banglanewspaper

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পর দল থেকেও বহিষ্কার হয়েছেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। এ নিয়ে খুব বেশি আক্ষেপ না করে বললেন, ‘বিএনপি বহিষ্কার করলেও দল পরিবর্তন করব না, অন্য কোনো দলেও যোগ দেব না। দলের একজন অনুগত কর্মী হিসেবেই কাজ করে যাব।’

বুধবার নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গত ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে হাতি প্রতীকে নির্বাচন করেন তৈমূর আলম খন্দকার। এই নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নেন।

নির্বাচনের কয়েক দিন আগে তাকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরমধ্যে মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র মোতাবেক দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে তৈমূর আলম খন্দকারকে বহিষ্কার করা হলো।

একই দিন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালকেও বহিষ্কার করা হয়। তিনি তৈমূর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘বিএনপির যারা আমাকে নির্বাচন চলাকালে অব্যাহতি দিয়েছিল, এখন বহিষ্কার করেছে। এর অর্থ হলো তৈমূরকে ভোটটা দিও না। তারাই পল্টন অফিস থেকে আমার অনেক নেতাকে বলেছিল তৈমূরের পক্ষে যেও না। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের বিএনপি তো ভোটটা দেবে, কাকে দেবে? তাদের কথায় প্রমাণ হয় ভোটটা নৌকায় যাবে, এটাই চেয়েছিল তারা। আমি ভাবতেও পারিনি দলীয় মহাসচিবের কথা কচুপাতার পানিতে পরিণত হবে। কারণ, মহাসচিব বলেছিলেন- দলগতভাবে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না, কিন্তু কেউ ব্যক্তিগতভাবে স্থানীয় নির্বাচনে গেলে দলের কোনো আপত্তি থাকবে না।’

নাম না উল্লেখ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কেন্দ্রিক কিছু নেতার প্রতি ইঙ্গিত করে তৈমূর বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে বা দল থেকে তো আমাকে একবারের জন্যও বলেনি আপনি নির্বাচন কইরেন না। তাহলে দলের যারা পল্টন অফিসে বসে নারায়ণগঞ্জের নেতাদের আমার নির্বাচনে যেতে নিষেধ করেছিল তারা অবশ্যই চেয়েছিল ভোটটা নৌকায় পড়ুক।‘

সামনের দিনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দল আমাকে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে মুক্তি দিয়েছে, এখন আমার সামনে দুটি কাজই খুঁজে পেয়েছি। একটি হল যাকে আমি মায়ের মতো শ্রদ্ধা করি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য এবং ভোট ডাকাতির মেশিন ইভিএমের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা।’

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ করেন সদ্য বহিষ্কৃত এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করেবা তিনি যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেন। ইতিহাসে আপনার নাম লেখা থাকবে। যদি অনুমতি না দেন, তবে কি বিপর্যয় হবে সেটা ভবিষ্যত বলে দেবে।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালকে বহিষ্কার প্রসঙ্গে তৈমূর বলেন, ‘আমার ক্ষেত্রে যা করার করেছে কিন্তু এটিএম কামালের মতো নেতাকে বহিষ্কার করা আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের শামিল। কারণ, বিএনপি করতে গিয়ে ত্যাগী এটিএম কামাল বহুবার মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন। আরেকজন এটিএম কামাল সৃষ্টি করা নারায়ণগঞ্জে খুবই কঠিন হবে।’

পরাজিত প্রার্থী তৈমূর বলেন, ‘অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান থাকবে কেউ ইভিএম মেনে নেবেন না। এটা ভোট ডাকাতের বাক্স। আমাদের দেশের আমলাতন্ত্র মেরুদণ্ডহীন। ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক আমলের আদলে চলছে এখনো। তাদের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ ভূমিকা আশা করা যায় না। ইভিএমে নির্বাচনে গেলে কোনোভাবেই ভোট ডাকাতি রুখতে পারবে না জনগণ।’

তৈমূর বলেন, ‘আমি মনে করি রাজনীতি করতে গেলে একটা দল থাকতে হয়। কিন্তু পদ পদবি দরকার হয় না। ব্যক্তি ইমেজ ভালো থাকলে জনগণ এমনিতেই আপনার পাশে থাকবে। নির্বাচন কমিশন একটা মিথ্যার ফ্যাক্টরি, প্রশাসন একটা মিথ্যার ফ্যাক্টরি। জনগণ এখন মিথ্যার কষাঘাতে জর্জড়িত। এই মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই হবে আমার কাজ। আমি জাতীয়তাবাদী ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী। আমি না হয় বিএনপির কর্মী বা সমর্থক হয়ে থাকব। সমর্থককে তো আর বহিষ্কার করতে পারবে না। আমি বিএনপির সমৃদ্ধি কামনা করি, তারেক রহমানের বাংলাদেশে আগমন কামনা করি। তার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনা করি।’

ট্যাগ: তৈমূর

রাজনীতি
আ. লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। মঙ্গলবার (২৪ মে) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়ে সকলের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) থেকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।

২০২১ সালের জুনে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য পদে ৫ম বারের মতো ড. শামসুল আলমের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর একই বছরের ১৮ জুলাই পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।

১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করা ড. শামসুল আলম এর আগে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) থেকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

ট্যাগ:

রাজনীতি
অকেজো মৎস্যজীবী লীগ আমরা স্বীকৃতি দিব না: কাদের

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অকেজো মৎস্যজীবী লীগ আমরা স্বীকৃতি দিব না। স্বীকৃতি দিয়েছি কাজ করার জন্য। কাজ কতটুকু করেছেন সেটার রিপোর্ট আমরা চাই। 

সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের কমিটি নিয়ে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে তা ক্ষতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। 

রবিবার ( ২৩ মে) বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের  আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মৎস্যজীবী লীগের কাজ সারাবাংলায়। যেখানে মাছের উৎপাদন হয়, সেখানে মৎস্যজীবী লীগের কাজ। ঢাকায় বসে বসে নেতাগীরী করলে হবে না ৷ ঢাকা মহানগর উত্তর মৎস্যজীবী লীগের কমিটির হয়েছে কমিটির ব্যাপারে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে একটা অভিযোগ এসেছে। সেটা ক্ষতিয়ে দেখা হবে। 

তিনি বলেন,  আমাদের এখানে মূল যে সমস্যা, সমস্যা হলো আমরা কথা বলি বেশি কাজ করি কম। মৎস্যজীবী লীগের নেতারা কয়টা জেলা ভিজিট করেছে? আমি আপনাদের রিপোর্ট জানতে চাই। কি কি কাজ করেছেন? এক-একটা দিবস আছে, আসলে এখানে শুধু বক্তৃতার আসর। তারপরে বক্তৃতা শেষ, সব শেষ। এরপর আর কোনো কাজ কর্ম নেই। এমন মৎস্যজীবী লীগের কোনো দরকার নেই। 

আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নষ্করের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে রাখেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুল সোবহান গোলাপ।  অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবু সুজিত রায় নন্দী, আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের কার্যকরী সভাপতি মো সাইফুল আলম মানিক, সহ সভাপতি আবুল বাশার  মুহাম্মদ আলম প্রমুখ।

ট্যাগ:

রাজনীতি
বাবা আওয়ামী লীগের ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’: সেলিমপুত্র

banglanewspaper

দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানো আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে ‘দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ বলে উল্লেখ করেছেন তার ছেলে সোলায়মান সেলিম।

রবিবার (২২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম হাজী সেলিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পরই তিনি তাৎক্ষণিক এ প্রতিক্রিয়া দেন।

নিজের বাবা সম্পর্কে সোলায়মান সেলিম বলেন, আমার বাবা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ছিলেন। অসংখ্য নেতাকর্মী গড়ার কারিগর তিনি। দলের জন্য, এলাকার মানুষের জন্য অনেক করেছেন। আমার বাবা খুব অসুস্থ, তিনি নিজে নিজে চলতে পারেন না। শারীরিক সুস্থতার জন্য তার চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আইনের প্রতি আমরা শতভাগ আস্থাশীল। আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে উনার দ্রুত মুক্তি কামনা করছি।

দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে এদিন বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন হাজী সেলিম। পরে শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিন দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী সেলিম।

ট্যাগ:

রাজনীতি
‘বিএনপি পদ্মাসেতু দিয়ে গেলে সেটা ভেঙ্গে পড়তে পারে’

banglanewspaper

সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহজাহান খান বলেছেন, 'বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বলেছিলেন- কেউ পদ্মাসেতুতে উঠবেন না, ভেঙে পড়তে পারে। আমি বলি- বিএনপি কেউ এবং খালেদা জিয়া কেউ দয়া করে পদ্মা সেতু দিয়ে যাবেন না। উনারা উঠলে পড়ে ভেঙ্গে পড়তে পারে বলা যায় না। আপনাদের জন্য নৌকা রয়েছে, নৌকা দিয়ে পার হবেন। নৌকা ছাড়া উপায় নেই।'

শুক্রবার (২০ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলানায়তনে বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শাহজাহান খান বলেন, 'শেখ হাসিনা সরকার শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে কথা বলে। তার কাছে বললে সে শুনবে না। এটা আমি মনে করি না। শুধু শেখ হাসিনা নয়, বঙ্গবন্ধুও ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষে কথা বলেছেন। তাই আমরা মনে করি, শেখ হাসিনার সরকার শ্রমিক বান্ধব সরকার। আমরা যখনই কোন বিষয়ে দাবি জানিয়েছি এই সরকার কাজ করেছে।'

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, 'নির্বাচনই একমাত্র পথ যার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার রদ বদল হতে পারে। সেখানে আপনি বিজয় লাভ করলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে তারা আবারও ক্ষমতা লাভ করবে।'

তিনি আরও বলেন, 'জনগণ যাকে ভোট দিবে সেই ক্ষমতায় যাবে। ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে এই বাংলাদেশে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হয়েছে, সেনাবাহিনী দিয়েও ক্ষমতা দখল হয়েছে। এমনও হয়েছে গনভুথ্যানের মধ্য দিয়েও ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। তবে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে সাংবিধানিক বিধান রয়েছে সেই বিধানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় যেতে হবে।'

মানুষ পুড়িয়ে, হত্যা করে কাউকে নির্বাচনে যেতে দেয়া হবে না হুঁশিয়ারি জানিয়ে শাহজাহান খান বলেন,  'আমরা কাউকে শ্রমজীবী, পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ক্ষমতায় যাবে তার সুযোগ দেয়া হবে না। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আপনাকে ক্ষমতায় যেতে হবে।'

বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন এর সভাপতি শফিক রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অনান্য নেতা কর্মীরা।   

ট্যাগ:

রাজনীতি
সুবিধা নিতে নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলছে বিএনপি : হানিফ

banglanewspaper

আওয়ামী লীগের  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের কোনো ইস্যু না পেয়ে, দর কষাকষি করে সুবিধা নিতেই বিএনপি এখন নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলছে। মূলত বিএনপি নির্বাচনী মাঠ গরম করতে চাইছে।

বুধবার ( ১৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‌‌‘আগামী নির্বাচন রাজনৈতিক সংকট ও উত্তরণের উপায়' অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। আওয়ামী লীগের বিশ্বাস নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক। আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আওয়ামী লীগের আলোচনায় আপত্তি নেই।

গত নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, পরাজিত হলে ভোটের ফলাফল না মানা বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না। যারা বাংলাদেশকে শ্রীলংকা বানাতে চায় তারা দেশের ভালো চায় না। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই। 

হানিফ আরো বলেন, সবাই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যাওয়াটা ভালো লক্ষণ নয়। রাজনীতিবিদেরই রাজনীতি করা ভালো। শেখ হাসিনা গত ১৩বছর বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়ক পৌঁছে দিয়েছেন। পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়ানে নির্মাণ করে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। শুধু পদ্মাসেতু নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বাংলাদেশের এমন কোনো স্থান নেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা তার বাবা মত দেশের মানুষের জন্য অতন্দ্র পহরী হয়ে আছেন। শেখ  হাসিনা বাংলাদেশের নেতৃত্বে আছেন বলেই দেশের মানুষ আজ শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

ট্যাগ: