banglanewspaper

মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। ভ্যারিয়েন্টটি ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে। সরকারি সূত্রমতে এখন পর্যন্ত দেশে ২৪ জনের শরীরে ওমিক্রনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ওমিক্রন ডেল্টা বা অন্য ধরনগুলোর মতো প্রকট নয়। তবে অন্যান্য ধরনের চেয়ে এটি দ্রুতগতিতে ছড়ায়। আইসোলেশনসহ করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে সাধারণ যে সতর্কতা ও চিকিৎসাপদ্ধতি সেটা ওমিক্রনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এর জন্য আলাদা কোনো চিকিৎসা নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওমিক্রনে আক্রান্তরা জানিয়েছেন, এই ধরনটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর তাদের গলা শুকিয়ে যাওয়া, সর্দি লাগা, শরীরের জয়েন্টে ব্যথা বা মাথা ব্যথা হয়েছে। এছাড়া বুকের ওপরের অংশে ব্যথা, মাথা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্ত লাগা, শরীরে ব্যথা, গলা শুকিয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়েছে কারো কারো।

ওমিক্রন সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাইফুল্লাহ মুনশি বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ‘ওমিক্রনের লক্ষণগুলো খুবই হালকা ধরনের হয়। ডেলটা বা অন্য ধরনগুলোর মতো এতটা প্রকট নয়। অনেকের ফুসফুসের ওপরের দিকে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত সিকোয়েন্সিং করে এটা শনাক্ত করা যায়।'

এই চিকিৎসক বলেন, করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা গেলেই যেসব সতর্কতা নেওয়ার কথা বরাবর বলা হয়েছে, সবাইকে সেগুলো নিতে হবে। শুধু ওমিক্রনের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার নেই।

শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক তৌফিক আহমেদ বলেন, 'যদিও ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রন অনেক বেশি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্তে জানা যাচ্ছে, ওমিক্রন একটু হালকা ধরনের, আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কম।'

২৫০ বেড টিবি হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'ডেল্টা বা অন্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়ায়। কিন্তু এটি ততটা প্রাণঘাতী নয়। বিশ্বব্যাপী দেখা গেছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও অন্যগুলোর তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার কম।'

ডা. আয়শা আক্তার বলেন, 'ওমিক্রন নাকি ডেল্টায় আক্রান্ত হয়েছেন, সেটা নিয়ে চিন্তা করার চেয়ে বরং করোনাভাইরাসে যাতে আক্রান্ত না হন, সেই চেষ্টা করতে হবে। সেজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আর কোনোভাবে আক্রান্ত হয়ে গেলে আইসোলেশনসহ চিকিৎসার যেসব পদ্ধতি আছে, সেগুলোই অনুসরণ করতে হবে।'

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারি বিশেষজ্ঞ ড. আব্দি মাহামুদ বলেছেন, 'ওমিক্রন যে অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে কম ক্ষতিকর, সেটি বলার মতো যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। সুতরাং মূল বার্তা হলো, আপনি যদি টিকা নিয়ে থাকেন, তাহলেই আপনি নিরাপদ।'

সন্দেহভাজন রোগীর ওমিক্রন হয়েছে কি না সেটা জানতে পুরো জেনেটিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। করোনাভাইরাসের পিসিআর মেশিনে মুখের যে লালা পরীক্ষা করা হয়, সে লালায় ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেলে পরে সেটা পাঠিয়ে দেওয়া হয় জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য। সেজন্য চার থেকে পাঁচ দিন সময় লেগে যায়। জেনেটিক তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, আক্রান্ত ব্যক্তি ওমিক্রন নাকি অন্য কোনো ধরনে আক্রান্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ব্যবস্থা থাকলেও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পরীক্ষা হচ্ছে শুধু সরকারের রোগতত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা আইইডিসিআরে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ১২৮টি দেশে অমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও এই ধরনের সংক্রমণ বাড়ছে। দুই দিন আগে ওমিক্রনে শনাক্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে।

ট্যাগ: ওমিক্রন

জাতীয়
শিক্ষক উৎপল হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিতু গ্রেপ্তার

banglanewspaper

সাভারের আশুলিয়ার হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যা মামলার প্রধান আসামি আশরাফুল ইসলাম জিতুকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২৫ জুন দুপুরে শিক্ষক উৎপল কুমারকে স্টাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করে জিতু। এরপর ২৭ জুন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার।

এ ঘটনায় ২৬ জুন উৎপলের ভাই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় জিতুকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়াও কয়েকজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।

মামলার পর মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাতে কুষ্টিয়া থেকে অভিযুক্ত জিতুর বাবা উজ্জ্বল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। ওই রাতেই তাকে আশুলিয়া থানায় আনা হয়। এরপর তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আজ ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলামের আদালত উজ্জ্বলের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
হাসিনা-মোদি বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে যেসব ইস্যু

banglanewspaper

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত ভারত সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলোচ্যসূচিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ইস্যুটি গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অবৈধ অভিবাসনের ফলে উদ্ভূত সমস্যাগুলো উত্থাপন করবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে মৌলবাদ বৃদ্ধি, মাদক পাচার এবং নারী ও শিশু পাচার।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মোমেন বলেন, আমাদের কাছে একমাত্র সম্ভাব্য সমাধান হলো (রোহিঙ্গাদের) তাদের রাখাইন রাজ্যে (মিয়ানমার) প্রত্যাবাসন। আমি নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করবেন, তখন তিনি এই বিষয়টি উত্থাপন করবেন-কীভাবে এই প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টায় ভারত আমাদের সাহায্য করতে পারে।

২০১৭ থেকে ২৫ আগস্ট মিয়ানমার থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এই রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সাম্প্রতিক ইতিহাসে মানুষের সবচেয়ে বড়, দ্রুততম দেশান্তরের মধ্যে একটি।

মোমেন বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অনুরোধ করছি শুধু এই বিশাল রোহিঙ্গা জনসংখ্যাকে ভরণপোষণের জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য নয়, বরং একই সাথে আমাদের এই সমস্যার কিছু টেকসই সমাধানের দিকে তাকাতে হবে। আমাদের কাছে একমাত্র সম্ভাব্য সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসন, যেখান থেকে তারা (মিয়ানমার) এসেছে।

সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মায়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার পর ২০১৭ সালের আগস্টে এই জটিল রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট শুরু হয়। এরপর সংখ্যালঘু, প্রধানত মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত পাল্টা হামলা চালানো হয়, যা-কে জাতিগত নির্মূল বলে দাবি করেছে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টায় ভারত যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আমরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছি, তবে আমি মনে করি অন্য দেশগুলো কিছু সহযোগিতা করতে পারে যদি মিয়ানমার সম্মত হয়। যেহেতু ভারত মিয়ানমার ও বাংলাদেশ উভয়েরই অভিন্ন প্রতিবেশী, তাই আমরা অতীতেও অনুরোধ করেছি এবং ভারতকে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য আরও অনুরোধ করব, বিশেষ করে এই রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ফিরে যায়।

মোমেন বলেন, যদি তারা (রোহিঙ্গারা) সঠিক উপযোগী পরিবেশ খুঁজে পায়, তাদের উন্নত বাস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই জীবিকার ক্ষেত্রে কিছু প্রাথমিক সাহায্যের প্রয়োজন হবে এবং এটি ভারতের মতো দেশ করতে পারে, যদি মিয়ানমার তাতে সম্মত হয়। এটি বাংলাদেশের জন্য গেম চেঞ্জার হবে।

বাংলাদেশের কূটনীতিক আরও বলেন, তিনি গত বছর সাবেক ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।

মোমেন আরও জানান, বিষয়টি সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে।

মোমেন বলেন, 'আমি নিশ্চিত-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করবেন, তখন ভারত কীভাবে রোহিঙ্গাদের এই প্রত্যাবাসনে আমাদের সাহায্য করতে পারে তা-ও তুলে ধরবেন।'

গত পাঁচ বছরে রাখাইন রাজ্য থেকে উদ্বাস্তুরা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় পালিয়ে আসছে। ২০১৭ সালে সংকট শুরু হওয়ার কয়েক বছর আগে থেকে পালিয়ে আসা দুই লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগ দিচ্ছে তারা।

বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গা শরণার্থী বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবির বাংলাদেশের কুতুপালং-এ বাস করে।

মোমেন বলেন, এটি কক্সবাজারের একটি খুব ঘণবসতিপূর্ণ জায়গা, আমরা রোহিঙ্গা জনসংখ্যার একটি অংশকে ভাসানচর দ্বীপে সরিয়ে ঘনবসতি কমানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু এটিও একটি অস্থায়ী সমাধান।

রোহিঙ্গা এবং তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ। বেশ কিছু রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান ও শিশু পাচারের মামলা হয়েছে। এই অঞ্চলে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মৌলবাদীকরণের আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এএনআইকে বলেন, ৬০ শতাংশেরও বেশি রোহিঙ্গা (শরণার্থী) খুবই অল্পবয়সী... তাদের মৌলবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি স্পষ্টতই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে...শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এর (পার্শ্ববর্তী) অঞ্চলের জন্যও।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড যাওয়ার পথে নারী ও শিশুসহ মাদক এবং মানব পাচার হচ্ছে। এছাড়া আন্দামান সাগরএর (ভারত) কাছেও আমরা কিছু (অবৈধ) কার্যকলাপের সন্ধান পেয়েছি।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অভিবাসনের কারণে অপরাধের হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি উদ্বেগের বিষয়। ঢাকার পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারে ব্যাপকভাবে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ জানায়, রোহিঙ্গারা খুন, মাদক ও মানব পাচার, অস্ত্র ও স্বর্ণ পাচার, ধর্ষণ, ডাকাতি, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলাসহ ১২ ধরনের অপরাধে জড়িত। ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় থানায় ৭১টি খুন, ৭৬২টি মাদক পাচার, ৮৭টি অস্ত্র মামলা, ২৮টি মানব পাচার, ৬৫টি ধর্ষণের ঘটনা, ১০টি ডাকাতি, ৩৪টি অপহরণ ও মুক্তিপণের ঘটনা এবং ৮৯টি বিবিধ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন এবং তিনি সম্ভবত বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়ে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিয়ে কথা বলবেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
অ্যাক্রেডিটেশন ছাড়া শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে না

banglanewspaper

চাকরিপ্রত্যাশী বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে চাকরির মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরা ক্যাম্পাসে ‘জব ফেয়ার ২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. নুরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোর্শেদা চৌধুরী, বোর্ড অব ট্রাস্টিস এর চেয়ারম্যান ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী ও ওয়ার্ল্ড স্কুল অব বিসনেস এর বিভাগীয় প্রধান ড. সেলিম আহমেদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী। 

প্রধান অতিথি বলেন ‘সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) এর অ্যাক্রেডিটেশন না থাকলে যথেষ্ঠ উপযুক্ত মান অর্জন করা সম্ভব হবেনা এবং যার শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেনা।

জব ফেয়ারে বসুন্ধরা গ্রুপের টগি ফান ওয়ার্ল্ড, মিনিস্টার হাই—টেক পার্ক লিমিটেড, অগমেডিক্স বাংলাদেশ লিমিটেড, রকমারি ডট কম, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ভিস্তা ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, ঢাকা রিসোর্ট, ইউ এস বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্টি্রজ, মিকা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ব্রাইট স্কিলস, সিমেক সিস্টেম লিমিটেড, গ্র্যাভিটি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, প্রথম আলোর চলতি ঘটনা ম্যাগাজিন, ওয়ান লিটল ওয়েব, ই—লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেড, টেক ট্যালেন্টস, লার্নিং বাংলাদেশ, ক্যালিব্রেশন প্রযুক্তি প্রাইভেট লিমিটেড, এনস্টার গ্রুপ, ও কাউন্সেলস 'ল' পার্টনারস (সিএলপি) অংশগ্রহণ করে। 

চাকরি প্রত্যাশীরা কোনো রেজিস্ট্রেশন বা এন্ট্রি ফি ছাড়াই নিয়োগ কারীদের কাছে তাদের জীবন বৃত্তান্ত জমা দেয়ার সুযোগ পায় যেগুলো পরবর্তীকালে বাছাই করে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। পাশাপাশি যারা ফাইনাল সেমিস্টারের শিক্ষার্থী তাদেরও  ইন্টার্নশিপের জন্য সিভি জমা দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। জব ফেয়ারটি বাংলাদেশের সকল সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় এবং কর্পোরেট এক্সপার্টদের দিয়ে সকল গ্র্যাজুয়েটদের জন্য একটি ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের ব্যবস্থা করা হয়। 

দিনব্যাপী জব ফেয়ারের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরকে প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজার সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ কতৃর্পক্ষ সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
সংসদে নিজ আসন থেকে উঠে রওশন এরশাদের খবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী

banglanewspaper

দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থেকে সংসদে ফিরেছেন বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

বুধবার (২৯ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে যোগ দেন বিরোধী দলীয় এই নেতা। এ সময় সংসদ নেতা শেখ হাসিনা নিজ আসন ছেড়ে বিরোধী দলীয় নেতার আসনের পাশে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এ বিষয়ে সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, সংসদে অসুস্থ বিরোধী দলীয় নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিতে সংসদ নেতা নিজেই তার আসনের কাছে চলে গেছেন। এটাই হচ্ছে সংসদীয় গণতন্ত্রের বড় সৌন্দর্য।

উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গত ২৭ জুন দেশে ফিরছেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

ট্যাগ:

জাতীয়
পদ্মা সেতু রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

banglanewspaper

পদ্মা সেতু রক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য যাত্রী সাধারণসহ সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (২৯ জুন) রাজধানীর সেতু ভবনের সম্মেলন কক্ষে সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ ও উদ্বোধনের মাধ্যমে জনগণের স্বপ্নপূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান। ধন্যবাদ জানান সেতু বিভাগের কর্মচারীদেরও।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিপত্রে সেতু বিভাগের পক্ষে সচিব মো. মঞ্জুর হোসেন এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) মো. রুপম আনোয়ার স্বাক্ষর করেন। পরে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝেই-সার্ভিস-ইনোভেশন কার্যক্রমের আওতায় ট্যাব বিতরণ করেন মন্ত্রী।

ট্যাগ: