banglanewspaper

বিশ্বজুড়ে বিয়ের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যাও। দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার এই সিদ্ধান্তের পেছনে অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী পরকীয়া প্রেম। কিন্তু সুখী সংসারে ফাটল ধরানো সেই পরকীয়া প্রেমের স্থায়িত্বও খুব একটা বেশি নয়। গবেষণা বলছে, বেশির ভাগ পরকীয়াই বড়জোর এক মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনি তথ্য তুলে ধরেছেন মিসৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর অ্যালিসিয়া ওয়াকার। দীর্ঘ আট বছর পরকীয়া প্রেম নিয়ে গবেষণার পর তিনি তার গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

দ্য ইকোনমিক টাইম ও স্ট্যাটিস্টা ডট কমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রফেসর অ্যালিসিয়া ওয়াকারের গবেষণা অনুযায়ী, পরকীয়া প্রেম দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনে অশান্তি ডেকে আনাসহ বিবাহবিচ্ছেদের মতো ঘটনায় গড়ালেও খুব কম ক্ষেত্রেই এটি পরিণতি পায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরকীয়া প্রেম টেকসই হয় না। শতকরা ৫০ শতাংশের বেশি পরকীয়া প্রেম বড়জোর এক মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা এক বছর তিন মাস বা তার কিছু বেশি সময় পর্যন্ত টেকে। দুই বছরের বেশি স্থায়ী হয় শতকরা ৩০ শতাংশ পরকীয়া প্রেম। বিবাহ বন্ধন পর্যন্ত গড়ায় মাত্র পাঁচ শতাংশের কম সম্পর্ক।

গবেষণায় আরও বলা হয়, ব্যক্তিগত জীবনে একঘেয়েমি থেকেই পরকীয়ায় জড়ান বেশির ভাগ মানুষ। নিঃসন্তান দম্পতির চেয়ে যাদের সন্তান আছে তারাই পরকীয়া প্রেমে বেশি জড়ান।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ১০ পেশার মানুষ বেশি পরকীয়া প্রেমে জড়ায়। এর মধ্যে সবার ওপরে রয়েছে সামাজিক কাজ করে এমন পেশার মানুষরা। তারপরই আছে শিল্প ও বিনোদন অঙ্গনের মানুষরা। এছাড়া শিক্ষাক্ষেত্র, আইন পেশা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসাক্ষেত্র, মার্কেটিং, সাংবাদিকতা, ফিন্যান্সের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও উচ্চবিত্তরা পরকীয়া প্রেমে বেশি জড়ান। তবে রাজনীতিবিদরা এই তালিকার ওপরের সারিতে নেই।

এছাড়া পরকীয় প্রেমে জড়ানো শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা করেছেন প্রফেসর অ্যালিসিয়া ওয়াকার। এই তালিকায় সবার ওপরে আছে থাইল্যান্ড। এই দেশটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অর্ধেকের বেশি বিবাহিত মানুষ জানিয়েছেন, তাদের পরকীয়া সম্পর্ক আছে। থাইল্যান্ডের পরের স্থানেই আছে ডেনমার্ক। এরপর জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নরওয়ে, স্পেন, ফিনল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।

তবে প্রফেসর অ্যালিসিয়া ওয়াকার তার গবেষণায় শুধু পরকীয়া প্রেমের কুফল সম্পর্কেই তুলে ধরেননি। বরং পরকীয়া প্রেমের কিছু সুফলও আছে বলে জানিয়েছেন। তিনি তার গবেষণায় জানান, পরকীয় প্রেম অনেক সময়ই পারিবারিক জীবনে ভারসাম্য আনতে সাহায্য করে। কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, পরকীয়া প্রেমে জড়ালে দম্পতির মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের দাম্পত্য জীবনে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো ভালোভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারেন এবং তা দূর করারও সুযোগ পান।

ট্যাগ: bdnewshour24

লাইফস্টাইল
কখনও রোদ কখনও বৃষ্টি, সুস্থ থাকতে করণীয়

banglanewspaper

কালবৈশাখী নিয়ে বাঙালির রোম্যান্টিকতার শেষ নেই। তবে প্রকৃতি মোটেই সেসবের তোয়াক্কা করছে না। প্রায় বিকালের দিকে ঝড় বৃষ্টি হলেও, দিনেরবেলায় বাড়ছে পারদ। ফলে ঠান্ডা-গরমের তারতম্যের সঙ্গে প্রবল আদ্রতা। সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের সুস্থতা রক্ষা করতে বাড়তি উদ্যোগ জরুরি।

এ সময় বৃষ্টির পানি যত কম গায়ে লাগানো যায় ততই ভালো। এই সময় ছাতা সঙ্গে রাখার চেষ্টা করুন; এতে রোদ আর বৃষ্টি দুটোই আটকাতে পারবেন। কোনোভাবে শরীর ভিজে গেল যত দ্রুত সম্ভব বদলে ফেলতে হবে পোশাক। মাথা ভিজে গেলে শুকনো কাপড় দিয়ে দ্রুত মুছে নিতে হবে।

শুধু বৃষ্টির পানিই নয়, এই সময় হরেক রকমের রোগ জীবাণুরও প্রকোপ শুরু হয়। তাই এই ধরনের রোগ জীবাণু থেকে বাঁচতে পরিচ্ছন্নতা থাকা প্রয়োজন। নিয়মিত হাত-পা ধোয়া কিংবা স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

বিশেষ করে বাচ্চাদের নিয়ে অভিভাবকদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা উচিত। শিশুরা খেলাধুলো করবেই। কিন্তু অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে; তারা যেন নোংরা পানি-ময়লা না ঘাটে। শিশুদের জামাকাপড় ও হাত-পা নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি।

যেকোনো ধরনের রোগব্যাধির মোকাবিলা করতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ পানি শরীর থেকে বের হয়ে যায়। তাই এই সময় পর্যাপ্ত পানি পান করুন। যাঁদের বাড়ির বাইরে বেরোতে হচ্ছে নিয়মিত, তাদের উদ্দেশে— বাইরের কাটা ফল, শরবত এড়িয়ে চলুন।

প্রয়োজনে সঙ্গে পানির বোতল রাখতে পারেন। বোতলে লবণ-চিনি মেশানো পানি নেওয়া যেতে পারে। নিয়মিত পানি পান করার পাশাপাশি, জোর করে প্রস্রাব চেপে রাখা যাবে না।

এই সময় জ্বর, সর্দি-কাশি কিংবা পেটের গোলযোগের মতো সমস্যা দেখা দিলে। রোগ নিয়ে বসে না থেকে বা নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মাটির পাত্রে পানি পান করবেন কেন?

banglanewspaper

আগের দিনে সবাই মাটির কলসিতে পানি রেখে পান করতেন। আজকাল তা দেখাই যায় না। প্লাস্টিক বা কাঁচের বোতলের ভিড়ে মাটির পাত্র হারিয়েই গেছে। সম্প্রতি গবেষকরা জানতে পেরেছেন, ধাতব উপাদানে বানানো এসব পাত্রের তুলনায় মাটির তৈরি পাত্র অনেক স্বাস্থ্যকর। সেই সাথে মাটির পাত্রে রাখা পানি পানের নানা উপকারিতা রয়েছে।

১. মাটি প্রাকৃতিকভাবে পানি ঠান্ডা রাখে। মাটির গ্লাস বা পাত্রে পানি পান করা হলে তা শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে শরীরের বিপাক বাড়াতে সাহায্য করে।

২. গরমের সময় শরীর ঠান্ডা করতে অনেকেই ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি বের করে পান করেন । অথচ মাটির পাত্রে প্রাকৃতিকভাবেই পানি ঠান্ডা থাকে। কারণ কাদা-মাটিতে থাকে অণুবীক্ষণিক ছোট ছোট ছিদ্র। ফলে এই কাদা-মাটির তৈরি পাত্রে পানি রাখা হলে বাষ্পীভবন ঘটে। এতে পানি ঠান্ডা হয়।

৩. গরমে রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে মাটির পাত্রে রাখা ঠান্ডা পানি। এটি হিট স্ট্রোক থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেবে। মাটির পাত্রে রাখা পানি পান করলে শরীরের গরম অনেকটাই কমে গিয়ে শরীর ঠান্ডা হয়।

৪. প্লাস্টিকের বোতলের চেয়ে মাটির পাত্র বেশি ভালো হওয়া অন্যতম কারণ, এটা পরিবেশ বান্ধব। এছাড়াও কাচের বোতলের চেয়ে মাটির বোতল ব্যবহার করা সাশ্রয়ী।

৫. মাটি প্রাকৃতিক ক্ষার সমৃদ্ধ এবং তা যখন পানির অম্লতার সংস্পর্শে আসে তখন তা পিএইচয়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পানির সুষম পিএইচ বা অম্ল-ক্ষার নিয়ন্ত্রণে রেখে গ্যাসের ব্যথা থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

৬. শরীরে টক্সিক কেমিক্যালের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে মাটির পাত্রে রাখা পানি। লোহা, স্টিল কিংবা প্লাস্টিক জাতীয় পাত্রে পানি রাখলে সেখান থেকে নানা ধরনের দূষিত পদার্থ ঢুকতে পারে শরীরে। মাটির পাত্রে পানি রাখলে সেটি সম্ভব নয়।

৭. খনিজ উপাদান এবং ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক শক্তিতে সমৃদ্ধ থাকে কাদা-মাটি। তাই মাটির পাত্রে পানি সংরক্ষণ করা হলে তা পানির আরোগ্য ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৮. যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা নিয়মিত মাটির পাত্রে রাখা পানি পান করতে পারেন। এটি বেশ ভালো কাজ করে। যারা একটু বয়স্ক, তারা পানি পানের ক্ষেত্রে মাটির পাত্র ব্যবহার করুন। এতে শরীরের অনেক সমস্যার সমাধান মিলবে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মাছের ডিমের এত উপকারিতা

banglanewspaper

যেকোনো অসুখ থেকে বাঁচতে গরম ভাতের সঙ্গে মাছ ভাজা বা মাঝের ঝোল বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবার। মাছে আছে নানা ধরনের পুষ্টি। শুধু মাছই নয়, মাছের ডিমও অনেক উপকারী। মাছের ডিম ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এটি আমাদের শরীরে ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে : যেকোনো অসুখ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা জরুরি। এতে যেকোনো ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকা সহজ হয়। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে মাছের ডিম। নিয়মিত মাছের ডিম খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

চোখ ভালো রাখে : বর্তমানে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ঘরে ঘরে। সেজন্য খুব কম বয়সেই চোখে চশমা দরকার হয় অনেকের। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে মাছের ডিম। কারণ মাছের ডিমে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ, এটি চোখ ভালো রাখতে কাজ করে। সেইসঙ্গে এতে থাকে ডিএইচএ ও ইপিএ যা শিশুর চোখের জ্যোতি বাড়ানো ও রেটিনাকে আরও বেশি কার্যকরী করে তুলতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : আমাদের মস্তিস্থের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে মাছের ডিম। গবেষকরা বলছেন, এতে থাকা এক ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড এই কাজে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক ভালো রাখার পাশাপাশি রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সমস্যা কমাতে কাজ করে মাছ ও মাছের ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।

রক্ত পরিষ্কার করে : রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করতে কাজ করে মাছের ডিম। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর উপাদান রক্ত পরিষ্কার করে ও হিমোগ্লোবিন বাড়ায়। যে কারণে কমে অ্যানিমিয়ার ভয়। রক্ত পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত মাছের ডিম খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

হৃদরোগে উপকারী : হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি। এই দুই উপাদান রয়েছে মাছের ডিমে। তাই হৃদরোগীদের জন্য মাছের ডিম বেশ উপকারী। নিয়মিত মাছের ডিম খেলে তা হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে।

দাঁত ও হাড় ভালো রাখে : আমাদের দাঁত ও হাড় ভালো রাখার জন্য অন্যতম কার্যকরী উপাদান হলো ভিটামিন ডি। মাছের ডিমে পাওয়া যাবে এই ভিটামিন। ফলে নিয়মিত মাছের ডিম খেলে তা দাঁত ভালো রাখে ও হাড় শক্ত করে।

উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় : সুস্থ থাকার জন্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। আপনি যদি মাছের ডিম খান তবে তা এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। মাছের ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এবং সেইসঙ্গে প্রদাহও কমিয়ে দেয়। ফলে কমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মানুষ কতবার প্রেমে পড়ে?

banglanewspaper

একজন মানুষ জীবনে একই সময়ে একাধিক ব্যক্তির প্রেমে পড়তে পারেন। গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস এই কথাটি বলেছিলেন। প্রেম শাশ্বত, সত্যিকারের প্রেম জীবনে একবারই হয়। এসব নিয়ে নানা তর্কবিতর্ক আছে। গবেষণাও আছে। মানুষের জীবনে কি প্রেম একবার আসে? তাহলে মানুষ একবার সম্পর্ক ভেঙে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কেন? প্রয়োজনে, জীবনের বাস্তবতায় নাকি নিজের ইচ্ছায়? বুঝতে পারে না মন আসলে কাকে চায়, কী চায়।

জরিপে দেখা গেছে, ৭৩ শতাংশ নারী ও পুরুষ মনে করেন, জীবনে সাতবার প্রেমে পড়ে মানুষ। তবে দুই হাজার জনের এক-তৃতীয়াংশ মনে করে, 'সত্যিকারের ভালোবাসা' জীবনে একবারই হয়। একই মানুষের ওপরও একাধিকবার প্রেমে পড়েন কেউ কেউ। পুরুষদের ১৭ শতাংশ বলেছে, তারা একটি প্রেম চলাকালে আরেকটি প্রেমে পড়েছে

হাফিংটন পোস্ট দুই হাজার নারী-পুরুষের ওপর একটি জরিপ করেছিল গত বছর। সেই জরিপে দেখা গেছে, এক ধরনের ‘আপস’ ধরে নিয়ে ‘সত্যিকারের ভালোবাসা’ বলছে একে। ৪৫ শতাংশ পুরুষ একসঙ্গে একাধিক প্রেম করেছেন। ৩৯ শতাংশ নারী-পুরুষ বলেছেন, তাঁরা জীবনে একবার প্রেমে পড়েছেন। আর ৪৭ শতাংশ মাত্র একবার প্রেমে পড়েছে। সেই প্রেমিককে তারা বিয়ে করেছে।

এই প্রেমের ধরনও ভিন্ন। কোনোটি প্রথম প্রেম, কোনোটি শুধু সময় কাটানোর বা বায়বীয় প্রেম। কোনোটি শুধু রোমাঞ্চের জন্য। কেউ কেউ চূড়ান্ত প্রেম বলছেন সেটিকে, যেটির পরিণতি ঘর বাঁধা। জীবনের সুখ-দুঃখের সময়গুলো কাটাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটিকেই বলছেন ‘চূড়ান্ত’। এর মধ্যেও চলে আসতে পারে উঁকি মেরে দেখা প্রেম। সেই প্রেমে বেশির ভাগ নারী-পুরুষ শুরুর দিকে সিরিয়াস থাকেন না। তবে কেউ কেউ পা পিছলে বা অন্য কোনো কারণে দ্বিতীয় সঙ্গীকে বেছে নিচ্ছেন।

বারবার প্রেমে পড়াকে অনেকে মনে করেন ভাগ্যের কারণে হয়। এটি ঠিক নয়। তারা নিজেরাই বেছে নেন আরেকটি প্রেমকে।

তিন হাজার জন মানুষের ওপর দ্য গার্ডিয়ান একটি জরিপ করে। সেখানে দেখা যায়, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন একসঙ্গে একাধিক প্রেম করছেন। সহকর্মী, বন্ধুর সঙ্গে তারা এটি বেশি করছেন। ব্যক্তিজীবনেও তারা সুখী। সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কও ভালো। তবু তারা আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন।

তাদের মধ্যে ২৫ শতাংশ পাঁচ বছর ধরে একই সঙ্গে আরেকটি প্রেম করছে। ২৯ শতাংশ পুরুষ ও ১৯ শতাংশ নারী দ্বিতীয় প্রেমের কারণে বিয়ে বিচ্ছেদ করেছেন। ৬০ বছর বয়সের পরে এবং ৩০ বছর বয়সে একাধিক প্রেম করার প্রতি আগ্রহ প্রবল দেখা যায়। ভালোবাসা পেয়েও তাঁরা মনে করছেন তাঁরা যা চাইছেন, তা পাচ্ছেন না। জীবনে কোনো কিছু নিয়ে তাঁরা সন্তুষ্ট থাকেন না। সারাক্ষণ মন নতুন কিছু খোঁজে।

রবীন্দ্রনাথের মতো বলতে হয়, আমার মনের জানলাটি আজ হঠাৎ গেল খুলে/ তোমার মনের দিকে। শুরু করেছিলাম মার্কেস দিয়ে। শেষটাও হোক তাঁরই কথায়। তিনি বলেছিলেন, ‘বিবাহিত জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সুখ নয়, স্থায়ীত্ব।’
 

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
দই ছাড়া লাচ্ছি তৈরির রেসিপি

banglanewspaper

লাচ্ছি তৈরির অন্যতম উপাদান হলো দই। কিন্তু কেমন হয়, যদি সেই দই ছাড়াই লাচ্ছি তৈরি করেন? ঝটপট লাচ্ছি খেতে চাইলে আর দই কিনতে ছুটতে হবে না। বরং দই না থাকলেও ঘরে বসেই তৈরি করতে পারবেন লাচ্ছি। চলুন জেনে নেওয়া যাক দই ছাড়া লাচ্ছি তৈরির রেসিপি—

উপকরণ

পানি ৪ কাপ, গুঁড়া দুধ ১২ চা চামচ, লেবুর রস ৮ চা চামচ, চিনি পরিমাণমতো, বরফ কুচি প্রয়োজন অনুযায়ী, আইসক্রিম স্বাদমতো ও বাদাম কুচি স্বাদমতো।

প্রণালি

পানি সামান্য গরম করে নিন। এরপর তাতে গুঁড়া দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার দিন লেবুর রস। হালকা নেড়ে ঢেকে রাখুন মিনিট দশেক। এটুকু সময়েই দুধ জমাট বেঁধে যাবে। এবার একটি ব্লেন্ডারে জমাট বাঁধা দুধ, চিনি, অর্ধেকটা বরফ কুচি এবং বাদাম কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে পরিবেশন গ্লাসে ঢেলে নিন। এরপর উপরে এক স্কুপ করে আইসক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন দই ছাড়া লাচ্ছি।

ট্যাগ: