banglanewspaper

বাংলাদেশের সফল এলডিসি উত্তরণ, একটি ন্যায্য ও স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে অবদান রাখতে সহায়তার জন্য সুইজারল্যান্ড এক হাজার ১০০ কোটি টাকা (সুইস ফ্রাঙ্ক ১১৯ মিলিয়ন) বিনিয়োগ করবে।

ঢাকায় সুইস দূতাবাস একটি নতুন সহযোগিতা কর্মসূচি ২০২২-২০২৫ চালু করার এই ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচি এজেন্ডা ২০৩০-এর সাথে সংযুক্ত এবং এতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো রয়েছে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এই সুইস সহযোগিতা কর্মসূচি এমন এক সময়ে উদ্বোধন করা হলো যখন সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করতে যাচ্ছে।

সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের মহাপরিচালক প্যাট্রিসিয়া ড্যানজি বাংলাদেশে তার পাঁচ দিনের সফরের শেষ দিনে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।

নতুন সহযোগিতা কর্মসূচি সুইস পররাষ্ট্র নীতির অগ্রাধিকার এবং দেশটির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কৌশলের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। সুইস সহযোগিতা কর্মসূচি ২০২২-২০২৫ এর সামগ্রিক লক্ষ্য হলো- বাংলাদেশের টেকসই এলডিসি উত্তরণ, একটি সমৃদ্ধ, ন্যায্য এবং স্থিতিশীল সমাজ গঠন ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে অবদান রাখা।

ড্যানজি তার সফরকালে সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার, সুবিধাভোগী এবং অন্যান্য মূল অংশীজনদের সাথে বিস্তৃত পরিসরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করার জন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এছাড়া তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং কক্সবাজার ও গাজীপুর জেলায় সুইজারল্যান্ডের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন মানবিক ও উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ পরিদর্শন করেন।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে সুইজারল্যান্ড ছিল অন্যতম। গত পাঁচ দশকে, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিস্তৃত এবং গভীরতর হয়েছে। এসময়কালে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, মানবিক সহায়তাসহ রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মকাণ্ড সাধিত হয়েছে। দুই দেশ ২০২২ সালে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে। সূত্র: বাসস

ট্যাগ: সুইজারল্যান্ড

অর্থ-বাণিজ্য
কোন ডালের পুষ্টিগুণ বেশি?

banglanewspaper

ডাল প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস। শুধু প্রোটিনই নয়, ডালের গুণও অনেক। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ডাল পাওয়া যায়। এক এক ডালের স্বাদ এক রকম। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি, ভিটামিন ও খনিজ আমরা এই ডাল থেকেই পেয়ে থাকি। শরীরকে সুস্থ সবল রাখতে ডালের গুরুত্ব অপরিসীম।

এক একজনের পছন্দের তালিকায় এক এক রকম ডাল রয়েছে। তবে আপনি যে ডালই পছন্দ করুন না কেন, তার পুষ্টি গুণ কতটা সেটা অবশ্যই যাচাই করে নেবেন। বাজারে সাধারণত ৫ রকম ডাল পাওয়া যায়। সেই গুলো সম্পর্কে একটু জেনে নিন। তারপর আপনিই পছন্দ করুন কোন ডাল খাবেন।

ছোলা

ছোলায় বিশ শতাংশের কাছাকাছি প্রোটিন থাকে। এ কারণেই ক্রীড়াবিদরা সকালে খেলাধুলা করার আগে নিয়মিত ভিজিয়ে রাখা ছোলা খান। কারণ, এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের দেহে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে পারে ছোলা।

মসুর ডাল

যারা ওজন কমাতে চাইছেন,তাদের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত জরুরি। তার জন্য একটি বিকল্প হল মসুর ডাল। ১০০ গ্রাম মসুর ডালে প্রায় ২৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। পাশাপাশি, মসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ফাইবার পাওয়া যায়। মসুর ডালে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও ভালো।

মুগ ডাল

মুগ ডাল কোলেসিস্টোকাইনইন হরমোনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এতে বিপাক হার বাড়ে। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, কপার ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্সে ভরপুর মুগ ডাল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ও মস্তিষ্ক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

অড়হর ডাল

সব ডালের মধ্যে অড়হর ডালে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ প্রোটিন পাওয়া যায়। পাশাপাশি এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে। এই ডালে খুবই কম পরিমাণে ফ্যাট এবং ক্যালরি রয়েছে। এতে থাকা আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম কর্মশক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে গরুর মাংস-মুরগি ও তেলের দাম

banglanewspaper

ঈদের আগে রাজধানীর বাজারগুলোতে গরুর মাংস, ব্রয়লার মুরগি ও তেলের দাম বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে গরুর মাংসের দাম ৩০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১০ টাকা ও তেলের দাম ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ব্যবসায়ী গরুর মাংসের কেজি বিক্রি করছেন ৭০০ টাকা। কোনো কোনো ব্যবসায়ী ৭১০ টাকা কেজিতেও গরুর মাংস বিক্রি করছেন। আর মহল্লার সাপ্তাহিক ব্যবসায়ীরা গরুর মাংস বিক্রি করছেন ৭২০ থেকে ৭৩০ টাকা।

গরুর মাংসের পাশাপাশি বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। তবে সোনালি মুরগির কেজি গত সপ্তাহের মতো ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমানে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। আর দুই লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকায়।

তবে সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। লম্বা বেগুনের কেজি ৮০ টাকা, আর গোল বেগুন ১২০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, বটবটি কেজি ৬০ টাকা, ধুন্দল কেজি ৬০ টাকা, মটরশুটি কেজি ১২০ টাকা। এ ছাড়া চাল কুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকা এবং লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামে তেমন পরিবর্তন আসেনি। রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ থেকে ১৬০০ টাকা। তেলাপিয়া, পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
শনিবার সব ব্যাংক খোলা, লেনদেন সীমিত আকারে

banglanewspaper

ঈদ উপলক্ষে ব্যবসা বাণিজ্যে লেনদেন বেশি হওয়ায় সারা দেশে শনিবার সব ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এ দিন সীমিত লোকবল নিয়ে সারা দেশে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা দিয়েছে।

সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ঈদ উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যে লেনদেন বেড়েছে। তাই সবার সুবিধার্থে সারা দেশে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা থাকবে। শনিবার ব্যাংক লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ব্যাংক খোলা বেলা আড়াইটা পর্যন্ত।

এছাড়া পোশাকশিল্প এলাকায় শুক্র (২৯ এপ্রিল) ও শনিবার (৩০ এপ্রিল) ব্যাংক খোলা থাকবে।

দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল শুক্রবার ব্যাংক লেনদেন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলবে। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে ব্যাংক।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
স্বর্ণের দাম কমলো

banglanewspaper

দেশের বাজারে ভালোমানের সোনা (২২ ক্যারেট) প্রতি ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৬৮২ টাকা দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আজ পর্যন্ত ভালো মানের প্রতি ভরি সোনা ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমায় দেশের বাজারেও নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।

২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) থেকে সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৭৭ হাজার ৬৮২ টাকায়। ভরি প্রতি কমানো হয়েছে ১ হাজার ১৬৭ টাকা।

দেশের বাজারে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৭৪ হাজার ১৮৩ টাকায় বিক্রি হবে। ভরি প্রতি কমানো হয়েছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা।

১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৬৩ হাজার ৫৬৯ টাকায় বিক্রি হবে। ভরি প্রতি কমানো হয়েছে ৯৯১ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ৫৩ হাজার ৭১ টাকায়। ভরি প্রতি কমানো হয়েছে ৭৫৮ টাকা।

সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা এক হাজার ৫১৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের রুপা এক হাজার ৪৩৫ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের রুপা এক হাজার ২২৫ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে ৯৩৩ টাকায়।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
বিকাশ-রকেটে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা

banglanewspaper

বিকাশ, রকেট, নগদের মতো মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের সীমা বাড়িয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট (পিএসডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এই সেবার গ্রাহকরা এজেন্ট থেকে দৈনিক ৩০ হাজার টাকা ও মাসে ২ লাখ টাকা জমা করতে পারবেন। আর ব্যাংকের হিসাব বা কার্ড থেকে দিনে ৫০ হাজার টাকা ও মাসে ৩ লাখ টাকা জমা করা যাবে। এর আগে কার্ড থেকে দিনে ৩০ হাজার টাকার বেশি জমা করা যেত না।

মোবাইল আর্থিক সেবার গ্রাহক একে-অপরকে দৈনিক ২৫ হাজার টাকা এবং মাসে ২ লাখ টাকা পাঠাতে পারবেন। এর আগে, এমএফএসের একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পাঠাতে পারতেন।

গ্রাহকরা দৈনিক ২৫ হাজার টাকা ও প্রতি মাসে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। তবে এমএফএস হিসাবের স্থিতি কোনোভাবেই তিন লাখ টাকার বেশি রাখা যাবে না।

এই সীমার মধ্যে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকি পর্যালোচনা করে সীমা নির্ধারণ করতে পারবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ: