banglanewspaper

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল একটি সদস্য পদ ছাড়া বাকি সব পদে জয়ী হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল মাত্র একটি পদে জয়ী হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ২০২২ কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী। তিনি জানান, শিক্ষক সমিতির ১ হাজার ৩৯৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৩৫১ জন এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।

এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নীল দলের আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ৯৪৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাদা দলের প্রাণ রসায়ন ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। তিনি পেয়েছেন ৩৯২ ভোট। সহ-সভাপতি হিসেবে ৮২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মামুন আহমেদ পেয়েছেন ৫১২ ভোট।

৮৫০ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. আকরাম হোসেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল-আমিন পেয়েছেন ৪৩৭ ভোট। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিউটের অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ৯৭০ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবদুস সালাম পেয়েছেন ৩৮১ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ৮২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. আবদুর রহিম। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. দাউদ খান পেয়েছেন ৪৬১ ভোট।

সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসতিয়াক মঈন সৈয়দ, রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান (সাদা দল), তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মঈন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ।

ট্যাগ: ঢাবি

শিক্ষাঙ্গন
ছায়া-সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, উপাচার্যের শুভেচ্ছা

banglanewspaper

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে’ শীর্ষক ছায়া-সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির বিতার্কিকদের পরাজিত করে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।

প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এসএম মোর্শেদ, সাংবাদিক আরাফাত আলী সিদ্দিক ও সাংবাদিক আতিকা রহমান।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ বিজয়ী হওয়ায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর ডিবেটিং ক্লাবের প্রতিটি সদস্যকে বিশেষ করে সকল বিতার্কিককে উপাচার্য অধ্যাপক ড. অবদুল মান্নান চৌধুরী আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

সেই সঙ্গে এটিএন বাংলার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। 

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এ.টি.এম. শামসুল হুদা। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের জন্য প্রস্তাবিত খসড়া আইনে অনেক অপূর্ণতা রয়েছে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে—এটি শুধু সার্চ কমিটি গঠনের জন্য। তিনি বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া আইনটি চূড়ান্ত করা উচিত।

ড. এ.টি.এম. শামসুল হুদা বলেন, আইনটি যাতে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি ভালো আইনের জন্য প্রয়োজনে সময় নেওয়া যেতে পারে। তাড়াহুড়ো করে ত্রুটিপূর্ণ আইন প্রণয়ন কারো জন্যই কল্যাণকর হবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও অযোগ্যতার সুস্পষ্ট রূপরেখা থাকতে হবে। যাদের সম্পর্কে অভিযোগ রয়েছে তাদেরকে বিবেচনায় না নেওয়া উচিত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনাররা কোনো দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়লে তাদের আইনানুগ বিচার হওয়া উচিত।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন সদিচ্ছা থাকলে ভালো নির্বাচন করতে পারতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের পারফর্মেন্স সন্তোষজনক নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য সুখকর না হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অধিকতর গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে গত ৫০ বছরে দেশে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য কোনো আইন তৈরি হয়নি। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে সুশাসন ব্যাহত হয়। দুর্নীতির কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তির ঘটনা খুবই কম। অথচ পাকিস্তান আমলেও সিভিল সার্ভিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তি হতো। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। তিনি বলেন, ইসি নিয়োগের খসড়া আইনটির অনুলিপি কোথায় আছে এখনো কেউ বলতে পারছে না। যা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে। অংশীজন, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের যাচাই বাছাই ও মতামত ছাড়া আইনটি পাস হলে এর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। 

প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদ বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক আরাফাত আলী সিদ্দিক ও সাংবাদিক আতিকা রহমান।

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
‘সংক্রমণ আরও বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত’

banglanewspaper

করোনাভাইরাস ইস্যুতে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে ভাবছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংক্রমণ আরো বেড়ে গেলে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেবে।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের একটি অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। দু-এক দিনের মধ্যে কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসব।'

তিনি আরো বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে যাতে ভার্চুয়াল ক্লাস নেওয়া যায় সেটার প্রস্তুতি রাখার জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেখানে ভার্চুয়াল ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অ্যাসাইনমেন্টের ওপর নির্ভর করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জীবনযাপন যতখানি সম্ভব স্বাভাবিক রেখে করোনা মোকাবিলা করতে চাই। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি করোনার সংক্রমণ বাড়ার কারণে ক্লাস নেওয়া সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে তো অনলাইন ক্লাসে যেতেই হবে। এখনো আমরা অনলাইন ক্লাস-অ্যাসাইনমেন্ট চালু রাখছি যাতে কেউ পিছিয়ে না পড়ে। তবে যেখানে অনলাইন ক্লাস সম্ভব না, সেখানে অ্যাসাইনমেন্ট চালু থাকবে।

দীপু মনি বলেন, করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে আমরা দেখি, কতটা পরীক্ষা হচ্ছে, তার মধ্যে কতটা পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে। ওমিক্রনকে অনেকেই হালকাভাবে নিচ্ছেন। তবে ভুলে গেলে চলবে না আমাদের দেশে ওমিক্রনের চেয়ে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। কাজেই আমাদের স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে।

এ সময় তিনি জানান, সোমবার পর্যন্ত ১২-১৮ বছর বয়সী ৮৫ লাখ শিক্ষার্থী করোনার প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছে।
 

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
১২ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের এখনই টিকা নয়: শিক্ষামন্ত্রী

banglanewspaper

১২ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের এখনই করোনার টিকা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এছাড়া করোনার কারণে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চিন্তাভাবনা নেই বলেন জানান তিনি।

রবিবার সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রথম বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। দুই মাস মেয়াদী এই কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের টিকাদান কর্মসূচিটাও খুব জোরদারভাবে চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে সেই টিকাদান কর্মসূচিতে ভাটা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা পর্যালোচনা করছি, পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা এখনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের সংক্রমণের খবর পাইনি। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও এ বিষয়ে নজর রাখছে। আমরা জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে যোগাযোগে আছি, আমরা এখনো ভাবছি না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার কথা।

দীপু মনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভ্যাকসিন নিতে পারবে। টিকাকেন্দ্র থেকে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন প্রদানের চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যতদূর সম্ভব জীবন স্বাভাবিক রেখে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই করোনা মোকাবিলা করতে হবে। সেটাই সিদ্ধান্ত। অতএব আমরা এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছি না। তবে যদি তেমন বড় প্রয়োজন দেখা দেয় তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

বিপিএটিসির রেক্টর রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোর্স উপদেষ্টা মহসীন আলী, প্রশিক্ষণার্থী নবীন কর্মকর্তাগণসহ বিপিএটিসির অন্যান্য কর্মকর্তারা।

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
‘শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া সরকারের অনন্য কৃতিত্ব’

banglanewspaper

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি বলেছেন, বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে ধরা শেখ হাসিনার সরকারের অনন্য কৃতিত্ব।

ফ্রেন্ডশিপ আয়োজিত ‘কোভিড-১৯ অতিমারীকালীন শিখন ঘাটতি; চরাঞ্চলে ফ্রেন্ডশিপ শিক্ষা কর্মসূচির অভিজ্ঞতা’শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। বুধবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিনামূল্যে সম্পূর্ণ রঙিন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত। স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে আজ পর্যন্ত শিক্ষাখাত বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। ১৯৭১ সাল স্বাক্ষরতার হার যেখানে ছিল ১৭.৬ শতাংশ, সেটি বর্তমানে ৭৫.৬০ শতাংশে, ৪ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী প্রায় ২ লাখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন শিখনঘাটতি দূর করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কোর্ট ইয়ার্ড সেশন, ফোনকল, এবং হোম ভিজিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাথে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রেখেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে নিয়মিত পাঠসূচিকে অনুসরণ করে অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়েছে। সর্বোপরি শিখন ঘাটতি দূর করার জন্য ‘এক্সিলারেটেড রেমিডিয়াল লার্নিং প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিটিউটের শিক্ষক প্রফেসর আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। সেমিনারে তৃণমূল পর্যায়ের ভিডিওচিত্র ও গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়।

ট্যাগ:

শিক্ষাঙ্গন
টিকা ছাড়া আর যাওয়া যাবে না স্কুলে

banglanewspaper

করোনার টিকা না নেয়া শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে না যাওয়ার লিখিত নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রায় সব শিক্ষার্থীর টিকাদান কার্যক্রম শেষ হবে এবং এরপর থেকেই টিকা না নেওয়া শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।   

নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ১২-১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিতে শনিবার (০৮ জানুয়ারি) নির্দেশনা পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়, ১২-১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে গত ৩০ ডিসেম্বর বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের এ গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে নতুন করে নির্দেশনা দেওয়া হলো।   

নির্দেশনার বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের এক কোটি ১৬ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৪৬ লাখের টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ শেষ হয়েছে। আশা করছি আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বাকিরাও নিয়ে নেবে।  

‘টিকা গ্রহণ ব্যতিত কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না’- এ নির্দেশনা কবে থেকে কার্যকর হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৫  জানুয়ারির পর থেকেই কার্যকর হবে।  

১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্কুলে যাওয়ার বিষয়ে কেবিনেট সেক্রেটারি নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে মাউশি মহাপরিচালক বলেন, আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। ১৫ জানুয়ারির পর বিষয়টি (টিকা ছাড়া স্কুলে নয়) নিশ্চিত করা হবে।

মাউশির নির্দেশনা:

► ১২-১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থী (নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত) ভ্যাকসিন গ্রহণ করবে।

► সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধান ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের টিকা কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককেও টিকা কেন্দ্রে পাঠাবো হবে।

► টিকা গ্রহণ ব্যতিত কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

► টিকা কার্যক্রম চলমান অবস্থায় সব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চল, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না।

► জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে ভ্যাকসিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিতে সচেষ্ট থাকবেন।  

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার সব পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সব অঞ্চলের উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
 

ট্যাগ: