banglanewspaper

বেগম খালেদা জিয়াকে নারী মুক্তিযোদ্ধা আখ্যায়িত করে দেয়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে বাংলা সাহিত্যের ‘আষাঢ়ে গল্পের’ মতো বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

তিনি বলেন,  গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।  

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, চিরাচরিত মিথ্যাচারের অপরাজনীতিতে নিমগ্ন বিএনপি নেতারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিনিয়ত অপপ্রচারের আশ্রয় নিচ্ছেন। মির্জা ফখরুল খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে প্রকৃতপক্ষে একাত্তরের রণাঙ্গণে অংশ নেওয়া বীর নারীদের গৌরবগাঁথা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি কটাক্ষ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। কারণ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তিই বিএনপি’র শক্তির একমাত্র উৎস। 

‘আমরা আশা করি, বিএনপি নেতারা এ ধরনের বানোয়াট গল্প থেকে বিরত থাকবেন। তাদের বোধোদয় হওয়া উচিত যে, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও জাতিদ্রোহিমূলক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার কারণেই বিএনপি জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলামসহ বিএনপি নেতারা বিদেশে অর্থ পাচারের কথা বলেছেন। দেশবাসী জানেন, এই অর্থপাচারের মূল হোতা কারা এবং হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। দুর্নীতিতে বারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও অর্থপাচারকারীদের দল বিএনপি নেতাদের মুখে অর্থপাচারের কথা ভূতের মুখে রাম নাম ছাড়া কিছু নয়! 

‘বিএনপি’র শাসনামলে জার্মানির প্রযুক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিমেন্স গ্রুপের কাছ থেকে তারেক রহমানের ঘুষ গ্রহণের কথা আদালতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর সাক্ষ্যে প্রমাণিত হয়েছে। একই সাথে চীনের হার্কিন কোম্পানির কাছ থেকে তারেক রহমানের ঘুষ কেলেঙ্কারির কথা সকলেই জানে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও জিয়া পরিবারের দুর্নীতির চিত্র বিস্তারিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে।’ 

ট্যাগ: bdnewshour24

রাজনীতি
বিএনপির সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নান মারা গেছেন

banglanewspaper

বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে চারটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

এর আগে গতকাল ২৭ এপ্রিল রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হসপিটালে ভর্তি করা হয়।তারপর তাকে রাতেই লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র থাকাকালে ২০১৫ সালে বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি।তারপর ২০১৭ সালে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন মান্নান।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ট্যাগ:

রাজনীতি
দেশে ফিরছেন ওবায়দুল কাদের

banglanewspaper

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ দেশে ফিরছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
 
সোমবার (২৫ এপ্রিল) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ দুপুরে ঢাকার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর ছাড়বেন ওবায়দুল কাদের। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৫৮৫ ফ্লাইট যোগে সন্ধ্যা ৬টায় তাঁর ঢাকায় পৌছার কথা রয়েছে। 

উল্লেখ্য, কাদের গত ২২ এপ্রিল শুক্রবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর যান। 

ট্যাগ:

রাজনীতি
বিএনপি নেতারা দুদকে ‘নাটকের’ মহড়া দিচ্ছে: কাদের

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতারা দুর্নীতি দমন কমিশনে গিয়ে যে মহড়া দিয়েছেন তা নিজেদের দুর্নীতি ও ব্যর্থতা আড়ালের অপচেষ্টা মাত্র। বিএনপি নেতারা দুর্নীতির তথ্য প্রদানের নামে নাটকীয়তার আশ্রয় নিচ্ছে। 

মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি'র কথিত আন্দোলন আর অভ্যুত্থানের রঙিন খোয়াব ভেঙ্গে যাওয়ায় জনগণের নজর এখন ভিন্ন দিকে নিতে চায়। কর্মী-সমর্থকদের রোষানল থেকে বাঁচতেই বিএনপি নেতারা দুর্নীতির তথ্য প্রদানের নামে নাটকীয়তার আশ্রয় নিচ্ছে। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, অনেক তথ্যই সরকারের কাছে আছে, কে কোথায় সভা করছে, কাকে টাকা দিচ্ছে, এমনকি সরকারের বিরোধিতার নামে রাষ্ট্রবিরোধী কাজে উস্কানির জন্য দুর্নীতিলব্ধ অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে। 

সেতুমন্ত্রী বলেন, কারা কর ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা করে আবার দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের জন্য অবৈধ উপায়ে অর্থ প্রেরণ করছে,  সব খবরই সরকারের কাছে আছে। এসব অপরাধীরা কেউই ছাড় পাবে না।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন,  নিজ দলের অপরাধী, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান কী? সাহস থাকলে তাদের তালিকা দিন। বিদেশে বিলাসী জীবনের রসদ কোথা থেকে আসছে তার হিসাব জমা দিন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সর্ষের মধ্যে ভুত রেখে ভুত তাড়ানোর এসব লোকদেখানো অপপ্রয়াস অপরাজনীতিরই ধারাবাহিকতা মাত্র। যে দলের চেয়ারপারসন দুর্নীতির দায়ে দন্ডপ্রাপ্ত, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি এবং দলীয় গঠনতন্ত্র থেকে যে দল দুর্নীতিবিরোধী ৭ ধারা অপসারণ করে, যারা আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে নিজেদের পরিচিত করেছে, যাদের শাসনামলে দেশকে পরপর ৫ বার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কলঙ্কতিলক পরতে হয়েছিল, সেই আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত বিএনপি যখন দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে তখন মানুষের হাসি পায়। 

তিনি বলেন, আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দলের এমন মুখরেচক কথার নৈতিক মানদণ্ড নিয়েও মানুষ পরিহাস করে। তারেক রহমানের পাচারকৃত ১২ কোটি টাকা আটক করেছিলো যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস। আওয়ামী লীগ সরকার ২০১২ সালে সে টাকা দেশে ফেরত আনে।বাংলাদেশ কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালে সিঙ্গাপুর সরকার পাচারকৃত ৮ কোটি টাকা ফেরত দেয়।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন,  তারেক রহমান ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার গিয়াসউদ্দিন আল মামুন সিটিএনএ ব্যাংকে ২১ কোটি টাকা পাচার করে। এফবিআই এ ব্যাপারে তদন্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছে, শুধু তাই নয় লন্ডনের একটি ব্যাংকে প্রায় ৬ কোটি টাকা পাওয়া যায় তার ব্যাংক হিসেবে। বেলজিয়ামে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়ায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন,দুবাইয়ের এমিরিটাস হিলস-এ স্প্রিং - ১৪ নামের কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের বাড়ির মালিক হয়েছিলো জিয়া পরিবার। ভাঙ্গা সুটকেসের গল্প ততদিনে লঞ্চ, টেক্সটাইল মিল,বিদেশে বাড়ি আর ব্যাংক ব্যালেন্সের নিচে চাপা পড়ে গেছে, অথচ তারাই এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বলে!

শুদ্ধি অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশবাসী জানে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা শূন্য সহিষ্ণুতা নীতিতে অটল। শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে এর প্রমাণ জনগণ ইতিমধ্যে দেখেছে। যে যত বড় নেতাই হোক, অনিয়মের অভিযোগ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয়নি। সরকারি দলের অনেক নেতা, এমপি এমনকি মন্ত্রী পর্যন্ত ছাড় পায়নি।

দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারি দলের বিরুদ্ধেও দুদকের কাজ করতে কোন বাধা ছিলোনা এবং এখনো নেই। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানসহ তাদের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দুদকে যে তথ্য বা অভিযোগ আছে সে ব্যাপারেও দুদক তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে অন্য যে অভিযোগ আছে সেগুলোরও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক বলেও জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। 

শেখ হাসিনার সততার বিষয়টি আজ দেশ বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আজ যারা বড় বড় কথা বলছেন, লোক দেখানো নাটক করছেন,তাদের শাসনামলে নিজ দলের এমপি,মন্ত্রী কিংবা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের একটি প্রমাণ তারা দেখাতে পারবেন না। বিএনপির নীতি ছিলো দুর্নীতি তোষণ আর দলীয়ভাবেই করা দুর্নীতিবাজদের পৃষ্ঠপোষকতা। বিএনপির শাসনামল আর দুর্নীতি সমর্থক হয়ে গিয়েছিলো।

বিএনপির বিরুদ্ধে জনগণের সবচেয়ে বড় অভিযোগ দুর্নীতি, তাই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, সাহস থাকলে আপনাদের গঠনতন্ত্র দুর্নীতি বিরোধী ৭ ধারা  ফিরেয়ে আনুন, যা বাদ দিয়েছিলেন, তাহলে বোঝা যাবে আপনারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি বলেন, একদিকে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে, আবার অন্যদিকে কল্পিত অভিযোগ করাকে জনগণ নৈতিকতা বিরোধী বলেই মনে করে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
‘মির্জা ফখরুল কখন যে রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বলেন’

banglanewspaper

খালেদা জিয়াকে নারী মুক্তিযোদ্ধা বানাতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কখন যে রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বলে বসেন, সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, তার কাছে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞাটা কী, আমি জানি না।

শনিবার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন নিয়ে নবগঠিত দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে ফিতা কেটে নতুন থানার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হকসহ পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নারী মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেছেন দলটির মহাসচির মির্জা ফখরুল, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তিনি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তানিদের ক্যান্টনমেন্টেই পাকিস্তানিদের আতিথেয়তায় ছিলেন। এখন হঠাৎ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আবিষ্কার করলেন খালেদা জিয়া নাকি নারী মুক্তিযোদ্ধা!

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল এই কথা বলার পর পুলিশের আইজি এবং ঢাকার পুলিশ কমিশনার যখন সমালোচনা করলেন, তখন বিএনপির মহাসচিবসহ নেতারা পুলিশের আইজি এবং ঢাকার পুলিশ কমিশনারের অনেক সমালোচনা করেন। মির্জা ফখরুলের প্রতি প্রশ্ন রেখে ড. হাছান বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের কোন প্রচলিত আইনবলে সেনাবাহিনীর প্রধান হয়ে সেনাবাহিনীর ড্রেস পরে রাজনীতি করেছিলেন, বিএনপি গঠন করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতিও হয়েছিলেন? জিয়াউর রহমান যদি সেনাবাহিনীর প্রধান হয়ে দল করতে পারেন, রাজনীতি করতে পারেন, আবার রাষ্ট্রপতিও হয়ে যেতে পারেন, তাহলে পুলিশের আইজি এবং ডিএমপি কমিশনার এই উদ্ভট কথার প্রত্যুত্তরে যদি কিছু বলে থাকেন, সেটি যথার্থই বলেছেন। একটি অসত্য উদ্ভট কথার জবাবে প্রত্যেক নাগরিকেরই বলার অধিকার আছে।

সরকার বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে-মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ফখরুল সাহেবরা তো কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে দৌড় দেন, কোনো কিছু হলেই বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের ডেকে কথা বলেন। এমনকি মির্জা ফখরুল নিজে চিঠি লিখেছিলেন কংগ্রেসম্যানদের কাছে বাংলাদেশকে সাহায্য বন্ধ করার জন্য। বাংলাদেশকে যাতে সাহায্য বন্ধ করে দেয়, বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা যাতে বাতিল করা হয়, এজন্য চিঠি লিখেছিলেন তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া। এজন্য নিজের নামে নিবন্ধ লিখেছেন ওয়াশিংটন টাইমসে। যারা কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে দৌড় দেন, তারাই এসব উদ্ভট কথা বলতে পারেন।

সম্প্রতি সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য অপচেষ্টা হয়, সেগুলো আমরা সব সময় কঠোর হস্তে দমন করেছি। কে হিজাব পরবে কিংবা পরবে না, সেটি তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সুতরাং এই নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া নতুন থানা স্থাপন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই বছর আগে প্রধানমন্ত্রী এখানে থানা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। প্রশাসনিক অন্য ধাপগুলো অতিক্রম করে আজ থানার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
বিএনপির অবস্থা পথহারা পথিকের মতো: কাদের

banglanewspaper

নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতির জন্য বিএনপিকে আর জনগণ চায় না। এটা বুঝতে পেরেই তারা জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দেখে শুনে মনে হয় বিএনপির অবস্থা এখন পথহারা পথিকের মতো, তারা কখন যে কি বলে সেটা তারা নিজেরাও জানে না।

রবিবার (১০ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংকালে তিনি এস কথা বলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনে খুশি। তাই তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকেই বেছে নিবে। তাই বিএনপি এখন থেকেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্র আর মিথ্যাচার করছে।

আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে─ বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আসলে আওয়ামী লীগ নয়, জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপিই এখন জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

'আওয়ামী লীগ নির্বাচন-নির্বাচন খেলা খেলে আবার আগামী জাতীয় নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে চায়,'- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ ধরনের বক্তব্য  হাস্যকর মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, দেশের মানুষ জানে আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য রাজনীতি করে, আওয়ামী লীগ রাজনীতি করে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, নিজেদের পকেট ভারী করার জন্য নয়। শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিচিতি পেয়েছে। জনগণের উপর আমাদের আস্থা শতভাগ, কাজেই নির্বাচন নিয়ে খেলার প্রয়োজন নেই।

তিনি আবারও স্পষ্ট করে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে। আসলে নির্বাচন নির্বাচন খেলা বিএনপিই ভালো বুঝে, তারা নিজেরা যা ভাবে অন্যের বেলায়ও তা মনে করে। 

সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নির্বাচন খেলা তো বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খেলেছিলো। মাগুরা ও ঢাকা-১০ এ খেলেছিলো,- বিএনপি ভুলে গেলেও দেশের মানুষ এখনো তা ভুলোনি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং জনগণের উপর আস্থা রাখুন,নির্বাচনে আসুন।ক্ষমতার মালিক জনগণ, জনগণ যাকে চাইবে সেই ক্ষমতায় আসবে।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন।

এসময় মার্সি টেম্বন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতিতে যে ইতিবাচক অগ্রগতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে  তার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্বব্যাংক গর্বিত। 

সাক্ষাৎকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় সড়কের নিরাপত্তার জন্য যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগ: