banglanewspaper

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২-৬ জানুয়ারি) ২০ খাতের মধ্যে ৩ খাতে শেয়ারদর কমেছে। দর কমাতে এই ৩ খাতের বিনিয়োগকারীরা সাপ্তাহিক রিটার্নে লোকসানে রয়েছেন।

ইবিএল সিকিউরিটিজের সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এই তথ্য পাওয়া গেছে।

খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসানে রয়েছেন পেপার খাতের বিনিয়োগকারীরা। এখাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসান গুনছেন ৮.৪০ শতাংশ।

পাট খাতের বিনিয়োগকারীরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লোকসান গুণছেন। এখাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসানে রয়েছেন ২.৯০ শতাংশ।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লোকসান গুণছেন সাধারণ বিমা খাতের বিনিয়োগকারীরা। এখাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসান গুনছেন ১.৭০০ শতাংশ।

ট্যাগ: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

অর্থ-বাণিজ্য
দুই শতাধিক বিলাসবহুল পণ্যে শুল্ক আরোপ

banglanewspaper

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ ও আমদানি প্রবণতা কমাতে এবং দেশীয় পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দুই শতাধিক বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সোমবার (২৩ মে) এ-সংক্রান্ত এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর।

নতুন করে শুল্ক আরোপ করা পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, আমদানি করা বিস্কুট, চকলেট, বিভিন্ন জাতের ফল, জুস, বিদেশি তৈরি পোশাক, ফার্নিচারের কাঁচামাল ইত্যাদি।

এসব পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
আরও কমলো টাকার মান

banglanewspaper

মার্কিন ডলারের বিপরীতে আবারও টাকার মান কমানো হয়েছে। সোমবার প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য ৪০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একদিন আগেও প্রতি ডলার কিনতে খরচ হয়েছিল ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা।

এর আগে গত সোমবার ৮০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর বাড়ানো হয় আরও ১০ পয়সা।

সূত্র জানায়, বাজারের ডলারের তীব্র সংকট থাকায় অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করতে এবং রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সে মুদ্রা বিনিময় হারের সুবিধা দিতে ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে, জানুয়ারির শুরুতে প্রতি ডলারে বিনিময় মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা, ২৩ মার্চে ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা, ২৭ এপ্রিল ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা এবং সর্বশেষ ৯ মে ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি বেশি। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রতি মার্কিন ডলারের দাম ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বছরের মে মাসে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা দরে। ওই সময়ে ডলারের দাম বাড়ল এক টাকা ৯০ পয়সা।

এদিকে ডলারের দাম বাড়ার ফলে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে মুদ্রা বিনিময় হারজনিত সুবিধা পাওয়া যাবে। টাকার মান কমায় দাম বেড়ে যাবে পণ্যের। এর প্রভাবে আরও চাপ বাড়বে মূল্যস্ফীতির ওপর।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
রুশ ব্যবসা বিক্রি করছে ফরাসি জায়ান্ট রেনোঁ

banglanewspaper

রাশিয়ায় থাকা কার্যক্রম বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ফরাসি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেনোঁ। অংশীদারিত্ব বিক্রির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে দেয়া হচ্ছে। সোভিয়েত আমলের গাড়ির ব্র্যান্ড মস্কভিচকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাশিয়ার এ পদক্ষেপ। গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এবারই প্রথম কোনো বিদেশী ব্র্যান্ডকে জাতীয়করণ করছে রাশিয়া। খবর এপি।

রেনোঁ জানিয়েছে, রাশিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাভটোভাজে থাকা অংশীদারিত্বের মূল অংশ বিক্রি করে দেয়া হবে। এ ছাড়া, রেনোঁর অন্যান্য কার্যক্রম যেমন মস্কোর কারখানাটিও নগর সরকারের কাছে বিক্রি করা হবে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবইয়ানিন বলেন, সোভিয়েত যুগের মস্কভিচ ব্র্যান্ডটি ফিরিয়ে আনা হবে। এ কারখানায় তৈরি হবে মস্কভিচ ব্র্যান্ডের গাড়ি। সোভিয়েত ইউনিয়নের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ছিল মস্কভিচ। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় এটি। ২০০০ সালে বাজার থেকে একেবারে অদৃশ্য হয়ে যায় মস্কভিচের কার্যক্রম।

রেনোঁর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লুসা ডি মেয়ো এক বিবৃতিতে বলেন, মস্কো থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত জরুরি হলেও কঠিন ছিল। রাশিয়ায় কর্মরত ৪৫ হাজার কর্মীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। 

রেনোঁর এ ঘোষণা এমন দিনে এল, যেদিন ফাস্টফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ড’স রাশিয়া থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার কথা জানিয়েছে।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
পেঁয়াজ উৎপাদন ২ লাখ ৭৯ হাজার টন বেড়েছে

banglanewspaper

দেশে বর্তমানে পেঁয়াজের যে মজুত আছে, তা দিয়ে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চাহিদা মিটবে। পাশাপাশি এ বছর পেঁয়াজ উৎপাদনও বেড়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয় মনে করে, ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়বে। তবে পেঁয়াজ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই, বরং কৃষককে সুরক্ষা দিতে আমদানি নিরুৎসাহিত করা দরকার। 

দেশে প্রতিবছর ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে কৃষকের পেঁয়াজ ওঠে। এবারের উৎপাদন ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রতিবেদন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। 

এতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) হিসাব তুলে ধরে বলা হয়েছে, চলতি বছর দেশে ৩৬ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২ লাখ ৭৯ হাজার টন বেশি। পচে যাওয়া এবং ওজন কমে যাওয়ায় মোট উৎপাদনের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ পেঁয়াজ বিক্রয়যোগ্য থাকে। 

ডিএই বলছে, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছে এখন পেঁয়াজ সংরক্ষিত অবস্থায় আছে কমপক্ষে ২৫ লাখ টন। 

ডিএইর পেঁয়াজ উৎপাদনের হিসাবের সঙ্গে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবের পার্থক্য অনেক বেশি। 
বিবিএস বলছে, গত বছর পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ২২ লাখ ৬৯ হাজার টন, যা ডিএইর হিসাবের তুলনায় প্রায় ১১ লাখ টন কম। 

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, দেশের মোট চাহিদার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। 

তবে ডিএই দেশে পেঁয়াজ আমদানির জন্য নতুন করে আমদানির ছাড়পত্র দিচ্ছে না। এ কারণে কয়েক দিন আগে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে যায়। বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে দ্রুত পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ছে। ভালো দাম পেলে কৃষক পেঁয়াজ চাষে উৎসাহিত হবেন। তিনি বলেন, ‘ভোক্তাদেরও যাতে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে না হয়, সেই দিকেও আমরা খেয়াল রাখছি।’

পেঁয়াজ পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) সাড়ে ৫ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এক মাস আগে ১ লাখ ৩৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমদানি হয়েছে মাত্র ৫৪ হাজার ৪০০ টন। যে কারণে নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে না ডিএই।

এদিকে, ডিএইর হিসাবে, এ বছর দেশি পেঁয়াজের প্রতি কেজির উৎপাদন খরচ পড়েছে ২০ টাকা। আর হাইব্রিড ও বিদেশি জাতের পেঁয়াজ উৎপাদনে খরচ পড়ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) কান্ট্রি ইকোনমিস্ট নাজনীন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এখন দেশে পেঁয়াজের সংকট হওয়া বা দাম এতটা বেড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। তাই মূল্যবৃদ্ধির কারণ খুঁজে বের করা উচিত।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
খোলাবাজারে ডলারের দাম সেঞ্চুরি ছাড়ালো

banglanewspaper

হু হু করে বাড়ছে মার্কিন ডলারের দাম। দেশের বাজারে বিরাজ করছে অস্থিরতা। কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে ডলারের দাম মঙ্গলবার (১৭ মে) প্রথমবারের মতো ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সোমবারও খোলাবাজারে ৯৭ থেকে ৯৮ টাকা দরে ডলার বিক্রি হয়। এর আগে কখনো ডলারের দর ১০০ টাকা অতিক্রম করেনি।

মতিঝিলের এক ডলার ব্যবসায়ী বলেন, আজকে ১০১ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করছি। মানুষ বিদেশ যাচ্ছে। এখন নগদ ডলারের প্রচুর চাহিদা। ব্যাংকগুলোতেই ডলারের সংকট। এখন প্রতিদিনই দুই-তিন টাকা করে বাড়ছে। সামনে হজ মৌসুম আসছে, আরও দাম বাড়বে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ সোমবার (১৬ মে) ডলারের দর বেঁধে দিয়েছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু তাদের বেঁধে দেওয়া এ রেট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও মানছে না। এখন ব্যাংকে এলসি করতে গেলে ডলারের বিপরীতে নেওয়া হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৩ টাকা। আবার কোনো কোনো ব্যাংক ৯৫/৯৬ টাকাও নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া রেটের চেয়ে বাজারে বেশি দামে ডলার বিক্রি হচ্ছে বিষয়টি স্বীকার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছেও এ ধরনের অভিযোগ এসেছে। তবে আমাদের রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি বেশি, এ কারণে ডলারের ওপর চাপ প‌ড়ে‌ছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোর চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সরবরাহ করছে। এখন পর্যন্ত ব্যাংকগু‌লোর চা‌হিদার বিপরী‌তে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করা হয়েছে। যখনই প্রয়োজন আরও ডলার সরবরাহ করা হবে।
 

ট্যাগ: