banglanewspaper

করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ঠেকাতে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যেও বাণিজ্যমেলার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেলা চলবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্তে এসেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, বিধিনিষেধের নির্দেশনা অনুযায়ী মেলার কার্যক্রম চালাতে কোনো অসুবিধা নেই। মেলা বন্ধ করার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বিধিমালার আলোকে যেভাবে করা দরকার সেভাবে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত বছর বন্ধ ছিল বাণিজ্যমেলা। এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে পূর্বাচলের নতুন ভেন্যুতে মাসব্যাপী মেলা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলছে। নতুন ভেন্যু হওয়ায় এখনও সেভাবে জমে ওঠেনি মেলা। এর মধ্যে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সরকার ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা আগামী বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপন জারির পর এক-তৃতীয়াংশ সময় গড়ানো মেলার ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। মেলা চলবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ বৈঠকে বসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বৈঠকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মার্কেট-শপিংমল তো চলছেই, এটাও খোলা জায়গায় না। তবে যতটুকু খোলা আছে, সেখানে মানুষ যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করে সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে।’

মেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে কঠোরতা বাড়বে জানিয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও মেলার পরিচালক মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, সরকারঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যেও মেলা চললে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে অবশ্যই আরও বেশি ব্যবস্থা নেবো। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে মেলায় কঠোরতা বাড়বে।

ট্যাগ: বাণিজ্যমেলা

অর্থ-বাণিজ্য
৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ছে না ভোজ্যতেলের দাম

banglanewspaper

নানা কারণ দেখিয়ে আবারো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তখন আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি দেখে প্রয়োজনে দাম বাড়ানো বা কমানো হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বুধবার সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, আমি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেছি একটু সময় দিতে। আমরা আগামী ৬ তারিখ মানে ১৬ দিন পর বসে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হলে বাড়াবে আর কমানোর প্রয়োজন হলে কমাব। আপাতত দাম বাড়ছে না, বাজারে যে দাম রয়েছে, সেই মূল্যই বহাল থাকবে।

সবকিছু বিবেচনা করে যেটা সুবিধাজনক হয়, সেটি করা হবে বলেও এসময় জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে ব্যবসায়ীরা জানান, তারা বোতলজাত সয়াবিনের প্রতি লিটারের দাম ৩ টাকা ছাড় দিচ্ছেন। এ ১৫ দিন বোতলজাত তেলের দাম ১৬৮ থেকে ৩ টাকা ছাড়ে ১৬৫ টাকায় বিক্রি করা হবে।

বৈঠকে দেশের ভোজ্যতেলের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহ, ট্যারিফ কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
টাকার বিপরীতে ডলারের মান বেশি বাড়বে না: অর্থমন্ত্রী

banglanewspaper

টাকার বিপরীতে ডলারের মান খুব বেশি একটা বাড়বে না বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, ‘রপ্তানি বাড়ছে, আমদানিও বাড়ছে। আমদানির জন্য অর্থায়ন প্রয়োজন। ডলারের বাজার তাই ওঠা-নামা করবেই। তবে অনেক বেশি ওঠা-নামা হবে না। টাকার তুলনায় ডলারের মান বেশি বাড়ার আশঙ্কা নেই।’

বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রীর বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

অর্থমন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, আগে প্রতি ডলারের আনুষ্ঠানিক মান ৮৫ টাকা থাকলেও এখন ৮৬ টাকা। টাকার মান কি আরও কমবে? অনানুষ্ঠানিক চ্যানেল বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম আরও বেশি, অর্থাৎ ৯০ টাকা। এ বিষয়ে সরকারের ব্যবস্থাপনা কী?

এসব প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বাজারের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে, আমরা তা স্বীকার করি।’

এ সময় তিনি জানান, বিদ্যমান রপ্তানি বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ছয় হাজার কোটি মার্কিন ডলার, প্রস্তাবিত নীতিতে তা বাড়িয়ে আট হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) ও ফ্রিল্যান্সিং খাতসহ সেবা খাতে সুবিধা দেওয়া হবে জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ধারণা জোরদার করার লক্ষ্যে এই নীতি অনুমোদন করা হয়েছে।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
সুদ বাড়াচ্ছে ফেডারেল ব্যাংক, প্রভাব পড়বে উদীয়মান দেশগুলোতেও

banglanewspaper

শিগগির সুদের হার বাড়াতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর ওপর এর প্রভাব পড়বে বলে আগেভাগেই সতর্ক হতে বলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। তারা জানিয়েছে, পূর্বপ্রত্যাশিত সময়ের আগেই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের এমন পদক্ষেপ অর্থনৈতিক বাজারগুলোকে কাঁপিয়ে দিতে পারে। এতে বিদেশে অর্থপ্রবাহ কমে যাওয়া এবং মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটতে পারে। খবর রয়টার্সের।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক ব্লগে আইএমএফ জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছে। সেখানে বছরের শেষের দিকে মুদ্রাস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি নতুন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রকাশের আগেই এসব কথা জানিয়েছে বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি।

আইএমএফ বলেছে, মার্কিন মুদ্রা নীতি ধারাবাহিক এবং সুপরিকল্পিতভাবে কঠোর হলে উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর ওপর তার ‘সামান্য’ প্রভাব পড়তে পারে। এতে আর্থিক ব্যয় বাড়লেও বিদেশি চাহিদার কারণে সেই ক্ষতি পূরণ হয়ে যাবে।

ফেডারেল ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানো এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে দাতা সংস্থাটি বলেছে, উদীয়মান দেশগুলোকে অর্থনৈতিক অস্থিরতা ঠেকাতে সম্ভাব্য লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত।

এর আগে, চলতি সপ্তাহে ফেডারেল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জেমস বুলার্ড জানান, তারা আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই সুদের হার বাড়াতে পারেন। এই পদেক্ষেপ আরও কয়েক মাস পরে নেওয়া হবে বলে আগে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু ‘মূল্যস্ফীতি’ ঠেকাতে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এখনই আরও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার মতো অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন এ কর্মকর্তা।

ব্লগে আইএমএফ লিখেছে, ফেডারেল ব্যাংকের দ্রুত সুদের হার বৃদ্ধি অর্থনৈতিক বাজারগুলোকে বিপর্যস্ত এবং বিশ্বব্যাপী আর্থিক অবস্থাকে সংকটে ফেলতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা ও বাণিজ্যে ধীরগতি নেমে সাথে আসতে পারে এবং উদীয়মান বাজারগুলোতে মূলধনের বহিঃপ্রবাহ এবং মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটতে পারে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, উচ্চ সরকারি-বেসরকারি ঋণ, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি এবং স্বল্প কারেন্ট অ্যাকাউন্ট থাকা উদীয়মান বাজারগুলো এরই মধ্যে মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার মানে পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বলেছে, শক্তিশালী মুদ্রাস্ফীতির চাপ বা দুর্বল প্রতিষ্ঠান থাকা উদীয়মান বাজারগুলোকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং বেঞ্চমার্ক সুদের হার বাড়াতে দ্রুত কাজ করা উচিত। সংস্থাটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে কঠোর নীতি প্রণয়নের বিষয়ে স্পষ্ট ও ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, বিদেশি মুদ্রায় উচ্চ ঋণ থাকা দেশগুলোকে তাদের দুর্বলতা খুঁজে বের করা উচিত।

এছাড়া, সরকারগুলো ধীরে ধীরে কর বৃদ্ধি, পেনশন ও ভর্তুকি ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক সংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা করতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
‘এক যুগে আমাদের মাথাপিছু আয় ম্যাজিকের মতো বেড়েছে’

banglanewspaper

গত এক যুগে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় ম্যাজিকের মতো বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। চলতি বছরের মধ্যে সেই আয় তিন হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

রবিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ঢাকা ওয়াসা আয়োজিত ‘বিল কালেকশন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘গত এক যুগে আমাদের গড় আয় ম্যাজিকের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ দেশের নেতৃত্ব আছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমাদের আয় ছিল ৭০০ ডলারের নিচে। গত এক যুগে আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫৫৪ ডলারে। চলতি বছরের মধ্যে তিন হাজার ডলারে উন্নীত হবে।’

ওয়াসা সম্পর্কে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসা রাজধানীতে নগরবাসীর চাহিদার অতিরিক্ত পানি সরবরাহ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।’

চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং খুলনাতেও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনসহ সারাদেশের মানুষের পানির চাহিদা পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকাবাসীকে গুণগত মানসম্পন্ন পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং কাজ চলছে। পানি সরবরাহের জন্য স্থাপিত পাইপ লাইনগুলো অনেক পুরোনো এবং অধিকাংশ অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। এখন সেগুলো পরিবর্তন করে উন্নতমানের পাইপ বসানো হচ্ছে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৯৬ সালে ঢাকা ওয়াসা রাজধানীতে ৬০ শতাংশ পানি সরবরাহ করতে সক্ষম ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে পানির মান উন্নয়ন এবং সরবরাহ বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এরমধ্যে সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ফেজ-১ ও ২ শেষ হয়েছে। এখন সায়েদাবাদ ফেজ-৩ এর নির্মান কাজ চলছে। এসব উন্নয়ন কাজের ফলে ইতিমধ্যে শতভাগ পানির সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছে ঢাকা ওয়াসা।’

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ৩৪টি ব্যাংক এবং তিনটি মোবাইল ব্যাংককে ওয়াসার বিল কালেকশনে বিশেষ অবদান রাখায় ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

ট্যাগ:

অর্থ-বাণিজ্য
সাপ্তাহিক রিটার্নে লোকসানে তিন খাতের বিনিয়োগকারীরা

banglanewspaper

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২-৬ জানুয়ারি) ২০ খাতের মধ্যে ৩ খাতে শেয়ারদর কমেছে। দর কমাতে এই ৩ খাতের বিনিয়োগকারীরা সাপ্তাহিক রিটার্নে লোকসানে রয়েছেন।

ইবিএল সিকিউরিটিজের সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এই তথ্য পাওয়া গেছে।

খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসানে রয়েছেন পেপার খাতের বিনিয়োগকারীরা। এখাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসান গুনছেন ৮.৪০ শতাংশ।

পাট খাতের বিনিয়োগকারীরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লোকসান গুণছেন। এখাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসানে রয়েছেন ২.৯০ শতাংশ।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লোকসান গুণছেন সাধারণ বিমা খাতের বিনিয়োগকারীরা। এখাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসান গুনছেন ১.৭০০ শতাংশ।

ট্যাগ: