালের ওপর ভবনটি নির্মাণ করেছে। তাছাড়া ভবনের নিচেও কোনো ফাউন্ডেশন নেই। তাই ভবনটি হেলে পড়েছে। প্রকল্পের ১৫ ফুটের মধ্যে থাকা সব স্থাপনা অপসারণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার রাতে সদরঘাট থানার স্ট্র্যান্ড রোডের আনুমাঝির ঘাট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের নালার খনন কাজের সময় দুই পাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী না দেওয়ায় নগরীর সদরঘাট পাবর্ত ফকির এলাকায় একটি চার তলা ভবন হেলে পড়ে। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে একটি মন্দির ও ভবনও। এতে ভবন ধসের আতঙ্কে রাত কাটছে এলাকাবাসীর।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
অসময়ে সেন্টমার্টিন যাত্রা: আটকা পড়েছেন শতাধিক পর্যটক

banglanewspaper

অসময়ে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়েছেন শতাধিক পর্যটক। বৈরী আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে পড়ায় বিকাল থেকে ট্রলারসহ কোনো নৌযান প্রবালদ্বীপ থেকে ছেড়ে আসতে পারেনি। তবে সোমবার বিকালে আবহাওয়া কিছুটা ঠিক হলেও ভাটা হওয়ার কারণে আসতে পারেনি। গত দুদিন যাবত এসব পর্যটক সেন্টমার্টিনে আটকে আছেন।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, দ্বীপে শতাধিক পর্যটক আটকা পরেছেন। তবে আটকে পড়া পর্যটকরা নিরাপদে রয়েছে। প্রতিনিয়ত তাদের খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে পরিষদের পক্ষ থেকে এবং বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

সেন্টমার্টিন থেকে সাজ্জাদুর রহমান বাতেন জানান, আটকে পড়া পর্যটকরা নিরাপদে আছেন। এখানে কেউ তিনদিন আবার কেউ দুদিন আগে আসছেন।

সেন্টমার্টিনের হোটেল সী-প্রবালের পরিচালক আবদুল মালেক জানান, স্পিড ও কাঠের বোট করে শতাধিক পর্যটক মৌসুম শুরুর আগেই সেন্টমার্টিন আসছেন। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় তারা যথাসময়ে ফিরে যেতে পারেননি। অনেকে সঠিক তথ্য না জেনে ধারনা করে তিন শতাধিক পর্যটক আটকে আছেন বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু মূলত আটকে পড়ার সংখ্যা হবে শতাধিক। তিনি পর্যটন মৌসুম শুরুর আগেই জেটি সংস্কারের দাবি জানান।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ চৌধুরী জানান, এখনো সেন্টমার্টিনের সঙ্গে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু না হলেও স্পিডবোট এবং কাঠের ট্রলারে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করছেন। এভাবে সোমবার থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে এসে শতাধিক পর্যটক আর ফিরতে পারেনি। অবস্থা স্বাভাবিক হলে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
হাতিয়ায় জোয়ারের পানিতে ভেসে গেল শিশু

banglanewspaper

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে লিমা আক্তার (৭) নামে এক শিশু। পরিবার ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে নিখোঁজ হয় সে, রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নিখোঁজ শিশুটির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন।

নিখোঁজ লিমা আক্তার সুখচর ইউনিয়নের চর আমান উল্যাহ গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে।

স্থানীয়রা বলছে, অতিরিক্ত জোয়ারের ফলে দুপুরে বাবুলের ঘরে পানি ডুকে পড়ে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে পানির উচ্চতাও বাড়ে। এসময় পরিবারের লোকজনের সাথে নিজ ঘরে ছিল লিমা। সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজনের অজান্তে পানিতে পড়ে গেলে জোয়ারের পানিতে ভেসে যায় সে।

হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, খবর পেয়ে শিশুটির পরিবারের লোকজনকে নিয়ে তাকে খোঁজা হচ্ছে।

এদিকে, বুধবার দুপুর থেকে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে পুকুরের মাছ ও জমির ফসল। ৪-৫ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে সুখচর, নলচিরা, চরঈশ্বরের ৪টি গ্রাম। এছাড়াও অস্বাভাবিক জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের মদিনা গ্রাম, বান্দাখালী গ্রাম, মুন্সি গ্রাম, মোল্লা গ্রাম, আদর্শগ্রাম ও ইউনিয়নের ১,২,৩ ৪ নং ওয়ার্ড।

ট্যাগ: