banglanewspaper

কমনওয়েলথের ক্রিকেটপর্বের বাছাইপর্বে টানা তিন ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ নারী দল। তবে মূলপর্বে উঠতে আরও একটি ম্যাচ জিততে হবে নিগার সুলতানাদের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই অঘোষিত ফাইনাল ম্যাচে সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মাঠে নামবে বাংলাদেশের মেয়েরা।

মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের দাপুটে জয়ের পর গ্রুপপর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্কটিশদের বিপক্ষে খেলতে নামে বাংলাদেশের মেয়েরা। এদিন ম্যাচে টস হেরে প্রথমে বোলিং করতে নামে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বোলারদের সামনে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি স্কটল্যান্ডের ব্যাটারা। ১৭ দশমিক ৩ ওভারে মাত্র ৭৭ রানে অলআউট হয় স্কটিশরা।

দলের মাত্র দুই ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পা দিতে পারেন। বাংলাদেশের সালমা খাতুন-সুরাইয়া আজমিন-নাহিদা আক্তার-সানজিদা আক্তার মেঘলা দুটি করে এবং রিতু মনি নেন একটি উইকেট।

মাত্র ৭৮ রানের টার্গেট স্পর্শ করতে গিয়ে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন ওপেনার শামীমা সুলতানা। খালি হাতে ফিরেন তিনি। এরপর ৭৮ রানের জুটি গড়ে ২৮ বল বাকি রেখেই বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মুরশিদা খাতুন ও ফারজানা হক। মুরশিদা ৫৫ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৫০ রান করেন। ৩৬ বলে অপরাজিত ২০ রান করেন ফারজানা। ম্যাচ সেরা হন মুরশিদা।

এ জয়ের মাধ্যমেই কমনওয়েলথের মূলপর্বে উঠার পথটা আরও একটু মসৃণ হলো। কিন্তু বাছাইপর্বের পাঁচ দলের মধ্য থেকে মূলপর্বে মাত্র একটি দল খেলার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা উভয় দল তিনটি করে ম্যাচ জিতেছে। ফলে নিজেদের মধ্যকার বাছাইপর্বে শেষ ম্যাচে যে দল জিতবে তারাই মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

ট্যাগ: ক্রিকেট

খেলা
মুশফিক-লিটন জুটি যেখানে শীর্ষে এনেছে বাংলাদেশকে

banglanewspaper

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৫ রানের নিচে ৫ উইকেট হারানো ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের জোড়া শতকে ভর করে ৩৬৫ রান দাঁড় করায় বাংলাদেশ। যা ২৫ রানের নিচে ৫ উইকেট হারানো ইনিংসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এর আগে ভারত এমন অবস্থা থেকে ২৬৬ রান তুলেছিল। যা এতদিন রেকর্ড হিসেবে ছিল। ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মাটিতে মাত্র ১৫ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত ২৬৬ রান পর্যন্ত করতে পারে দলটি।

ভারত এই রেকর্ড গড়ার পথে ভাঙে ৭৫ বছরের পুরানো এক রেকর্ড। যা ছিল ইংল্যান্ডের দখলে। ১৯৩৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড ২৫৮ রান করতে সমর্থ হয়। এত অল্প রানে দলের অর্ধেক উইকেট হারানো অবস্থায় দুইশ ছাড়িয়েছিল পাকিস্তানও। ১৯৯৫ সালে তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও তুলেছিল ২১২ রান।

বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কেবল এই রেকর্ড নয়, অন্য আরেকটি রেকর্ডও গড়েন। টেস্টে এক ইনিংসে ছয় ব্যাটসম্যান শূন্য রানে আউট হওয়ার পর কোনো দল করতে পেরেছিল সর্বোচ্চ ১৫২ রান। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের দৃঢ়তায় এবার সেই রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশ করলো ৩৬৫ রান।

২০১৪ সালে ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংসে ডাকের ছক্কা দেখলো ভারত। সেই ম্যাচে ১৫২ রান করেছিলো বিরাট কোহলির দল। এছাড়া ইনিংসে ছয় ডাক দেখা ইনিংসে দলীয় একশ রান পেরিয়েছিল পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকাও। বাংলাদেশ কেবল একশ, দুইশো নয় রীতিমতো তিনশ পেরিয়ে গেলো।

এদিকে ছয় ডাকের ইনিংসে এর আগে কোনো ক্রিকেটার শতক হাঁকাতে পারেনি। সেখানে বাংলাদেশের লিটন ও মুশফিক দুইজনই স্পর্শ করলেন শতরানের মাইলফলক। এই দুই ক্রিকেটার ছাড়া আর দুই অঙ্ক স্পর্শ করেছেন তাইজুল ইসলাম।

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এর আগে পাঁচবার পাঁচ দল ইনিংসে ছয় উইকেট হারালো। ১৯৮০ সালে পাকিস্তান দিয়ে যার শুরু। এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, ভারত ও নিউজিল্যান্ড ছিল তালিকায়। বাংলাদেশই একমাত্র দল হিসেবে দ্বিতীয়বার এমন লজ্জার কীর্তি গড়লো।

ট্যাগ:

খেলা
‘২০৩১ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে বাংলাদেশ’

banglanewspaper

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন আইসিসির সভাপতি গ্রেগ বার্কলে। এদিন খেলা দেখার পাশাপাশি স্কুল ক্রিকেট এবং শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন আইসিসি প্রধান।

পরবর্তীতে মিরপুরে সাংবাদিক সম্মেলনেও যোগ দিয়েছেন বার্কলে। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, আইসিসির নতুন চক্রে বাংলাদেশ অনেকগুলো বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে। পূর্বের তুলনায় বাংলাদেশের জন্য সুযোগ বাড়বে। এ ছাড়াও ২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে বাংলাদেশ।

মূলত, ২০২৩ বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশকে সহ-আয়োজক করা যায় কি না, এমন প্রশ্ন আসে আইসিসি প্রধানের কাছে। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ভারত থেকে আর ভেন্যু কোনোভাবেই সরানো সম্ভব নয়। আর আইসিসির সম্প্রচার স্বত্ত কোম্পানির সঙ্গে যে চুক্তি সেটি অনুসারে ভারতের এই বিশ্বকাপ তাদের জন্য শেষ। নতুন চক্রতে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ বাড়বে আরও।

গ্রেগ বার্কলের ভাষ্যে, ‘২০২৩ বিশ্বকাপে সবগুলো ম্যাচই ভারতের মাটিতে হবে। এটা আমাদের সম্প্রচার স্বত্তের যে চক্র রয়েছে তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আসলে এই বিশ্বকাপটি আমাদের সম্প্রচার স্বত্তের সর্বশেষ টুর্নামেন্ট হিসেবে আয়োজিত হবে। মানে ভারতের মাটিতে সামনের বছর যে বিশ্বকাপ হবে আর কি। এটা অন্য কোথাও আর সরানো হবে না।’

এরপরই তিনি বাংলাদেশে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশেও বড় টুর্নামেন্ট দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এবং দেওয়া হবেও। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ২০৩১ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত। আমরা এখনও নারী বিশ্বকাপের জন্য আয়োজক দেশ নির্ধারণ করিনি। আমি জানি, এর জন্য বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে। এখানে আসলে দারুণ একটা সুযোগও আছে।

আর আমরা চাই, এই খেলাটা যতটা সম্ভব ছড়িয়ে দিতে যেখানে যেখানে ছড়িয়ে দেওয়ার মতো সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ এই খেলার অন্যতম অংশীদার। এখানে আপনারা অনেক ভালো সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। এখানে ক্রিকেটের প্রতি ভক্তদের যে পরিমাণ ভালোবাসা-অনুরাগ আছে, অনেকগুলো দেশের জন্য যা আনপ্যারালাল। নতুন যে চক্র আসছে, সেখানে বাংলাদেশের জন্য আইসিসি ইভেন্টগুলোতে অংশ নেওয়ার জন্য দারুণ সু্যোগ রয়েছে।’

ট্যাগ:

খেলা
সকালে মাঠে থাকলে হার্ট অ্যাটাক করতেন পাপন

banglanewspaper

মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনশেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭৭ রান তুলেছে টাইগাররা। তবে বাংলাদেশ ওই ৫ উইকেট হারিয়েছে টেস্টের সকালের ৪১ বলের মধ্যে। সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ ওভার ৫ বলে ২৪ রান তুলতেই অর্ধেক ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

ঠিক সেই সময় মাঠে ছিলেন না বলে নিজেকে সৌভাগ্যবান দাবি করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, সেই সময় মাঠে থাকলে হার্ট অ্যাটাকই করে বসতেন তিনি।

আইসিসির সভাপতি গ্রেগ বার্কলেকে নিয়ে মিরপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে এই কথা বলেন বিসিবি বস। নাজমুল হাসানের ভাষ্যে, ‘ওই সময় (৫ উইকেট হারানোর মুহূর্তে) থাকলে হার্ট অ্যাটাক হতো। আল্লাহর রহমত আমি ছিলাম না। আমরা তখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, এই খেলার কী অবস্থা? আমি তখন বলেছি, আপা, সাহস নাই দেখার। আমি মাঠে না যাওয়া পর্যন্ত খুলছি না।’

দল খাদের কিনারে থেকে মুশফিকুর রহমান ও লিটন দাসের ব্যাটে ভর করে দারুণ অবস্থানে থেকে মাঠ ছেড়েছেন। এই দুই ব্যাটসম্যান ষষ্ঠ উইকেটে রেকর্ড ২৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন। লিটন-মুশফিক দুইজনই পেয়েছেন শতকের দেখা। এরমধ্যে লিটন তো ক্যারিয়ারসেরা ১৩৫ রানে অপরাজিত আছেন। মুশফিক অপরাজিত আছেন ১১৫ রানে।

নাজমুল হাসান পাপন এই দুই ক্রিকেটারকে অভিবাদন জানাতে ভুল করেননি। তিনি আরও যোগ করেন, ‘মাঠে এসে ঢোকার সময় লিফটে উঠে দেখলাম এই অবস্থা। এটা তো বড় ধরনের একটা শক! তো যাই হোক, যেভাবে মুশফিক ও লিটন ব্যাট করছে এটি বিশেষ কৃতিত্বের দাবিদার। এটি অবিশ্বাস্য। আমি নিশ্চিত সবাই এ জুটিতে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে। এমন চাপে ব্যাটিং করাটা সহজ ছিল না। ওরা অসাধারণ খেলেছে।’

সকালে উইকেট হারানোতে উইকেট এবং গামিনি ডি সিলভাকে নিয়ে আবার প্রশ্ন ওঠে। তবে সেটি উড়িয়ে দিয়ে নাজমুল হাসান আরও জানিয়েছেন, মিরপুরে এদিন টেস্ট উইকেটই বানানো হয়েছে। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালোও ছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট এবং প্লেয়াররাও জানতেন এমন উইকেটের বিষয়ে।

নাজমুল হাসানের ভাষ্যে, ‘আমরা টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে ভেবেছিলাম, আমরা ভালো রান করতে পারবো। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের ওপরের দিকে কেউই দাঁড়াতে পারেনি। মানে ৬ ওভার ৫ বলের মধ্যে আমাদের খেলার অর্ধেক শেষ। উইকেট কিন্তু প্রপার টেস্ট উইকেটের মতো করার চেষ্টা করা হয়েছে। উইকেটের কোনো দোষ নাই। আমাদের টিম ম্যানেজমেন্ট, প্লেয়ার সবাই দেখেই গেছে।’

ট্যাগ:

খেলা
‘শূন্যে’ ভাসছেন তামিম!

banglanewspaper

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়েছেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো এমন ঘটনার সাক্ষী হলো টাইগাররা। প্রত্যেকবারই জড়িয়ে আছে তামিম ইকবালের নাম।

২০১০ সালে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ‘ডাক’ মারেন বাংলাদেশের হয়ে ওপেন করতে নামা তামিম ও ইমরুল কায়েস। চার বছর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটে। সেবার তামিমের সঙ্গী ছিলেন শামসুর রহমান।

নবম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে অন্তত ১০ বার ডাক মেরেছেন তামিম। এক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি শূন্য মেরেছেন ১৬টি। আশরাফুলের পরে রয়েছেন যথাক্রমে মাশরাফি বিন মুতর্জা (১২), মুশফিকুর রহীম (১২), খালেদ মাসুদ পাইলট (১১), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (১১), মুমিনুল হক (১১), মঞ্জুরুল ইসলাম (১০) এবং শাহাদাত হোসেন রাজীব। তবে বাংলাদেশের ওপেনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ‘ডাক’ তামিমেরই।

ট্যাগ:

খেলা
চমক রেখে বাংলাদেশ দল ঘোষণা, স্কোয়াডে মোস্তাফিজুর

banglanewspaper

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। টেস্ট দলে ফিরেছেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। রবিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত দল দিয়েছে বিসিবি। যেখানে হজ পালনের জন্য ছুটি নেওয়ায় কোনো ফরম্যাটেই নাম নেই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের। ছুটির গুঞ্জন থাকলেও তিন ফরম্যাটের দলেই আছেন সাকিব আল হাসান। এছাড়াও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন এনামুল হক বিজয় আর অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

একনজরে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের স্কোয়াড

টেস্ট : মুমিনুল হক, তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, এবাদত হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রেজাউর রহমান রাজা, শহিদুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও নুরুল হাসান সোহান।

ওয়ানডে : তামিম ইকবাল, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, ইয়াসির আলী চৌধুরী, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, এবাদত হোসেন চৌধুরী, নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, এনামুল হক বিজয়।

টি-টোয়েন্টি : মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুনিম শাহরিয়ার, লিটন দাস, এনামুল হক বিজয়, সাকিব আল হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান, ইয়াসির আলী চৌধুরী, শেখ মেহেদী হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

ট্যাগ: